রবিবার | ১ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিপ্লবী গার্ড প্রধান নিহত Logo হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস Logo জলবায়ু সহনশীল গ্রাম গঠনে উদ্যোগ, শ্যামনগরে সক্রিয় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স Logo ইরানের ৩১ প্রদেশের ২০টিতেই হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল Logo খুবির ‘পাবনা খুবিয়ান সোসাইটির’ নতুন কমিটি গঠন ও ইফতার মাহফিল Logo চাঁদপুর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল Logo সারাদেশে চলমান ধর্ষণের প্রতিবাদে খুবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন Logo নারী উন্নয়ন সংস্থা বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ Logo অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা’র আত্মহত্যা Logo প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন : ডা. জাহিদ হোসেন

বর্ষবরণে শ্লীলতাহানি: আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:২৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৮৯৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণের উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারী লাঞ্ছনা মামলার আসামি মো. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার এই অভিযোগপত্র ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা পড়ে।

আদালত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান আজ সকালে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। মামলাটি পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (পিআইবি) তদন্ত করে এ অভিযোগপত্র জমা দিল। গত বছরের পয়লা বৈশাখে নববর্ষের উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটকে নারী লাঞ্ছনার ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। বিষয়টি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে পুলিশ শাহবাগ থানায় মামলা করে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে না পেরে শাহবাগ থানার পুলিশ গত ডিসেম্বরে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার এক মাস পর ডিবি এ বছরের জানুয়ারি মাসে পুরান ঢাকার নিজ বাসার সামনে থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে মো. কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। একই সঙ্গে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করতে আদালতে আবেদন করা হয়। নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় জড়িত যে আটজনের ছবি পুলিশ প্রকাশ করে, কামাল তাঁদের একজন বলে ডিবি জানায়। এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দীপক কুমার দাস বলেন, পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণের উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় পুলিশ আটজনের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে। এর একটি ছবির সঙ্গে কামালের চেহারায় মিল রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনায় কোনো আসামিকে খুঁজে না পাওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হলো। আরো বলা হয়, বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যৌন হয়রানির ঘটনা গোপন ও প্রকাশ্য তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চিহ্নিত আট যৌন হয়রানিকারীকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। এ ছাড়া তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে ৮ থেকে ১০ জন  কতিপয় ব্যক্তি নারীর শাড়ি ধরে টান দেয়। তদন্তে সাক্ষ্যপ্রমাণ ও ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় মামলার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হয়। পরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার প্রতিবেদনটি গ্রহণ না করে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিপ্লবী গার্ড প্রধান নিহত

বর্ষবরণে শ্লীলতাহানি: আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল!

আপডেট সময় : ১২:৩৭:২৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণের উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারী লাঞ্ছনা মামলার আসামি মো. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার এই অভিযোগপত্র ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা পড়ে।

আদালত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান আজ সকালে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। মামলাটি পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (পিআইবি) তদন্ত করে এ অভিযোগপত্র জমা দিল। গত বছরের পয়লা বৈশাখে নববর্ষের উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটকে নারী লাঞ্ছনার ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। বিষয়টি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে পুলিশ শাহবাগ থানায় মামলা করে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে না পেরে শাহবাগ থানার পুলিশ গত ডিসেম্বরে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার এক মাস পর ডিবি এ বছরের জানুয়ারি মাসে পুরান ঢাকার নিজ বাসার সামনে থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে মো. কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। একই সঙ্গে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করতে আদালতে আবেদন করা হয়। নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় জড়িত যে আটজনের ছবি পুলিশ প্রকাশ করে, কামাল তাঁদের একজন বলে ডিবি জানায়। এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দীপক কুমার দাস বলেন, পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণের উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় পুলিশ আটজনের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে। এর একটি ছবির সঙ্গে কামালের চেহারায় মিল রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনায় কোনো আসামিকে খুঁজে না পাওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হলো। আরো বলা হয়, বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যৌন হয়রানির ঘটনা গোপন ও প্রকাশ্য তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চিহ্নিত আট যৌন হয়রানিকারীকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। এ ছাড়া তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে ৮ থেকে ১০ জন  কতিপয় ব্যক্তি নারীর শাড়ি ধরে টান দেয়। তদন্তে সাক্ষ্যপ্রমাণ ও ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় মামলার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হয়। পরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার প্রতিবেদনটি গ্রহণ না করে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন।