শনিবার | ৭ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo কয়রায় তেল-গ্যাসের কৃত্রিম সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ Logo বদর দিবসের শিক্ষা নিয়ে ইসলামের স্বর্ণোজ্জ্বল ইতিহাস আবার ফিরে আনতে হবে -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo সাংবাদিক অপু চৌধুরীকে বই উপহার দিলেন চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমীর মহাপরিচালক Logo পলাশবাড়ীতে জমির অধি গ্রহনের অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা : প্রতারকের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগের তদন্ত  Logo রমজানে বন্দীদের ইবাদত ও পুষ্টিকর খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা: মানবিক উদ্যোগে চাঁদপুর জেলা কারাগার Logo সাতক্ষীরার মেয়ে সুমি বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ খুলনায় আটক Logo চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ১ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo জীবননগরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠন সভাপতি সাঈদ, সম্পাদক হাসান Logo সেন্টমার্টিনে গাঁজাসহ ৯ জন পাচারকারী আটক Logo ইরানের নেতৃত্বে ধর্মীয় নেতা এলেও আপত্তি নেই: ট্রাম্পের

কয়রায় তেল-গ্যাসের কৃত্রিম সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে খুলনার কয়রা উপজেলায় জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাসে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এতে কয়রা সদরসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা তেল বিক্রেতারা সরবরাহ কম থাকার অজুহাত দেখিয়ে গ্রাহকদের সীমিত পরিমাণে তেল দিচ্ছেন। অধিকাংশ দোকানে এক থেকে দুই লিটারের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। অথচ সেই তেলই প্রতি লিটারে ৪ থেকে ৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয়রা জানান, অনেক দোকানে তেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও সাধারণ ক্রেতাদের কাছে তেল দেওয়া হচ্ছে না। বরং যারা বেশি দাম দিতে রাজি হচ্ছেন তাদের কাছেই তেল বিক্রি করা হচ্ছে। আবার অনেক ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট দেখাতে দোকান বন্ধ রাখছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে কৃষকদের অভিযোগ, কৃষিকাজে সেচ মেশিন চালাতে ডিজেল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও বর্তমানে তেল পাওয়া যাচ্ছে কম এবং আগের তুলনায় বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এতে কৃষি উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাচ্ছে।
এছাড়া এলপিজি গ্যাসের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। অনেক গ্যাস ব্যবসায়ী দোকানে গ্যাসের সিলিন্ডার নেই বলে জানালেও পরিচিত বা নির্দিষ্ট ক্রেতাদের কাছে বাড়তি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি সিলিন্ডারে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজার তদারকি জোরদার না থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সুযোগ নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রি করছেন। দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি বাড়িয়ে বাজার স্থিতিশীল করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কয়রায় তেল-গ্যাসের কৃত্রিম সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

কয়রায় তেল-গ্যাসের কৃত্রিম সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:১৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে খুলনার কয়রা উপজেলায় জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাসে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এতে কয়রা সদরসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা তেল বিক্রেতারা সরবরাহ কম থাকার অজুহাত দেখিয়ে গ্রাহকদের সীমিত পরিমাণে তেল দিচ্ছেন। অধিকাংশ দোকানে এক থেকে দুই লিটারের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। অথচ সেই তেলই প্রতি লিটারে ৪ থেকে ৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয়রা জানান, অনেক দোকানে তেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও সাধারণ ক্রেতাদের কাছে তেল দেওয়া হচ্ছে না। বরং যারা বেশি দাম দিতে রাজি হচ্ছেন তাদের কাছেই তেল বিক্রি করা হচ্ছে। আবার অনেক ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট দেখাতে দোকান বন্ধ রাখছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে কৃষকদের অভিযোগ, কৃষিকাজে সেচ মেশিন চালাতে ডিজেল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও বর্তমানে তেল পাওয়া যাচ্ছে কম এবং আগের তুলনায় বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এতে কৃষি উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাচ্ছে।
এছাড়া এলপিজি গ্যাসের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। অনেক গ্যাস ব্যবসায়ী দোকানে গ্যাসের সিলিন্ডার নেই বলে জানালেও পরিচিত বা নির্দিষ্ট ক্রেতাদের কাছে বাড়তি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি সিলিন্ডারে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজার তদারকি জোরদার না থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সুযোগ নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রি করছেন। দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি বাড়িয়ে বাজার স্থিতিশীল করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।