মঙ্গলগ্রহে বরফের খনি!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৭৭৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, মঙ্গলগ্রহে মাটির নিচে বরফের খনি আছে। একটা বড়সড় অংশ জুড়ে রয়েছে এই বরফ। ২৬০ ফুট থেকে ৫৬০ ফুট মোটা স্তর রয়েছে বরফের। যার মধ্যে ৫০ শতাংশই হলো বরফ ও পাথরের মিশ্রণ। ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইডেরও খোঁজ মিলেছিল মঙ্গলের পাথরে। মাঙ্গানিজ অক্সাইডের অস্তিত্ব প্রমাণ করে অতীতে লাল গ্রহের বায়ুমণ্ডলে অনেক বেশি অক্সিজেন ছিল। কারণ যথেষ্ট পরিমাণ তরল পানি ও জারক প্রক্রিয়ার অস্তিত্ব না থাকলে এধরনের ম্যাঙ্গানিজের স্তর সৃষ্টি হতে পারে না। বিকাশের একটা পর্যায়ে পৃথিবীতেও প্রচুর পানি ছিল। পরে সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ার ফলে যখন বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, তখনই ম্যাঙ্গানিজের স্তর তৈরি হতে শুরু করে। এই কারণেই মনে করা হচ্ছে মঙ্গলে ম্যাঙ্গানিজ তৈরি হয়েছিল অনেক বেশি অক্সিজেন থাকার কারণেই। তবে প্রাগৈতিহাসিক যুগে কখনও বরফপাতের ফলেই মঙ্গলে বরফের খনি তৈরি হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। যে অংশে বরফ জমা রয়েছে তা বিজ্ঞানীদের নাগালের মধ্যেই বলে জানা যায়। সেখানে স্পেশক্রাফট নামাও বেশ সুবিধাজনক। বিজ্ঞানীদের অনুমান, এক সময়ে মঙ্গলে প্রচুর পানিও ছিল।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মঙ্গলগ্রহে বরফের খনি!

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, মঙ্গলগ্রহে মাটির নিচে বরফের খনি আছে। একটা বড়সড় অংশ জুড়ে রয়েছে এই বরফ। ২৬০ ফুট থেকে ৫৬০ ফুট মোটা স্তর রয়েছে বরফের। যার মধ্যে ৫০ শতাংশই হলো বরফ ও পাথরের মিশ্রণ। ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইডেরও খোঁজ মিলেছিল মঙ্গলের পাথরে। মাঙ্গানিজ অক্সাইডের অস্তিত্ব প্রমাণ করে অতীতে লাল গ্রহের বায়ুমণ্ডলে অনেক বেশি অক্সিজেন ছিল। কারণ যথেষ্ট পরিমাণ তরল পানি ও জারক প্রক্রিয়ার অস্তিত্ব না থাকলে এধরনের ম্যাঙ্গানিজের স্তর সৃষ্টি হতে পারে না। বিকাশের একটা পর্যায়ে পৃথিবীতেও প্রচুর পানি ছিল। পরে সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ার ফলে যখন বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, তখনই ম্যাঙ্গানিজের স্তর তৈরি হতে শুরু করে। এই কারণেই মনে করা হচ্ছে মঙ্গলে ম্যাঙ্গানিজ তৈরি হয়েছিল অনেক বেশি অক্সিজেন থাকার কারণেই। তবে প্রাগৈতিহাসিক যুগে কখনও বরফপাতের ফলেই মঙ্গলে বরফের খনি তৈরি হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। যে অংশে বরফ জমা রয়েছে তা বিজ্ঞানীদের নাগালের মধ্যেই বলে জানা যায়। সেখানে স্পেশক্রাফট নামাও বেশ সুবিধাজনক। বিজ্ঞানীদের অনুমান, এক সময়ে মঙ্গলে প্রচুর পানিও ছিল।