মঙ্গলবার | ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo এনবিআরের ওয়েবসাইটে এইচএস কোডভিত্তিক আমদানি তথ্য প্রকাশ Logo গাজীপুর-৪ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে তৌফিক সুলতান স্যারের ‘জ্ঞানের জগৎ’ বই Logo পবিত্র লাইলাতুল বরাত আনজুমান ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য Logo ইইউ’র সঙ্গে দ্রুত এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার Logo নোবিপ্রবিতে কোটি টাকার প্রকল্পে ছাত্রদল নেতাদের হস্তক্ষেপের অভিযোগ Logo পলাশবাড়ী উপজেলায় ৭১ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে অতিগুরুত্বপুর্ন ১১ টি ও সাধারণ ৬০ টি ভোট কেন্দ্র নির্দ্ধারন

চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অবহিতকরণ সেমিনারে ডিসি জহিরুল ইসলাম

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:৪৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭৬১ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ভোক্তা পর্যায়ে আমাদের সচেতন হতে হবে। আমরা যখন কোনো মালামাল কিনি সেটার মেয়াদ আছে কি না, সেটা খেয়াল না করেই কিনে থাকি। আমরা আমাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে যদি নিজের জিনিসটা নিজে দেখে কিনি, তাহলে আমাকে কেউ ঠকাতে পারবে না। আইনটার নামই ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ। ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ করার জন্যই সরকার আইন করেছে। তাই আমি আমারটা দোকানদারের কাছ থেকে ষোল আনা বুঝে নেব।’

তিনি আরও বলেন, শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিক্রেতাকে জরিমানা করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে না। আমরা যারা ক্রেতা, বিক্রেতা আছি, আমরা সম্মিলিতভাবে না এগিয়ে আসলে সবকিছু ঠিক করা সম্ভব না। আমরা সবাই ভোক্তা। আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকারি নির্ধারিত মূল্যের বাইরে কোনো পণ্য বেশি দামে বিক্রি করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা ও জরিমানা করা হবে। একইসাথে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য যৌক্তিক ও সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। আপনারা প্রতিটা পণ্যের মূল্যতালিকা দৃশ্যমান রেখে ব্যবসা পরিচালনা করবেন। ভোক্তাকে ওজনে কম দেয়া থেকে বিরত থাকবেন। মানসম্মত পণ্য বিক্রি করবেন, যাতে টাকা দিয়ে পণ্য কিনে ক্রেতা প্রতারিত না হয়। নিয়মিত বাজার মনিটরিং আরও বাড়ানোর জন্য জেলা মার্কেটিং অফিসারকে কাজ করতে হবে।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজানুর রহমান।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নেজারাত ডেপুটি কালেক্টর সাইফুল ইসলাম সাইফের সঞ্চালনায় সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শারমিন আক্তার, চুয়াডাঙ্গা ক্যাবের সভাপতি অ্যাড. মানিক আকবর, সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক নাসির আহাদ জোয়ার্দ্দার, সাংবাদিক রিফাত রহমান, সাংবাদিক মেহেরাব্বিন সানভি প্রমুখ। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সামিউল আজম সেমিনারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্য ও অপরাধ এবং দন্ডের বিধান সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আশিস মোমতাজ, দৈনিক পশ্চিমাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক আজাদ মালিতা, দৈনিক পশ্চিমাঞ্চল পত্রিকার চিফ রিপোর্টার আহসান আলম, চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের স্যানেটারি ইন্সপেক্টর গোলাম ফারুক, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার স্যানেটারি ইন্সপেক্টর নার্গিস জাহান, জেলা মার্কেটিং অফিসার সহিদুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং চুয়াডাঙ্গার কাঁচামাল ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অবহিতকরণ সেমিনারে ডিসি জহিরুল ইসলাম

আপডেট সময় : ১১:৪৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪

চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ভোক্তা পর্যায়ে আমাদের সচেতন হতে হবে। আমরা যখন কোনো মালামাল কিনি সেটার মেয়াদ আছে কি না, সেটা খেয়াল না করেই কিনে থাকি। আমরা আমাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে যদি নিজের জিনিসটা নিজে দেখে কিনি, তাহলে আমাকে কেউ ঠকাতে পারবে না। আইনটার নামই ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ। ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ করার জন্যই সরকার আইন করেছে। তাই আমি আমারটা দোকানদারের কাছ থেকে ষোল আনা বুঝে নেব।’

তিনি আরও বলেন, শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিক্রেতাকে জরিমানা করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে না। আমরা যারা ক্রেতা, বিক্রেতা আছি, আমরা সম্মিলিতভাবে না এগিয়ে আসলে সবকিছু ঠিক করা সম্ভব না। আমরা সবাই ভোক্তা। আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকারি নির্ধারিত মূল্যের বাইরে কোনো পণ্য বেশি দামে বিক্রি করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা ও জরিমানা করা হবে। একইসাথে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য যৌক্তিক ও সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। আপনারা প্রতিটা পণ্যের মূল্যতালিকা দৃশ্যমান রেখে ব্যবসা পরিচালনা করবেন। ভোক্তাকে ওজনে কম দেয়া থেকে বিরত থাকবেন। মানসম্মত পণ্য বিক্রি করবেন, যাতে টাকা দিয়ে পণ্য কিনে ক্রেতা প্রতারিত না হয়। নিয়মিত বাজার মনিটরিং আরও বাড়ানোর জন্য জেলা মার্কেটিং অফিসারকে কাজ করতে হবে।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজানুর রহমান।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নেজারাত ডেপুটি কালেক্টর সাইফুল ইসলাম সাইফের সঞ্চালনায় সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শারমিন আক্তার, চুয়াডাঙ্গা ক্যাবের সভাপতি অ্যাড. মানিক আকবর, সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক নাসির আহাদ জোয়ার্দ্দার, সাংবাদিক রিফাত রহমান, সাংবাদিক মেহেরাব্বিন সানভি প্রমুখ। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সামিউল আজম সেমিনারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্য ও অপরাধ এবং দন্ডের বিধান সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আশিস মোমতাজ, দৈনিক পশ্চিমাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক আজাদ মালিতা, দৈনিক পশ্চিমাঞ্চল পত্রিকার চিফ রিপোর্টার আহসান আলম, চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের স্যানেটারি ইন্সপেক্টর গোলাম ফারুক, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার স্যানেটারি ইন্সপেক্টর নার্গিস জাহান, জেলা মার্কেটিং অফিসার সহিদুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং চুয়াডাঙ্গার কাঁচামাল ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা।