মঙ্গলবার | ১০ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ Logo কয়রা সদর ইউনিয়নে এলএলএপি অভিযোজন প্রক্রিয়ার ত্রৈমাসিক ফলোআপ সভা অনুষ্ঠিত Logo ‘একুশ শতকে তারুণ্য’ গ্রন্থে স্থান পেলো খুবি শিক্ষার্থীদের প্রবন্ধ Logo পলাশবাড়ীতে কাশিয়াবাড়ী বাজারে ৬ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে ভুষিভূত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি  Logo চাঁদপুরে জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo পবিত্র  ঈদ উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে ৩৫ হাজার ৯ শ ৮৪ দুস্থ অসহায় পরিবার পাচ্ছে ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল Logo চাঁদপুর জেলা তৈল মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা Logo বিভিন্ন বিতর্কের পর সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দিলেন ডা. ফয়সাল আহমেদ Logo কক্সবাজারে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৩ সংসদ সদস্য

টি-২০ ফরম্যাটে দরকার ‘নতুন বাংলাদেশ

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:১৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৩ নভেম্বর ২০২১
  • ৭৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: প্রথম পর্বে স্কটল্যান্ডের কাছে হার থমকে দিয়েছিল গোটা জাতিকে। পরে ওমান আর পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত হওয়ায় সে স্থবিরতা কেটে জেগেছিল নতুন আশা। মনে হচ্ছিল এবার হয়তো কিছু একটা হবে। সেই ২০০৭ সালের পর থেকে ‘সোনার হরিণ’ হয়ে পড়া জয়ের দেখা হয়তো এবার মিলবে।

কিন্তু হায়! তা আর মিললো কই? শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৭১ রানের লড়ার মত পুঁজি গড়ে সম্ভাবনা তৈরি করেও না পারার আগুনে পোড়া। ইংল্যান্ডের সামনে একদমই দাঁড়াতে না পারা। তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৪৩ রানে বেঁধে ফেলেও জিততে না পারা। ৩ রানের পরাজয় হয়েছে সঙ্গী।

২ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৮৪ রানে অলআউট হয়ে ৬ উইকেটে হার মানা। মানে সেই আগের মতোই। জয়ের দেখা মেলেনি এখনো। মূল পর্বে জয়  এখনো ‘সোনার হরিণ’ হয়েই আছে।

দল খারাপ খেলছে। একেবারে যাকে বলে শ্রী-হীন, হতচ্ছিরি অবস্থা। ব্যক্তিগত পারফরমেন্সেও নেই কোন দ্যুতি। পারফরমেন্সের গ্রাফ নামতে নামতে তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ ভক্ত-সমর্থকদের মন খারাপ।

সবারই খুব খারাপ লাগছে এবং দীর্ঘ ১৪ বছরের সেই না পাওয়ার কষ্ট, বেদনা, যন্ত্রনা রীতিমত ক্ষোভে পরিণত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। হতাশা, দুঃখ, কষ্ট ও যন্ত্রনা থেকেই হচ্ছে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। যার যা খুশি বলছি, লিখছি কিংবা এর ওর ওয়ালে গিয়ে কমেন্ট দিচ্ছি।

যাতে ক্ষোভের প্রকাশটাই বেশি। কখনো কখনো তা শালীনতা ও ভব্যতা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।  ক্রিকেট দেশ ও জাতির ভালবাসার প্রতীক। জাতির  আশা আকাঙ্খার আশ্রয়স্থল এবং বাংলাদেশের ঐক্য ও সম্প্রীতিরও প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ক্রিকেটাররা হলেন দেশের ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর।’ তাদের পারফরমেন্সের সমালোচনা করতে গিয়ে সামাজিক মান মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে কি না? তা দেখার দায়িত্ব-কর্তব্য আমাদের সবার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ

টি-২০ ফরম্যাটে দরকার ‘নতুন বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:১৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৩ নভেম্বর ২০২১

নিউজ ডেস্ক: প্রথম পর্বে স্কটল্যান্ডের কাছে হার থমকে দিয়েছিল গোটা জাতিকে। পরে ওমান আর পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত হওয়ায় সে স্থবিরতা কেটে জেগেছিল নতুন আশা। মনে হচ্ছিল এবার হয়তো কিছু একটা হবে। সেই ২০০৭ সালের পর থেকে ‘সোনার হরিণ’ হয়ে পড়া জয়ের দেখা হয়তো এবার মিলবে।

কিন্তু হায়! তা আর মিললো কই? শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৭১ রানের লড়ার মত পুঁজি গড়ে সম্ভাবনা তৈরি করেও না পারার আগুনে পোড়া। ইংল্যান্ডের সামনে একদমই দাঁড়াতে না পারা। তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৪৩ রানে বেঁধে ফেলেও জিততে না পারা। ৩ রানের পরাজয় হয়েছে সঙ্গী।

২ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৮৪ রানে অলআউট হয়ে ৬ উইকেটে হার মানা। মানে সেই আগের মতোই। জয়ের দেখা মেলেনি এখনো। মূল পর্বে জয়  এখনো ‘সোনার হরিণ’ হয়েই আছে।

দল খারাপ খেলছে। একেবারে যাকে বলে শ্রী-হীন, হতচ্ছিরি অবস্থা। ব্যক্তিগত পারফরমেন্সেও নেই কোন দ্যুতি। পারফরমেন্সের গ্রাফ নামতে নামতে তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ ভক্ত-সমর্থকদের মন খারাপ।

সবারই খুব খারাপ লাগছে এবং দীর্ঘ ১৪ বছরের সেই না পাওয়ার কষ্ট, বেদনা, যন্ত্রনা রীতিমত ক্ষোভে পরিণত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। হতাশা, দুঃখ, কষ্ট ও যন্ত্রনা থেকেই হচ্ছে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। যার যা খুশি বলছি, লিখছি কিংবা এর ওর ওয়ালে গিয়ে কমেন্ট দিচ্ছি।

যাতে ক্ষোভের প্রকাশটাই বেশি। কখনো কখনো তা শালীনতা ও ভব্যতা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।  ক্রিকেট দেশ ও জাতির ভালবাসার প্রতীক। জাতির  আশা আকাঙ্খার আশ্রয়স্থল এবং বাংলাদেশের ঐক্য ও সম্প্রীতিরও প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ক্রিকেটাররা হলেন দেশের ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর।’ তাদের পারফরমেন্সের সমালোচনা করতে গিয়ে সামাজিক মান মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে কি না? তা দেখার দায়িত্ব-কর্তব্য আমাদের সবার।