মঙ্গলবার | ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo শেরপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের উদ্যোগে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo খালাসের সময় ১৪ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় তেল ঘাটতির অভিযোগে দুদকের অভিযান Logo হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য হতে হবে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শীর্ষে পৌঁছানো-জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর Logo সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির উদ্যোগে ৫নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত Logo সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ  Logo লেডি দেহলভী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ক্রীড়া চর্চা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে-অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা। Logo আইনের ফাঁদে দুই প্রতিষ্ঠান: চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকার ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান, অর্ধ লক্ষাধিক টাকার মাদক ও চোরাচালানি মালামাল জব্দ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মৌখিক পরীক্ষা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় Logo গণভোট হ্যাঁ-কে জয়ী করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক প্রচারণা

হরিণাকুন্ডুতে বিপাকে এক পরিবার: সবাই প্রতিবন্ধি মাথা গোঁজার ঠাই নেই

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:৩২ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০
  • ৭৮৫ বার পড়া হয়েছে

তারেক জাহিদ, ঝিনাইদহ::
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুু উপজেলার ৪নং দৌলতপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের একই পরিবারে ৪ জন প্রতিবিন্ধ রয়েছে। সবার প্রতিবন্ধি ভাতার কার্ড থাকলেও রাতে মাথাগোঁজার ঠাই নেই। ভাঙ্গাচোরা বাড়িতে তাদের বসবাস। তথ্য নিয়ে জানা গেছে শাহাদত মন্ডলের ছেলে শহিদুল ইসলাম, খালা হাসিরন নেছা ও ছোটখালা কুলসুম সবাই প্রতিবন্ধি। এদের মধ্যে একজন শারীরিক ও তিনজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধি। শাহাদত মন্ডল জানান, আমি একজন অসহায় গরিব মানুষ। ঠিকমত চলতে পারি না। পায়ে সমস্যা। নিরুপাই হয়ে খোড়া পা নিয়ে ভ্যানগাড়ী চালিয়ে সংসার চালাতাম। বয়সের ভারে তাও পারি না। এখন ঝুড়ি বুনিয়ে সংসার চালাতে হয়। ঝুড়ি বিক্রি না হলে অনাহারে দিন কাটে। তিনি বলেন আমার দৈনিক আয় দুই শত টাকা। বর্তমান বাজারে এই টাকা দিয়ে কিছুই হয় না। ফলে খুব কষ্ট আমার দিন কাটে। তিনি বলেন আমার কোন ঘরবাড়ী নেই। শুনেছি প্রধানমন্ত্রী অসহায় মানুষের বাড়ী তৈরী করে দিচ্ছেন। যদি তিনি একটি আমার ঘর করে দিতেন তবে এই প্রতিবন্ধীদের নিয়ে বাকী জীবনটা পার করতাম। শাহাদত মন্ডল জানান, আমার পরিবারে আমিসহ চারজন প্রতিবন্ধী। এর মধ্যে শহিদুল, হাষিরণ ও কুলসুম সরকার থেকে ভাতা পায়। তাদের টাকা দিয়ে সংসার চলে। পরিবারটির ভাষ্য, অনেক সচ্ছল পরিবারকে সরকারী ঘর করে দেওয়া হচ্ছে। অথচ আমাদের ঘর হয় না। আমরা টাকা দিতে পারি না বলে আমাদের কেও ঘর করে দেয় না বলে প্রতিবন্ধি পরিবারটি মনে করেন। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা সৈয়দা নাফিস সুলতানা জানান, ঘটনাটি আসলেই মর্মান্তিক। একই পরিবারে চারজন প্রতিবন্ধি এটা আমার জানা ছিল না। তিনি বলেন এই পরবিারের কথা কেও আমাকে বলেনি। তিনি খোঁজ নিয়ে ব্যাবস্থা নিবেন বলে জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের উদ্যোগে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

হরিণাকুন্ডুতে বিপাকে এক পরিবার: সবাই প্রতিবন্ধি মাথা গোঁজার ঠাই নেই

আপডেট সময় : ০৬:১১:৩২ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০

তারেক জাহিদ, ঝিনাইদহ::
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুু উপজেলার ৪নং দৌলতপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের একই পরিবারে ৪ জন প্রতিবিন্ধ রয়েছে। সবার প্রতিবন্ধি ভাতার কার্ড থাকলেও রাতে মাথাগোঁজার ঠাই নেই। ভাঙ্গাচোরা বাড়িতে তাদের বসবাস। তথ্য নিয়ে জানা গেছে শাহাদত মন্ডলের ছেলে শহিদুল ইসলাম, খালা হাসিরন নেছা ও ছোটখালা কুলসুম সবাই প্রতিবন্ধি। এদের মধ্যে একজন শারীরিক ও তিনজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধি। শাহাদত মন্ডল জানান, আমি একজন অসহায় গরিব মানুষ। ঠিকমত চলতে পারি না। পায়ে সমস্যা। নিরুপাই হয়ে খোড়া পা নিয়ে ভ্যানগাড়ী চালিয়ে সংসার চালাতাম। বয়সের ভারে তাও পারি না। এখন ঝুড়ি বুনিয়ে সংসার চালাতে হয়। ঝুড়ি বিক্রি না হলে অনাহারে দিন কাটে। তিনি বলেন আমার দৈনিক আয় দুই শত টাকা। বর্তমান বাজারে এই টাকা দিয়ে কিছুই হয় না। ফলে খুব কষ্ট আমার দিন কাটে। তিনি বলেন আমার কোন ঘরবাড়ী নেই। শুনেছি প্রধানমন্ত্রী অসহায় মানুষের বাড়ী তৈরী করে দিচ্ছেন। যদি তিনি একটি আমার ঘর করে দিতেন তবে এই প্রতিবন্ধীদের নিয়ে বাকী জীবনটা পার করতাম। শাহাদত মন্ডল জানান, আমার পরিবারে আমিসহ চারজন প্রতিবন্ধী। এর মধ্যে শহিদুল, হাষিরণ ও কুলসুম সরকার থেকে ভাতা পায়। তাদের টাকা দিয়ে সংসার চলে। পরিবারটির ভাষ্য, অনেক সচ্ছল পরিবারকে সরকারী ঘর করে দেওয়া হচ্ছে। অথচ আমাদের ঘর হয় না। আমরা টাকা দিতে পারি না বলে আমাদের কেও ঘর করে দেয় না বলে প্রতিবন্ধি পরিবারটি মনে করেন। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা সৈয়দা নাফিস সুলতানা জানান, ঘটনাটি আসলেই মর্মান্তিক। একই পরিবারে চারজন প্রতিবন্ধি এটা আমার জানা ছিল না। তিনি বলেন এই পরবিারের কথা কেও আমাকে বলেনি। তিনি খোঁজ নিয়ে ব্যাবস্থা নিবেন বলে জানান।