মঙ্গলবার | ১০ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ Logo কয়রা সদর ইউনিয়নে এলএলএপি অভিযোজন প্রক্রিয়ার ত্রৈমাসিক ফলোআপ সভা অনুষ্ঠিত Logo ‘একুশ শতকে তারুণ্য’ গ্রন্থে স্থান পেলো খুবি শিক্ষার্থীদের প্রবন্ধ Logo পলাশবাড়ীতে কাশিয়াবাড়ী বাজারে ৬ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে ভুষিভূত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি  Logo চাঁদপুরে জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo পবিত্র  ঈদ উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে ৩৫ হাজার ৯ শ ৮৪ দুস্থ অসহায় পরিবার পাচ্ছে ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল Logo চাঁদপুর জেলা তৈল মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা Logo বিভিন্ন বিতর্কের পর সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দিলেন ডা. ফয়সাল আহমেদ Logo কক্সবাজারে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৩ সংসদ সদস্য

অবসরের যাচ্ছেন অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ

  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:২৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২০
  • ৭৭৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

মহামারি করোনার কারণে ক্রিকেট বন্ধ থাকার অনেক ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে। অনেককে আবার অবসরের সিদ্ধান্ত নিতেও বাধ্য করেছে। অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ এমন একজন। অবসরের জন্য ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচকে টার্গেট করেছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার বলেছিলেন করোনা তাকে অবসর নিয়ে ভাবতে বাধ্য করছে। খুব বেশি আর ক্রিকেট মাঠে না থাকার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন তিনি।  উদ্বোধনী জুটিতে ওয়ার্নারের সঙ্গী ফিঞ্চ তো অবসরের নির্দিষ্ট দিনক্ষণই জানিয়ে দিলেন।

ক্রিকেটারদের কাছে বিশ্বকাপ জয়ই সবচেয়ে বড় সাফল্য। ফিঞ্চও সেটাকেই অবসরের লক্ষ্য হিসাবে দাঁড় করিয়েছেন।

ফিঞ্চের বয়স এখন ৩৩, পরবর্তী বিশ্বকাপের সময় ফিঞ্চের বয়স হবে ৩৬। নিজের লক্ষ্য ঠিক করে ফেললেও ফিঞ্চ জানেন, তার আগে নিজেকে রাখতে হবে ফিট, ধরে রাখতে হবে দলে জায়গাও। দুইয়ে, দুইয়ে চার মিলে গেলেই বিশ্বকাপের ফাইনালই হবে ফিঞ্চের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

এ প্রসঙ্গে ফিঞ্চ বলেন, ভারতে ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে আমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ দিন। এটাই আমার লক্ষ্য এবং আমি আমার সিদ্ধান্তে অনড়। বিশ্বকাপের সময় আমার বয়স ৩৬ বছর হয়ে যাবে। এর মাঝে অবশ্য আমার ফর্ম, চোটের বিষয়ও থাকছে। এই বিরতি অনেক মানুষের জন্য ছিল ভীষণ কঠিন; তবে অ্যাথলেটদের জন্য, বিশেষ করে যারা বিরতিহীন ভ্রমণ করে এবং বছরে ১০-১১ মাস খেলে তাদের জন্য এটা ছিল মানসিকভাবে সতেজ হওয়ার সুযোগ।

মাইকেল ক্লার্কের নেতৃত্বে ২০১৫ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক ছিলেন সেই দলের সদস্য। এর চার বছর পর গেল বিশ্বকাপে ফিঞ্চের নেতৃত্বে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছতে পেরেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

করোনাভাইরাসের কারণে মাঠের ক্রিকেট বন্ধ হওয়ার পর এখনও মাঠে নামা হয়নি অজিদের। তবে আগামী মাসে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ড যাবে অ্যারন ফিঞ্চের দল।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ

অবসরের যাচ্ছেন অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:২৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২০

নিউজ ডেস্ক:

মহামারি করোনার কারণে ক্রিকেট বন্ধ থাকার অনেক ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে। অনেককে আবার অবসরের সিদ্ধান্ত নিতেও বাধ্য করেছে। অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ এমন একজন। অবসরের জন্য ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচকে টার্গেট করেছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার বলেছিলেন করোনা তাকে অবসর নিয়ে ভাবতে বাধ্য করছে। খুব বেশি আর ক্রিকেট মাঠে না থাকার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন তিনি।  উদ্বোধনী জুটিতে ওয়ার্নারের সঙ্গী ফিঞ্চ তো অবসরের নির্দিষ্ট দিনক্ষণই জানিয়ে দিলেন।

ক্রিকেটারদের কাছে বিশ্বকাপ জয়ই সবচেয়ে বড় সাফল্য। ফিঞ্চও সেটাকেই অবসরের লক্ষ্য হিসাবে দাঁড় করিয়েছেন।

ফিঞ্চের বয়স এখন ৩৩, পরবর্তী বিশ্বকাপের সময় ফিঞ্চের বয়স হবে ৩৬। নিজের লক্ষ্য ঠিক করে ফেললেও ফিঞ্চ জানেন, তার আগে নিজেকে রাখতে হবে ফিট, ধরে রাখতে হবে দলে জায়গাও। দুইয়ে, দুইয়ে চার মিলে গেলেই বিশ্বকাপের ফাইনালই হবে ফিঞ্চের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

এ প্রসঙ্গে ফিঞ্চ বলেন, ভারতে ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে আমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ দিন। এটাই আমার লক্ষ্য এবং আমি আমার সিদ্ধান্তে অনড়। বিশ্বকাপের সময় আমার বয়স ৩৬ বছর হয়ে যাবে। এর মাঝে অবশ্য আমার ফর্ম, চোটের বিষয়ও থাকছে। এই বিরতি অনেক মানুষের জন্য ছিল ভীষণ কঠিন; তবে অ্যাথলেটদের জন্য, বিশেষ করে যারা বিরতিহীন ভ্রমণ করে এবং বছরে ১০-১১ মাস খেলে তাদের জন্য এটা ছিল মানসিকভাবে সতেজ হওয়ার সুযোগ।

মাইকেল ক্লার্কের নেতৃত্বে ২০১৫ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক ছিলেন সেই দলের সদস্য। এর চার বছর পর গেল বিশ্বকাপে ফিঞ্চের নেতৃত্বে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছতে পেরেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

করোনাভাইরাসের কারণে মাঠের ক্রিকেট বন্ধ হওয়ার পর এখনও মাঠে নামা হয়নি অজিদের। তবে আগামী মাসে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ড যাবে অ্যারন ফিঞ্চের দল।