বুধবার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী Logo স্টুডেন্ট স্কয়ার: শিক্ষার্থী থেকেই টেকসই পরিবর্তনের সূচনা Logo কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo এনবিআরের ওয়েবসাইটে এইচএস কোডভিত্তিক আমদানি তথ্য প্রকাশ Logo গাজীপুর-৪ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে তৌফিক সুলতান স্যারের ‘জ্ঞানের জগৎ’ বই Logo পবিত্র লাইলাতুল বরাত আনজুমান ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য

সোলিং রাস্তার নির্মাণ কাজে নিম্ন মানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৪:০০:১৭ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০
  • ৭৭৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
চুয়াডাঙ্গা সদরের কুতুবপুর পশ্চিমপাড়ার মাদ্রাসার আমগাছের পাশ থেকে গ্রামের ভেতর পর্যন্ত আধা কিলোমিটার ইটের সোলিংয়ের কাজে নিম্ন মানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে গ্রামবাসী বাঁধা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
গ্রামবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইটের সোলিংয়ের রাস্তা নির্মাণে নিম্ন মানের ইট, ভাঙা, আধলা এবং নিম্ন মানের বালি দিয়ে কাজ করছেন ঠিকাদার মো. সোনাহার মিয়া। ওই গ্রামের যানা চৌধুরীর ছেলে বখতিয়ার চৌধুরী, মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে শাহাবুল হক, ছানোয়ার হোসেন ও টুকুল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, গ্রামের সোলিং রাস্তা নির্মাণে ১ নম্বর ইটের পরিবর্তে নিম্ন মানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া যে বালি ব্যবহার করা হচ্ছে তাও খুবই নিম্ন মানের। তাই গ্রামবাসী রাস্তা নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার সোনাহার মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে সাব-কনট্রাক্টর হিমেল হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানিয়েছেন, যদি গ্রামবাসী কোনো অভিযোগ করেন। সেক্ষেত্রে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বার এসে কাজ দেখেন। কাজ খারাপ হলে তাঁদের সিদ্ধান্তের ওপরে ভিত্তি করে কাজ বন্ধ থাকবে। এদিকে, কুতুবপুর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মোখলেচুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে গেলে তিনিও ফোনটি রিসিভ করেননি।
এ প্রসঙ্গে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহম্মেদ হাসানুজ্জামান মানিক জানান, ‘প্রায় ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তাটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ওই রাস্তার ঠিকাদার সোনাহার মিয়া রাস্তার কাজ খারাপ করছে আমি শুনেছি। এক নম্বর ইটের পরিবর্তে দুই নম্বর ইট দিয়েছে। যে স্থানে মাটি ও বালু দেওয়ার কথা, সেখানে সে নরমাল বালু দিয়েছে। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু তারপরও সে কাজ ভালো করছে না।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

সোলিং রাস্তার নির্মাণ কাজে নিম্ন মানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:০০:১৭ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

নিউজ ডেস্ক:
চুয়াডাঙ্গা সদরের কুতুবপুর পশ্চিমপাড়ার মাদ্রাসার আমগাছের পাশ থেকে গ্রামের ভেতর পর্যন্ত আধা কিলোমিটার ইটের সোলিংয়ের কাজে নিম্ন মানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে গ্রামবাসী বাঁধা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
গ্রামবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইটের সোলিংয়ের রাস্তা নির্মাণে নিম্ন মানের ইট, ভাঙা, আধলা এবং নিম্ন মানের বালি দিয়ে কাজ করছেন ঠিকাদার মো. সোনাহার মিয়া। ওই গ্রামের যানা চৌধুরীর ছেলে বখতিয়ার চৌধুরী, মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে শাহাবুল হক, ছানোয়ার হোসেন ও টুকুল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, গ্রামের সোলিং রাস্তা নির্মাণে ১ নম্বর ইটের পরিবর্তে নিম্ন মানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া যে বালি ব্যবহার করা হচ্ছে তাও খুবই নিম্ন মানের। তাই গ্রামবাসী রাস্তা নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার সোনাহার মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে সাব-কনট্রাক্টর হিমেল হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানিয়েছেন, যদি গ্রামবাসী কোনো অভিযোগ করেন। সেক্ষেত্রে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বার এসে কাজ দেখেন। কাজ খারাপ হলে তাঁদের সিদ্ধান্তের ওপরে ভিত্তি করে কাজ বন্ধ থাকবে। এদিকে, কুতুবপুর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মোখলেচুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে গেলে তিনিও ফোনটি রিসিভ করেননি।
এ প্রসঙ্গে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহম্মেদ হাসানুজ্জামান মানিক জানান, ‘প্রায় ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তাটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ওই রাস্তার ঠিকাদার সোনাহার মিয়া রাস্তার কাজ খারাপ করছে আমি শুনেছি। এক নম্বর ইটের পরিবর্তে দুই নম্বর ইট দিয়েছে। যে স্থানে মাটি ও বালু দেওয়ার কথা, সেখানে সে নরমাল বালু দিয়েছে। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু তারপরও সে কাজ ভালো করছে না।’