মঙ্গলবার | ১০ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ Logo কয়রা সদর ইউনিয়নে এলএলএপি অভিযোজন প্রক্রিয়ার ত্রৈমাসিক ফলোআপ সভা অনুষ্ঠিত Logo ‘একুশ শতকে তারুণ্য’ গ্রন্থে স্থান পেলো খুবি শিক্ষার্থীদের প্রবন্ধ Logo পলাশবাড়ীতে কাশিয়াবাড়ী বাজারে ৬ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে ভুষিভূত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি  Logo চাঁদপুরে জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo পবিত্র  ঈদ উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে ৩৫ হাজার ৯ শ ৮৪ দুস্থ অসহায় পরিবার পাচ্ছে ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল Logo চাঁদপুর জেলা তৈল মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা Logo বিভিন্ন বিতর্কের পর সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দিলেন ডা. ফয়সাল আহমেদ Logo কক্সবাজারে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৩ সংসদ সদস্য

রোনালদোকে প্রায় কাঁদিয়ে ছেড়েছিলেন মরিনহো

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৫৩ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০
  • ৭৭১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়েন, হাল ছাড়েন না। সতীর্থদের অনুপ্রেরণাও দিতে জানেন। ম্যাচের কঠিন পরিস্থিতিতেও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ব্যাক্তিত্ব ও মানসিকতা দেখে ইস্পাতের মতো দৃঢ় বলেই মনে হয়। সেই রোনালদোকেও কাঁদিয়ে ছেড়েছিলেন হোসে মরিনহো। এমনই ঝাঁজ এই পর্তুগিজ কোচের!

অবিশ্বাস্য ঠেকতে পারে। হাজার হলেও শুধু রিয়াল মাদ্রিদেই দেখা হয়েছিল এ দুজনের। আর রিয়ালে আসার আগেই রোনালদো মহাতারকা। একবার ব্যালন ডি’অর জেতা হয়ে গেছে। দলবদলের সে সময়ের বিশ্ব রেকর্ড গড়েই তাঁকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে এনেছেন রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। দলের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ের মতের বাইরে কিছু করারা আগে দুবার ভাবেন ক্লাব সভাপতি। সেই রোনালদোকে কাঁদাতে পারেন কোচ?

এমন কথাই জানা গেল লুকা মদরিচের সুবাদে। ক্রোয়েশিয়ান এই ব্যালন ডি’অর জয়ী আত্মজীবনী বের করছেন। ‘ইন মাই ওয়ে’ নামের সেই আত্মজীবনী এখনো সবার কাছে পৌছায়নি। তবে ইতালির করিয়েরে দেল্লো স্পোর্তের সুবাদে এই বইয়ের কিছু অংশ মানুষের কাছে পৌছে গেছে। সেখানেই জানা গেল রোনালদো ও মরিনহোর মধ্যকার এই ঘটনার কথা।

২০১৩ সালে রিয়ালে নিজের শেষ মৌসুম কাটিয়েছেন মরিনহো। মদরিচের তখন রিয়ালে দ্বিতীয় বছর চলছে। আগের মৌসুমে বার্সার আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে রিয়ালকে লিগ জেতালেও ক্লাবে নিজের তৃতীয় সে মৌসুমে বেশ কজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে খিটিমিটি লেগে যায় মরিনহোর। সে মৌসুমেরই কোপা দেল রে-র এক ম্যাচের ঘটনা উল্লেখ করেছেন মদরিচ, ‘আমি হোসের (মরিনহো) আচরণ দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। কোপা দেল রে-তে আমরা ২-০তে জিতছিলাম, এই সময় একটা থ্রো ইনে প্রতিপক্ষকে তাড়া করেনি রোনালদো। হোসে ওর ওপর ক্ষেপে ওঠে। মাঠে বেশ বড় একটা সময় দুজনে তর্ক করেছে। বিরতিতে যখন লকার রুমে এলাম সবাই, তখন দেখি রোনালদোর চোখে প্রায় পানি এসে পড়েছে।’

ঘটনার সেখানেই শেষ নয়। কোচের আচরণে রোনালদোর মতো খেলোয়াড়ও ভেঙে পড়েছিলেন। মদরিচ বইয়ে লিখেছেন, ‘রোনালদো বলল, “আমি সেরাটা দিই তবু তিনি আমার সমালোচনা করেই চলেছেন।” মরিনহো এসেই আবার ওর (রোনালদো) সমালোচনা শুরু করল। এবং মাঠে ওর দায়িত্ব পালন না করা নিয়ে দোষারোপ করতে লাগলেন। এমন অবস্থা হয়েছিল যে অন্যরা এসে না থামালে মারামারি বেধে যেত দুজনের।’

রিয়ালে তিন বছরে বেশ সফল সময়ই কাটিয়েছেন মরিনহো। কিন্তু শেষ মৌসুমে কিছু জেতা হয়নি তাঁর। আর দলের খেলোয়ারদের সঙ্গে সম্পর্কের এতটাই অবনতি হয়েছিল যে পেরেজের অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও রিয়াল ছেড়ে চেলসিতে গিয়েছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ

রোনালদোকে প্রায় কাঁদিয়ে ছেড়েছিলেন মরিনহো

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৫৩ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০

নিউজ ডেস্ক:

ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়েন, হাল ছাড়েন না। সতীর্থদের অনুপ্রেরণাও দিতে জানেন। ম্যাচের কঠিন পরিস্থিতিতেও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ব্যাক্তিত্ব ও মানসিকতা দেখে ইস্পাতের মতো দৃঢ় বলেই মনে হয়। সেই রোনালদোকেও কাঁদিয়ে ছেড়েছিলেন হোসে মরিনহো। এমনই ঝাঁজ এই পর্তুগিজ কোচের!

অবিশ্বাস্য ঠেকতে পারে। হাজার হলেও শুধু রিয়াল মাদ্রিদেই দেখা হয়েছিল এ দুজনের। আর রিয়ালে আসার আগেই রোনালদো মহাতারকা। একবার ব্যালন ডি’অর জেতা হয়ে গেছে। দলবদলের সে সময়ের বিশ্ব রেকর্ড গড়েই তাঁকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে এনেছেন রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। দলের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ের মতের বাইরে কিছু করারা আগে দুবার ভাবেন ক্লাব সভাপতি। সেই রোনালদোকে কাঁদাতে পারেন কোচ?

এমন কথাই জানা গেল লুকা মদরিচের সুবাদে। ক্রোয়েশিয়ান এই ব্যালন ডি’অর জয়ী আত্মজীবনী বের করছেন। ‘ইন মাই ওয়ে’ নামের সেই আত্মজীবনী এখনো সবার কাছে পৌছায়নি। তবে ইতালির করিয়েরে দেল্লো স্পোর্তের সুবাদে এই বইয়ের কিছু অংশ মানুষের কাছে পৌছে গেছে। সেখানেই জানা গেল রোনালদো ও মরিনহোর মধ্যকার এই ঘটনার কথা।

২০১৩ সালে রিয়ালে নিজের শেষ মৌসুম কাটিয়েছেন মরিনহো। মদরিচের তখন রিয়ালে দ্বিতীয় বছর চলছে। আগের মৌসুমে বার্সার আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে রিয়ালকে লিগ জেতালেও ক্লাবে নিজের তৃতীয় সে মৌসুমে বেশ কজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে খিটিমিটি লেগে যায় মরিনহোর। সে মৌসুমেরই কোপা দেল রে-র এক ম্যাচের ঘটনা উল্লেখ করেছেন মদরিচ, ‘আমি হোসের (মরিনহো) আচরণ দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। কোপা দেল রে-তে আমরা ২-০তে জিতছিলাম, এই সময় একটা থ্রো ইনে প্রতিপক্ষকে তাড়া করেনি রোনালদো। হোসে ওর ওপর ক্ষেপে ওঠে। মাঠে বেশ বড় একটা সময় দুজনে তর্ক করেছে। বিরতিতে যখন লকার রুমে এলাম সবাই, তখন দেখি রোনালদোর চোখে প্রায় পানি এসে পড়েছে।’

ঘটনার সেখানেই শেষ নয়। কোচের আচরণে রোনালদোর মতো খেলোয়াড়ও ভেঙে পড়েছিলেন। মদরিচ বইয়ে লিখেছেন, ‘রোনালদো বলল, “আমি সেরাটা দিই তবু তিনি আমার সমালোচনা করেই চলেছেন।” মরিনহো এসেই আবার ওর (রোনালদো) সমালোচনা শুরু করল। এবং মাঠে ওর দায়িত্ব পালন না করা নিয়ে দোষারোপ করতে লাগলেন। এমন অবস্থা হয়েছিল যে অন্যরা এসে না থামালে মারামারি বেধে যেত দুজনের।’

রিয়ালে তিন বছরে বেশ সফল সময়ই কাটিয়েছেন মরিনহো। কিন্তু শেষ মৌসুমে কিছু জেতা হয়নি তাঁর। আর দলের খেলোয়ারদের সঙ্গে সম্পর্কের এতটাই অবনতি হয়েছিল যে পেরেজের অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও রিয়াল ছেড়ে চেলসিতে গিয়েছিলেন।