রবিবার | ২২ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল Logo চাঁদপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢল Logo চাঁদপুরে জাকের পার্টির ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া Logo ঈদের সকালে মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ Logo চাঁদপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ Logo বড়স্টেশন প্রধানীয়া বাড়ির মানবিক উদ্যোগ: ৫ শতাধিক অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

ভিপি নুরুল হক নুরুসহ ডাকসু ভবনে অর্ধশত ছাত্র নেতৃবৃন্দের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

  • আপডেট সময় : ০১:১১:৪২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ৮০৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরুসহ ডাকসু ভবনে অর্ধশত ছাত্র নেতৃবৃন্দের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট স্টিয়ারিং কমিটির সভা থেকে জোটের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, বছরের শেষে একদলীয় শাসনের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করে ছাত্র সমাজের উপর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ছাত্রলীগের হামলার আমরা নিন্দা জানাই।

এর আগে, বেলা  ১২টার সময় জাতীয় কখন স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন জেএসডি সভাপতি আসম আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরাম নেতা অধ্যাপক আবু সাঈদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ, দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে ড. কামাল হোসেন বলেন, কততম মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামধারী ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরু, এবিএম সোহেল, হাসান আল মামুন, রাশেদ খান, ফারুকসহ প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। কেউ কেউ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তাদেরকে হত্যা করার জন্য পরিকল্পিতভাবে ডাকসু ভবনে আলো নিভিয়ে বর্বরোচিত নির্মম হামলা চালানো হয়। তুহিন ফারাবী লাইফ সাপোর্টে (সোমবার সকালে লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয়েছে) আছে। আমরা দেশবাসীকে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানাতে চাই তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ থেকে যে জঘন্য ও বর্বর হামলা করা হয়েছে তা লক্ষ শহীদের প্রতি চরম অবমাননা। তিনি বলেন, ভোট ডাকাত সরকার টিকে থাকার জন্য একের পর এক ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উপর এরূপ পৈশাচিক ঘটনা ঘটাচ্ছে। এই গণবিরোধী ফ্যাসিস্ট সরকারের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য ঐক্যফ্রন্ট মনে করে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে তাদেরকে প্রতিহত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য।

নুরুসহ ছাত্রদের উপর হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চান কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, সংবিধানেই বলা আছে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়ার কথা।

এ সময় জেএসডি সভাপতি আসম রব বলেন, প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের নতুন দায়িত্ব দেয়ার পর আবরারকে হত্যা করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের পর নতুন নেতৃত্ব আসার পর নুরুকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে। এটা আওয়ামী লীগের চরিত্র। দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে আসম আব্দুর রব বলেন, আমরা আজকে জরুরি বৈঠকে বসেছি। সকল নেতৃবৃন্দ আসতে পারেনি। পরবর্তীতে আমরা আবারও বৈঠক করে আপনাদের বিস্তারিত জানাবো।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল

ভিপি নুরুল হক নুরুসহ ডাকসু ভবনে অর্ধশত ছাত্র নেতৃবৃন্দের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

আপডেট সময় : ০১:১১:৪২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:

ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরুসহ ডাকসু ভবনে অর্ধশত ছাত্র নেতৃবৃন্দের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট স্টিয়ারিং কমিটির সভা থেকে জোটের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, বছরের শেষে একদলীয় শাসনের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করে ছাত্র সমাজের উপর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ছাত্রলীগের হামলার আমরা নিন্দা জানাই।

এর আগে, বেলা  ১২টার সময় জাতীয় কখন স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন জেএসডি সভাপতি আসম আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরাম নেতা অধ্যাপক আবু সাঈদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ, দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে ড. কামাল হোসেন বলেন, কততম মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামধারী ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরু, এবিএম সোহেল, হাসান আল মামুন, রাশেদ খান, ফারুকসহ প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। কেউ কেউ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তাদেরকে হত্যা করার জন্য পরিকল্পিতভাবে ডাকসু ভবনে আলো নিভিয়ে বর্বরোচিত নির্মম হামলা চালানো হয়। তুহিন ফারাবী লাইফ সাপোর্টে (সোমবার সকালে লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয়েছে) আছে। আমরা দেশবাসীকে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানাতে চাই তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ থেকে যে জঘন্য ও বর্বর হামলা করা হয়েছে তা লক্ষ শহীদের প্রতি চরম অবমাননা। তিনি বলেন, ভোট ডাকাত সরকার টিকে থাকার জন্য একের পর এক ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উপর এরূপ পৈশাচিক ঘটনা ঘটাচ্ছে। এই গণবিরোধী ফ্যাসিস্ট সরকারের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য ঐক্যফ্রন্ট মনে করে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে তাদেরকে প্রতিহত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য।

নুরুসহ ছাত্রদের উপর হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চান কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, সংবিধানেই বলা আছে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়ার কথা।

এ সময় জেএসডি সভাপতি আসম রব বলেন, প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের নতুন দায়িত্ব দেয়ার পর আবরারকে হত্যা করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের পর নতুন নেতৃত্ব আসার পর নুরুকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে। এটা আওয়ামী লীগের চরিত্র। দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে আসম আব্দুর রব বলেন, আমরা আজকে জরুরি বৈঠকে বসেছি। সকল নেতৃবৃন্দ আসতে পারেনি। পরবর্তীতে আমরা আবারও বৈঠক করে আপনাদের বিস্তারিত জানাবো।