গাংনীতে পুলিশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীদের গুলি বর্ষণ : এসআইসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১১ মে ২০১৯
  • ৭৪০ বার পড়া হয়েছে

বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষক কাজল নিহত : অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক:মেহেরপুরের গাংনীতে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ইয়াকুব আলী ওরফে কাজল (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। নিহত কাজল উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ধলা গ্রামের এক মেয়ের মুখে মুখে এসিড নিক্ষেপকারী ও আলোচিত গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার আসামী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় পুলিশের এসআই সহ ৪ সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়। নিহত ইয়াকুব আলী ওরফে কাজল গাড়াডোব গাছলা পাড়ার জালাল উদ্দীনের ছেলে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে গাংনীর গাড়াডোব-আমঝুপি সড়কের একটি বাঁশবাগানে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হরেন্দ্রনাথ সরকার (পিপিএম) জানান, আলোচিত গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার আসামী কাজল পলাতক অবস্থায় ধলা গ্রামের এক মেয়ের মুখে এসিড নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার বের হয়। পথিমধ্যে গাড়াডোব গ্রামের একটি বাঁশবাগানের কাছে পৌছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীদের একটি দল ধর্ষক কাজলকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলে। একপর্যায়ে বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষক কাজল গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনায় পুলিশের এসআইসহ ৪ সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়। পরে গুলিবিদ্ধ কাজলকে স্থানীয়দের সহযোগীতায় উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে।
গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম জানান, নিহত ধর্ষক কাজলের বিরুদ্ধে গাংনী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা রয়েছে। পুলিশের হাতে আটক থেকে রক্ষা পেতে সে ধলা গ্রামে আত্মগোপনে ছিল। সেখানে মাস খানেক ধরে একটি মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। মেয়েটি তার কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত বুধবার বিকালে মেয়েটির মুখে এসিড নিক্ষেপ করে সে। পরদিন স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আটকের পর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে গেলে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাংনীতে পুলিশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীদের গুলি বর্ষণ : এসআইসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত

আপডেট সময় : ১১:৩৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১১ মে ২০১৯

বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষক কাজল নিহত : অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক:মেহেরপুরের গাংনীতে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ইয়াকুব আলী ওরফে কাজল (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। নিহত কাজল উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ধলা গ্রামের এক মেয়ের মুখে মুখে এসিড নিক্ষেপকারী ও আলোচিত গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার আসামী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় পুলিশের এসআই সহ ৪ সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়। নিহত ইয়াকুব আলী ওরফে কাজল গাড়াডোব গাছলা পাড়ার জালাল উদ্দীনের ছেলে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে গাংনীর গাড়াডোব-আমঝুপি সড়কের একটি বাঁশবাগানে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হরেন্দ্রনাথ সরকার (পিপিএম) জানান, আলোচিত গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার আসামী কাজল পলাতক অবস্থায় ধলা গ্রামের এক মেয়ের মুখে এসিড নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার বের হয়। পথিমধ্যে গাড়াডোব গ্রামের একটি বাঁশবাগানের কাছে পৌছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীদের একটি দল ধর্ষক কাজলকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলে। একপর্যায়ে বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষক কাজল গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনায় পুলিশের এসআইসহ ৪ সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়। পরে গুলিবিদ্ধ কাজলকে স্থানীয়দের সহযোগীতায় উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে।
গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম জানান, নিহত ধর্ষক কাজলের বিরুদ্ধে গাংনী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা রয়েছে। পুলিশের হাতে আটক থেকে রক্ষা পেতে সে ধলা গ্রামে আত্মগোপনে ছিল। সেখানে মাস খানেক ধরে একটি মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। মেয়েটি তার কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত বুধবার বিকালে মেয়েটির মুখে এসিড নিক্ষেপ করে সে। পরদিন স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আটকের পর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে গেলে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।