শুক্রবার | ২০ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন পাক্ষিক চাঁদনগরের সম্পাদক সাবিত্রী রানী ঘোষ Logo শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের ঈদ উপহার বিতরণ Logo ইফতার মাহফিল থেকে সামাজিক জাগরণ: মাদকবিরোধী আন্দোলনে কাপাসিয়ার ঐক্য Logo ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আনচেলত্তির চুক্তি বাড়াতে যাচ্ছে ব্রাজিল Logo কাবুলে পাকিস্তানের হামলার পর সংযম প্রদর্শনের আহ্বান চীনের Logo ঈদযাত্রা সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে সব ইউনিটের ফোর্স নিয়োজিত থাকবে: আইজিপি Logo চাঁদপুরে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল Logo মাদকমুক্ত কাপাসিয়া গড়ার অঙ্গীকার যুব সংগঠনের মিলনমেলায় নতুন দিগন্ত Logo চাঁদপুরে জিএম বাংলা লিমিটেডের ঈদ উপহার: অসহায় ও এতিমদের মুখে হাসি

দেড় মণ সোনাসহ দর্শনার কালু ও রাকিব আটক

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:০১:২১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৪ মার্চ ২০১৯
  • ৭৮৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাইয়ে ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ৬শ’ পিস (৬০ কেজি) স্বর্ণের বারসহ দু’জনকে আটক করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুর ১টায় মহাসড়কের জোরারগঞ্জ থানাধীন সোনাপাহাড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের ব্যবহৃত সাদা রঙের একটি পাজেরো মিটসুবিসি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। আটকৃতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার আজমপুর গ্রামের মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে রাকিব (৩৪) এবং একই এলাকার মোবারক পাড়া গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে করিম খান কালু (৩৪)।


চট্টগ্রামের (উত্তর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মশিউদ্দৌলা রেজা জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জোরারগঞ্জ থানার ওসি ইফতেখার হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় সোনাপাহাড় থেকে ঢাকামুখী ওই গাড়িটি আটক করে। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করলে সবাই দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে গাড়ি তল্লাশি করে তেলের ট্যাংকির পাশ থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় লুকানো অবস্থায় ৬০টি প্যাকেটে (প্রতি প্যাকেটে ১০টি করে) মোট ৬শ’ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ ছাড়াও তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
বিকেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম দক্ষিণ) মো. আফরুজুল হক টুটুল, মীরসরাই সার্কেল এএসপি সামছুদ্দিন, জোরারগঞ্জ থানার ওসি ইফতেখার হাসান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, আটকৃকতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, দেড় মণ সোনার প্রকৃত মালিক কারা সে তথ্য উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ। এই দেড় মণ সোনা পাচারের সাথে চুয়াডাঙ্গা জেলার কয়েকজন কারবারি জড়িত থাকতে পারে ধারণা করছে পুলিশ। এবিষয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আটক দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানা গেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ

দেড় মণ সোনাসহ দর্শনার কালু ও রাকিব আটক

আপডেট সময় : ১১:০১:২১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৪ মার্চ ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাইয়ে ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ৬শ’ পিস (৬০ কেজি) স্বর্ণের বারসহ দু’জনকে আটক করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুর ১টায় মহাসড়কের জোরারগঞ্জ থানাধীন সোনাপাহাড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের ব্যবহৃত সাদা রঙের একটি পাজেরো মিটসুবিসি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। আটকৃতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার আজমপুর গ্রামের মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে রাকিব (৩৪) এবং একই এলাকার মোবারক পাড়া গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে করিম খান কালু (৩৪)।


চট্টগ্রামের (উত্তর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মশিউদ্দৌলা রেজা জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জোরারগঞ্জ থানার ওসি ইফতেখার হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় সোনাপাহাড় থেকে ঢাকামুখী ওই গাড়িটি আটক করে। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করলে সবাই দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে গাড়ি তল্লাশি করে তেলের ট্যাংকির পাশ থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় লুকানো অবস্থায় ৬০টি প্যাকেটে (প্রতি প্যাকেটে ১০টি করে) মোট ৬শ’ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ ছাড়াও তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
বিকেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম দক্ষিণ) মো. আফরুজুল হক টুটুল, মীরসরাই সার্কেল এএসপি সামছুদ্দিন, জোরারগঞ্জ থানার ওসি ইফতেখার হাসান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, আটকৃকতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, দেড় মণ সোনার প্রকৃত মালিক কারা সে তথ্য উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ। এই দেড় মণ সোনা পাচারের সাথে চুয়াডাঙ্গা জেলার কয়েকজন কারবারি জড়িত থাকতে পারে ধারণা করছে পুলিশ। এবিষয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আটক দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানা গেছে।