মঙ্গলবার | ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য Logo ইইউ’র সঙ্গে দ্রুত এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার Logo নোবিপ্রবিতে কোটি টাকার প্রকল্পে ছাত্রদল নেতাদের হস্তক্ষেপের অভিযোগ Logo পলাশবাড়ী উপজেলায় ৭১ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে অতিগুরুত্বপুর্ন ১১ টি ও সাধারণ ৬০ টি ভোট কেন্দ্র নির্দ্ধারন Logo বাঁধন খুলনা জোনের বার্ষিক সাধারণ সভা: নতুন নেতৃত্বে শরিফুল ও আতিকুল Logo খুবিতে কয়রা ম্যানগ্রোভ ফ্যামিলির নেতৃত্বে আরেফিন–সাবির Logo মির্জাপুরে চিত্রনায়ক ডি এ তায়েবের মায়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত Logo বীরগঞ্জে বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

দেড় মণ সোনাসহ দর্শনার কালু ও রাকিব আটক

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:০১:২১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৪ মার্চ ২০১৯
  • ৭৮১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাইয়ে ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ৬শ’ পিস (৬০ কেজি) স্বর্ণের বারসহ দু’জনকে আটক করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুর ১টায় মহাসড়কের জোরারগঞ্জ থানাধীন সোনাপাহাড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের ব্যবহৃত সাদা রঙের একটি পাজেরো মিটসুবিসি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। আটকৃতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার আজমপুর গ্রামের মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে রাকিব (৩৪) এবং একই এলাকার মোবারক পাড়া গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে করিম খান কালু (৩৪)।


চট্টগ্রামের (উত্তর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মশিউদ্দৌলা রেজা জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জোরারগঞ্জ থানার ওসি ইফতেখার হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় সোনাপাহাড় থেকে ঢাকামুখী ওই গাড়িটি আটক করে। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করলে সবাই দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে গাড়ি তল্লাশি করে তেলের ট্যাংকির পাশ থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় লুকানো অবস্থায় ৬০টি প্যাকেটে (প্রতি প্যাকেটে ১০টি করে) মোট ৬শ’ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ ছাড়াও তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
বিকেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম দক্ষিণ) মো. আফরুজুল হক টুটুল, মীরসরাই সার্কেল এএসপি সামছুদ্দিন, জোরারগঞ্জ থানার ওসি ইফতেখার হাসান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, আটকৃকতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, দেড় মণ সোনার প্রকৃত মালিক কারা সে তথ্য উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ। এই দেড় মণ সোনা পাচারের সাথে চুয়াডাঙ্গা জেলার কয়েকজন কারবারি জড়িত থাকতে পারে ধারণা করছে পুলিশ। এবিষয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আটক দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানা গেছে।

ট্যাগস :

পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ

দেড় মণ সোনাসহ দর্শনার কালু ও রাকিব আটক

আপডেট সময় : ১১:০১:২১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৪ মার্চ ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাইয়ে ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ৬শ’ পিস (৬০ কেজি) স্বর্ণের বারসহ দু’জনকে আটক করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুর ১টায় মহাসড়কের জোরারগঞ্জ থানাধীন সোনাপাহাড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের ব্যবহৃত সাদা রঙের একটি পাজেরো মিটসুবিসি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। আটকৃতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার আজমপুর গ্রামের মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে রাকিব (৩৪) এবং একই এলাকার মোবারক পাড়া গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে করিম খান কালু (৩৪)।


চট্টগ্রামের (উত্তর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মশিউদ্দৌলা রেজা জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জোরারগঞ্জ থানার ওসি ইফতেখার হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় সোনাপাহাড় থেকে ঢাকামুখী ওই গাড়িটি আটক করে। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করলে সবাই দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে গাড়ি তল্লাশি করে তেলের ট্যাংকির পাশ থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় লুকানো অবস্থায় ৬০টি প্যাকেটে (প্রতি প্যাকেটে ১০টি করে) মোট ৬শ’ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ ছাড়াও তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
বিকেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম দক্ষিণ) মো. আফরুজুল হক টুটুল, মীরসরাই সার্কেল এএসপি সামছুদ্দিন, জোরারগঞ্জ থানার ওসি ইফতেখার হাসান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, আটকৃকতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, দেড় মণ সোনার প্রকৃত মালিক কারা সে তথ্য উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ। এই দেড় মণ সোনা পাচারের সাথে চুয়াডাঙ্গা জেলার কয়েকজন কারবারি জড়িত থাকতে পারে ধারণা করছে পুলিশ। এবিষয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আটক দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানা গেছে।