বৃহস্পতিবার | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা Logo পলাশবাড়ীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন Logo আজ ৪ ফেব্রুয়ারি লেখক ও শিক্ষক তৌফিক সুলতান স্যারের জন্মদিন। Logo খুবিতে ‘ভৈরবী’র নতুন নেতৃত্বে রাদ ও রাহুল Logo সুন্দরবন ও উপকূলীয় যৌথ গবেষণার লক্ষ্যে খুবি ও বেড্সের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী

ফাঁসিয়াখালীর গয়ালমারায় সেনা ক্যাম্প স্থাপনের দাবীতে শত শত নারী পুরুষের মানববন্ধন

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:০৬ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৭৫১ বার পড়া হয়েছে

ফরিদ উদ্দিন, লামা প্রতিনিধি: লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি গয়ালমারা এলাকায় সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় জনসাধারণ। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মুখ সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিন শতাধিক নারী-পুরুষ স্বতস্ফুর্তভাবে অংশ গ্রহন করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- পিএইচপি রাবার বাগানের ব্যবস্থাপক সিরাজুল ইসলাম, বাগান মালিক আবদুর রশিদ, নুরুল আমিন, নুরুল হুদা ও মাওলানা মো. মানিক প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে এলাকার মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে জরুরী ভিত্তিতে একটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের আবেদন জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, যুগ যুগ ধরে গয়ালমারা এলাকায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি ও বাঙ্গালীরা সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছে। কিন্তু ইদানিং কিছু পাহাড়ি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রুপ এলাকায় ত্রাসের রাজ্য কায়েম করেছে। সন্ত্রাসী গ্রুপটি প্রকাশ্যে নিরহ জনসাধারণ ও রাবার মালিকদের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করে আসছে। চাঁদা না দিলে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকির পাশাপাশি জুলুম নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। এমনকি গত তিন মাস আগে ওই সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা গয়ালমারা এলাকার এক তরুনীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় এলাকার জনসাধারণ আতংকিত হয়ে পড়ে। বর্তমানে সন্ত্রাসীদের ভয়ে এলাকার লোকজন নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। রাবার বাগান মালিকরা বাগান কার্যক্রম বন্ধ করে এলাকা ছেড়ে অনেকেই চলে গেছে। এতে স্থানীয় হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ছে। বিধায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রুপের নির্যাতনে হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গয়ালমারা এলাকায় সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপন জরুরী হয়ে পড়েছে। এ সময় বক্তারা আরও বলেন, শুধু তাই নয়, পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা প্রতিনিয়ত হামলা চালিয়ে টাকা পয়সা থেকে শুরু করে গরু ছাগল এমনকি চাল ডাল লবন পর্যন্ত লুট করে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত

ফাঁসিয়াখালীর গয়ালমারায় সেনা ক্যাম্প স্থাপনের দাবীতে শত শত নারী পুরুষের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:০৬ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ফরিদ উদ্দিন, লামা প্রতিনিধি: লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি গয়ালমারা এলাকায় সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় জনসাধারণ। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মুখ সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিন শতাধিক নারী-পুরুষ স্বতস্ফুর্তভাবে অংশ গ্রহন করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- পিএইচপি রাবার বাগানের ব্যবস্থাপক সিরাজুল ইসলাম, বাগান মালিক আবদুর রশিদ, নুরুল আমিন, নুরুল হুদা ও মাওলানা মো. মানিক প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে এলাকার মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে জরুরী ভিত্তিতে একটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের আবেদন জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, যুগ যুগ ধরে গয়ালমারা এলাকায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি ও বাঙ্গালীরা সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছে। কিন্তু ইদানিং কিছু পাহাড়ি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রুপ এলাকায় ত্রাসের রাজ্য কায়েম করেছে। সন্ত্রাসী গ্রুপটি প্রকাশ্যে নিরহ জনসাধারণ ও রাবার মালিকদের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করে আসছে। চাঁদা না দিলে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকির পাশাপাশি জুলুম নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। এমনকি গত তিন মাস আগে ওই সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা গয়ালমারা এলাকার এক তরুনীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় এলাকার জনসাধারণ আতংকিত হয়ে পড়ে। বর্তমানে সন্ত্রাসীদের ভয়ে এলাকার লোকজন নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। রাবার বাগান মালিকরা বাগান কার্যক্রম বন্ধ করে এলাকা ছেড়ে অনেকেই চলে গেছে। এতে স্থানীয় হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ছে। বিধায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রুপের নির্যাতনে হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গয়ালমারা এলাকায় সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপন জরুরী হয়ে পড়েছে। এ সময় বক্তারা আরও বলেন, শুধু তাই নয়, পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা প্রতিনিয়ত হামলা চালিয়ে টাকা পয়সা থেকে শুরু করে গরু ছাগল এমনকি চাল ডাল লবন পর্যন্ত লুট করে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।