বৃহস্পতিবার | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

৫২.৬০ কোটি ডলার দেবে এডিবি !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:৫১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭
  • ৭৯৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৫২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় চার হাজার ২৫০ কোটি টাকা।

গতকাল মঙ্গলবার সংস্থাটির বোর্ডসভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে চলমান অবকাঠামো প্রকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় হবে। এই অর্থের মধ্যে পিপিপির আওতায় মধ্যম ও বড় ধরনের প্রকল্পে ৫০ কোটি ডলার ব্যয় হবে।

আর দুই কোটি ৬০ লাখ ডলার ব্যয় হবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি সহায়তায়। দেশের গ্রামাঞ্চলে এসব জ্বালানি প্লান্ট হবে। এ ছাড়া সাত লাখ ৫০ হাজার ডলার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠান ইনফ্রাস্ট্রাকচার কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে।

এডিবির প্রধান আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞ পিটার মারো বলেন, বাংলাদেশের দ্রুত প্রবৃদ্ধিতে বেসরকারিভাবে অবকাঠামো উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ। এই উন্নয়নকে এখন টেকসই করার প্রয়োজন।  কেননা অবকাঠামো উন্নয়নে বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। যেগুলো বেসরকারি খাত পূরণ করতে পারে।

এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিবৃতিতে এডিপি বলছে, বাংলাদেশ ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ৬.৩ শতাংশে স্থিতিশীল গড় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা জুলাই ২০১৫ সালে নিম্ন-মধ্যম আয়ের অবস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির ৭ শতাংশ থেকে গড় ৭.৪ শতাংশ হারে পৌঁছাতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশকে উচ্চমধ্যম আয়ের স্তরের দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য পাঁচ বছরের পরিকল্পনা এই লক্ষ্যগুলোকে পাবলিক এবং প্রাইভেট বিনিয়োগে ২০১২ সালের ২৯ শতাংশ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৪.৪ শতাংশ বৃদ্ধির প্রয়োজন হবে। এ জন্য শুধু অবকাঠামোতে বছরে জিডিপি ৫ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশ বিনিয়োগ করতে হবে। যা অর্থের আকারে ৯ বিলিয়ন ডলার থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

৫২.৬০ কোটি ডলার দেবে এডিবি !

আপডেট সময় : ১২:০৮:৫১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৫২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় চার হাজার ২৫০ কোটি টাকা।

গতকাল মঙ্গলবার সংস্থাটির বোর্ডসভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে চলমান অবকাঠামো প্রকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় হবে। এই অর্থের মধ্যে পিপিপির আওতায় মধ্যম ও বড় ধরনের প্রকল্পে ৫০ কোটি ডলার ব্যয় হবে।

আর দুই কোটি ৬০ লাখ ডলার ব্যয় হবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি সহায়তায়। দেশের গ্রামাঞ্চলে এসব জ্বালানি প্লান্ট হবে। এ ছাড়া সাত লাখ ৫০ হাজার ডলার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠান ইনফ্রাস্ট্রাকচার কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে।

এডিবির প্রধান আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞ পিটার মারো বলেন, বাংলাদেশের দ্রুত প্রবৃদ্ধিতে বেসরকারিভাবে অবকাঠামো উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ। এই উন্নয়নকে এখন টেকসই করার প্রয়োজন।  কেননা অবকাঠামো উন্নয়নে বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। যেগুলো বেসরকারি খাত পূরণ করতে পারে।

এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিবৃতিতে এডিপি বলছে, বাংলাদেশ ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ৬.৩ শতাংশে স্থিতিশীল গড় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা জুলাই ২০১৫ সালে নিম্ন-মধ্যম আয়ের অবস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির ৭ শতাংশ থেকে গড় ৭.৪ শতাংশ হারে পৌঁছাতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশকে উচ্চমধ্যম আয়ের স্তরের দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য পাঁচ বছরের পরিকল্পনা এই লক্ষ্যগুলোকে পাবলিক এবং প্রাইভেট বিনিয়োগে ২০১২ সালের ২৯ শতাংশ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৪.৪ শতাংশ বৃদ্ধির প্রয়োজন হবে। এ জন্য শুধু অবকাঠামোতে বছরে জিডিপি ৫ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশ বিনিয়োগ করতে হবে। যা অর্থের আকারে ৯ বিলিয়ন ডলার থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার।