বৃহস্পতিবার | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবন টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:৫৩ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭
  • ৭৯৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

গবেষণা ও নতুন নতুন উদ্ভাবন টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত। হরাইজন-২০২০ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সর্ববৃহৎ গবেষণা কর্মসূচি- যার আওতায় বাংলাদেশ ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে যৌথ গবেষণাকর্মের সুযোগ রয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার মেট্রোপলিটন চেম্বার্স অব কমার্স আয়োজিত হরাইজন ২০২০: অপরচুনিটিস ফর বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, হরাইজন-২০২০ এর কর্মসূচি ২০১৪ সাল থেকে শুরু হয়েছে যা ২০২০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের ১৫টি যৌথ গবেষণাকর্ম ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কর্তৃক গৃহীত হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী দিনগুলোতে আরো গবেষণা করার সুযোগ রয়েছে এবং যৌথ উদ্যোগের এই গবেষণাকর্ম একটি নতুন পদক্ষেপ যা থেকে আরো অনেক শেখার সুযোগ রয়েছে।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জলবায়ুর পরিবর্তন ও বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় লবণাক্ততার প্রভাব মোকাবিলায় আমাদের দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিতে কৃষি খাতে গবেষণা ও নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের গবেষণা দেশের জন্য সুফল বয়ে আনবে। এ ছাড়া সামাজিক ও শিল্প খাতের বিভিন্ন বিষয়ে এ গবেষণা হতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমসাময়িক বিষয়গুলোর মধ্যে জনমিতি, তথ্যপ্রযুক্তি, পরিবেশসম্মত জ্বালানি, ওষুধ শিল্প, ব্লু-ইকনমি, সফটওয়ার শিল্প প্রভৃতি খাতে যৌথ গবেষণাকর্মের সুযোগ রয়েছে। তিনি এ সুযোগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশের গবেষক ও উদ্ভাবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, মেট্রোপলিটন চেম্বার্স অব কমার্স বাংলাদেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় স্বণামধন্য প্রতিষ্ঠান। এ ধরনের মহতী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তিনি মেট্রোপলিটন চেম্বার্স অব কমার্সকে ধন্যবাদ জানান।

মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি নিহাদ কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের হেড অব ডেলিগেশন পিয়েরো মায়াদুন প্রমুখ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবন টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত !

আপডেট সময় : ১২:০৪:৫৩ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

গবেষণা ও নতুন নতুন উদ্ভাবন টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত। হরাইজন-২০২০ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সর্ববৃহৎ গবেষণা কর্মসূচি- যার আওতায় বাংলাদেশ ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে যৌথ গবেষণাকর্মের সুযোগ রয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার মেট্রোপলিটন চেম্বার্স অব কমার্স আয়োজিত হরাইজন ২০২০: অপরচুনিটিস ফর বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, হরাইজন-২০২০ এর কর্মসূচি ২০১৪ সাল থেকে শুরু হয়েছে যা ২০২০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের ১৫টি যৌথ গবেষণাকর্ম ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কর্তৃক গৃহীত হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী দিনগুলোতে আরো গবেষণা করার সুযোগ রয়েছে এবং যৌথ উদ্যোগের এই গবেষণাকর্ম একটি নতুন পদক্ষেপ যা থেকে আরো অনেক শেখার সুযোগ রয়েছে।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জলবায়ুর পরিবর্তন ও বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় লবণাক্ততার প্রভাব মোকাবিলায় আমাদের দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিতে কৃষি খাতে গবেষণা ও নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের গবেষণা দেশের জন্য সুফল বয়ে আনবে। এ ছাড়া সামাজিক ও শিল্প খাতের বিভিন্ন বিষয়ে এ গবেষণা হতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমসাময়িক বিষয়গুলোর মধ্যে জনমিতি, তথ্যপ্রযুক্তি, পরিবেশসম্মত জ্বালানি, ওষুধ শিল্প, ব্লু-ইকনমি, সফটওয়ার শিল্প প্রভৃতি খাতে যৌথ গবেষণাকর্মের সুযোগ রয়েছে। তিনি এ সুযোগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশের গবেষক ও উদ্ভাবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, মেট্রোপলিটন চেম্বার্স অব কমার্স বাংলাদেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় স্বণামধন্য প্রতিষ্ঠান। এ ধরনের মহতী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তিনি মেট্রোপলিটন চেম্বার্স অব কমার্সকে ধন্যবাদ জানান।

মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি নিহাদ কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের হেড অব ডেলিগেশন পিয়েরো মায়াদুন প্রমুখ।