বৃহস্পতিবার | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের খুব বেশি টাকা নেই: অর্থমন্ত্রী !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৪৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০১৭
  • ৭৮৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আবারও বলেছেন, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের খুব বেশি টাকা নেই।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি যে স্টেটমেন্ট দিয়েছি, তাতে এটা প্রমাণিত হয়- আমাদের খুব বেশি লোকের টাকা সুইস ব্যাংকে নেই।

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নো নো, কোনো অর্থ বাড়েনি। বরং গত বছরের তুলনায় কমেছে। সুইস ব্যাংকের প্রতিনিধিরা ঢাকায় থাকেন এবং বড় বড় ব্যবসায়ীদের ওখানে টাকা রাখার জন্য প্রলুব্ধ করেন, দুদক চেয়ারম্যানের এই বক্তব্যের বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমার কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই।

এর আগে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের অর্থ রাখার বিষয়ে বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের এবং সুইজারল্যান্ডের মধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে যে ব্যবসা-বাণিজ্যের হিসাব হয়, সেটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাস্তবে এটি মোটেই অর্থ পাচার নয়। অনেক বাংলাদেশি নাগরিক আছেন যারা বিদেশে কাজ করেন অথবা স্থায়ীভাবে অবস্থান করেন, তাদের হিসাবও সেখানে অন্তর্ভুক্ত আছে। সে হিসাবটি দেওয়া যাচ্ছে না। কেননা, যেসব বাংলাদেশি তাদের পাসপোর্টকে পরিচয় চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করেছেন, তাদের সংখ্যা আমাদের জানা নেই। এতে প্রতিপন্ন হয়, টাকা পাচারের বিষয়টি মোটেই তেমন কিছু নয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যে হিসাবগুলো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, এগুলো হলো লেনদেনের হিসাব, সম্পদের হিসাব। এটাকে অন্যায়ভাবে পাচার বলে প্রচার করা হয়েছে। এজন্য দেশে একটা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হচ্ছে। বিদেশে অর্থ পাচার হয় না, এ কথা বলা যাবে না। সত্যিই কিছু পাচার হয়, কিন্তু এটা নজরে পড়ার মতো নয়, অত্যন্ত যৎসামান্য। অর্থবছর পরিবর্তন প্রসঙ্গে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা এতো জলদি হবে না। আরো দুই-তিন বছর লাগবে। আলোচনাটা শুরু হোক, তারপর দেখা যাবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের খুব বেশি টাকা নেই: অর্থমন্ত্রী !

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৪৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আবারও বলেছেন, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের খুব বেশি টাকা নেই।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি যে স্টেটমেন্ট দিয়েছি, তাতে এটা প্রমাণিত হয়- আমাদের খুব বেশি লোকের টাকা সুইস ব্যাংকে নেই।

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নো নো, কোনো অর্থ বাড়েনি। বরং গত বছরের তুলনায় কমেছে। সুইস ব্যাংকের প্রতিনিধিরা ঢাকায় থাকেন এবং বড় বড় ব্যবসায়ীদের ওখানে টাকা রাখার জন্য প্রলুব্ধ করেন, দুদক চেয়ারম্যানের এই বক্তব্যের বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমার কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই।

এর আগে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের অর্থ রাখার বিষয়ে বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের এবং সুইজারল্যান্ডের মধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে যে ব্যবসা-বাণিজ্যের হিসাব হয়, সেটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাস্তবে এটি মোটেই অর্থ পাচার নয়। অনেক বাংলাদেশি নাগরিক আছেন যারা বিদেশে কাজ করেন অথবা স্থায়ীভাবে অবস্থান করেন, তাদের হিসাবও সেখানে অন্তর্ভুক্ত আছে। সে হিসাবটি দেওয়া যাচ্ছে না। কেননা, যেসব বাংলাদেশি তাদের পাসপোর্টকে পরিচয় চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করেছেন, তাদের সংখ্যা আমাদের জানা নেই। এতে প্রতিপন্ন হয়, টাকা পাচারের বিষয়টি মোটেই তেমন কিছু নয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যে হিসাবগুলো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, এগুলো হলো লেনদেনের হিসাব, সম্পদের হিসাব। এটাকে অন্যায়ভাবে পাচার বলে প্রচার করা হয়েছে। এজন্য দেশে একটা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হচ্ছে। বিদেশে অর্থ পাচার হয় না, এ কথা বলা যাবে না। সত্যিই কিছু পাচার হয়, কিন্তু এটা নজরে পড়ার মতো নয়, অত্যন্ত যৎসামান্য। অর্থবছর পরিবর্তন প্রসঙ্গে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা এতো জলদি হবে না। আরো দুই-তিন বছর লাগবে। আলোচনাটা শুরু হোক, তারপর দেখা যাবে।