রবিবার | ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

নতুন ভ্যাট আইন মেনে নিয়েছি !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:৪৫:০৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৭
  • ৭৬৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

নতুন ভ্যাট আইন ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। ভ্যাট রেট নিয়ে কিছুটা বিতর্ক থাকলেও এ আইন আমরা ব্যবসায়ীরা মেনে নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক সালমান এফ রহমান গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ)  ভ্যাট  এর উদ্যোগে আয়োজিত রাজস্ব সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ভ্যাট আইন মেনে নিয়েছি। কিন্তু ভ্যাট রেট নিয়ে কিছুটা বিতর্ক আছে। ১৫ শতাংশ ভ্যাট আমরা ১৯৯১ সাল থেকেই দিয়ে আসছি। বিতর্ক শুধু এক রেট নিয়ে। গত ৮ বছরে ব্যবসায়ীদের যে উন্নতি হয়েছে তা আগে কখনো হয়নি। প্রধানমন্ত্রী ব্যবসাবান্ধব। তিনি সব সময় বলে এসেছেন সরকার কোনো ব্যবসা করবে না, ব্যবসায়ীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে।’

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘নতুন ভ্যাট আইন নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভয় আছে। ২০১৫ সালে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে আমরা ব্যবসায়ীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ২ বছর সময় নেই। এ সময়ের মধ্যে এ আইনে যে সকল অসঙ্গতি ছিল তা অনেকাংশে দূর হয়েছে। তবে আইনটি নিয়ে প্রয়োজনের তুলনায় প্রচারণা কম হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এনবিআর সব সময় যে সকল ব্যবসায়ী কর দেয় তাদের ওপর নজর রাখে। যারা কর দেয় না তাদের ওপর কোনো নজরদারি নেই। তবে বর্তমানে এ অভিযোগ থেকে বেরিয়ে এসেছে এনবিআর।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ৮ লাখ রেজিস্ট্রেশনধারী ব্যবসায়ী থাকলেও রিটার্ন দাখিল করেন মাত্র ৩৪ হাজার। আমি বলবো ব্যবসায়ীদের ওপর করভার না বাড়িয়ে যারা কর দিচ্ছে না তাদেরকে করের আওতায় আনা দরকার।’

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক এ উপদেষ্টা বলেন, ‘নতুন আইনে দেশীয় শিল্প সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মত হলো, এমন কোনো কিছু হবে না যাতে ওই শিল্প হুমকির মুখে পড়ে। একই সঙ্গে আগামি বাজেটে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বিশেষ প্রণোদনা রাখা প্রয়োজন।’

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘আজকে এখানে সকল বড় ব্যবসায়ী উপস্থিত আছেন। নতুন আইন আমাদের সকলের জন্য ভালো হবে। এ আইন সব দিক থেকে ১৯৯১ সালের আইন থেকে ভালো। আমাদের উচিত হবে যে সকল ছোট ব্যবসায়ীর সঙ্গে ব্যবসা করি তাদেরকে এ বিষয়ে বোঝানো। কারণ, ভ্যাট খাত থেকে  রাজস্ব আদায় বাড়লে শুল্ক ও আয়কর হার এনবিআর কমাতে পারবে।

তিনি বলেন, ‘এনবিআরকে খেয়াল রাখতে হবে, যেহেতু এটা নতুন আইন, বাস্তবায়ন করতে গেলে কিছু সমস্যা হবে। আমাদের ভয়, ১ জুলাই থেকে আইন কার্যকর হওয়ার পর ১ সপ্তাহের মাথায় এনবিআরের অফিসাররা ব্যবসায়ীদের আইন দেখানো শুরু করে। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে নতুন আইন পুরোপুরি বাস্তবায়নে অন্তত দুই থেকে তিন মাস সময় দেওয়া উচিত।
সভাপতির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন মেনে এনবিআর কর হার না বাড়িয়ে করনেট বাড়াতে কাজ করছে। বর্তমানে এনবিআর বিভাগ, জেলা, উপজেলা থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে গেছে।

তিনি বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এনবিআর ও ব্যবসায়ীদের চলার পথ আরো সুন্দর এবং মসৃন হবে। করদাতাদের অবদানে উন্নয়নে অর্থায়ন করছে এনবিআর।
সংলাপে আরো বক্তব্য রাখেন এনবিআর সদস্য লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীর হোসেন, রেজাউল হাসান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এলটিইউ কমিশনার মতিউর রহমান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

নতুন ভ্যাট আইন মেনে নিয়েছি !

আপডেট সময় : ১২:৪৫:০৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

নতুন ভ্যাট আইন ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। ভ্যাট রেট নিয়ে কিছুটা বিতর্ক থাকলেও এ আইন আমরা ব্যবসায়ীরা মেনে নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক সালমান এফ রহমান গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ)  ভ্যাট  এর উদ্যোগে আয়োজিত রাজস্ব সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ভ্যাট আইন মেনে নিয়েছি। কিন্তু ভ্যাট রেট নিয়ে কিছুটা বিতর্ক আছে। ১৫ শতাংশ ভ্যাট আমরা ১৯৯১ সাল থেকেই দিয়ে আসছি। বিতর্ক শুধু এক রেট নিয়ে। গত ৮ বছরে ব্যবসায়ীদের যে উন্নতি হয়েছে তা আগে কখনো হয়নি। প্রধানমন্ত্রী ব্যবসাবান্ধব। তিনি সব সময় বলে এসেছেন সরকার কোনো ব্যবসা করবে না, ব্যবসায়ীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে।’

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘নতুন ভ্যাট আইন নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভয় আছে। ২০১৫ সালে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে আমরা ব্যবসায়ীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ২ বছর সময় নেই। এ সময়ের মধ্যে এ আইনে যে সকল অসঙ্গতি ছিল তা অনেকাংশে দূর হয়েছে। তবে আইনটি নিয়ে প্রয়োজনের তুলনায় প্রচারণা কম হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এনবিআর সব সময় যে সকল ব্যবসায়ী কর দেয় তাদের ওপর নজর রাখে। যারা কর দেয় না তাদের ওপর কোনো নজরদারি নেই। তবে বর্তমানে এ অভিযোগ থেকে বেরিয়ে এসেছে এনবিআর।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ৮ লাখ রেজিস্ট্রেশনধারী ব্যবসায়ী থাকলেও রিটার্ন দাখিল করেন মাত্র ৩৪ হাজার। আমি বলবো ব্যবসায়ীদের ওপর করভার না বাড়িয়ে যারা কর দিচ্ছে না তাদেরকে করের আওতায় আনা দরকার।’

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক এ উপদেষ্টা বলেন, ‘নতুন আইনে দেশীয় শিল্প সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মত হলো, এমন কোনো কিছু হবে না যাতে ওই শিল্প হুমকির মুখে পড়ে। একই সঙ্গে আগামি বাজেটে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বিশেষ প্রণোদনা রাখা প্রয়োজন।’

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘আজকে এখানে সকল বড় ব্যবসায়ী উপস্থিত আছেন। নতুন আইন আমাদের সকলের জন্য ভালো হবে। এ আইন সব দিক থেকে ১৯৯১ সালের আইন থেকে ভালো। আমাদের উচিত হবে যে সকল ছোট ব্যবসায়ীর সঙ্গে ব্যবসা করি তাদেরকে এ বিষয়ে বোঝানো। কারণ, ভ্যাট খাত থেকে  রাজস্ব আদায় বাড়লে শুল্ক ও আয়কর হার এনবিআর কমাতে পারবে।

তিনি বলেন, ‘এনবিআরকে খেয়াল রাখতে হবে, যেহেতু এটা নতুন আইন, বাস্তবায়ন করতে গেলে কিছু সমস্যা হবে। আমাদের ভয়, ১ জুলাই থেকে আইন কার্যকর হওয়ার পর ১ সপ্তাহের মাথায় এনবিআরের অফিসাররা ব্যবসায়ীদের আইন দেখানো শুরু করে। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে নতুন আইন পুরোপুরি বাস্তবায়নে অন্তত দুই থেকে তিন মাস সময় দেওয়া উচিত।
সভাপতির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন মেনে এনবিআর কর হার না বাড়িয়ে করনেট বাড়াতে কাজ করছে। বর্তমানে এনবিআর বিভাগ, জেলা, উপজেলা থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে গেছে।

তিনি বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এনবিআর ও ব্যবসায়ীদের চলার পথ আরো সুন্দর এবং মসৃন হবে। করদাতাদের অবদানে উন্নয়নে অর্থায়ন করছে এনবিআর।
সংলাপে আরো বক্তব্য রাখেন এনবিআর সদস্য লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীর হোসেন, রেজাউল হাসান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এলটিইউ কমিশনার মতিউর রহমান।