শিরোনাম :
Logo মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন Logo সিরাজদিখানে মরহুম হাজী জয়নাল আবেদীন মাষ্টার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের দুটি ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত Logo ঢাকায় হামলার প্রতিবাদে খুবিতে প্রকৌশল অধিকার দাবিতে মানববন্ধন Logo চিকিৎসার অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন প্রবাসফেরত ইসমাইল হোসেন Logo চিত্রা-নড়াইল জেলা ছাত্রকল্যাণ ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে আরমান ও বোরহান Logo চাঁদপুর সদরের জনবান্ধব ইউএনও সাখাওয়াত জামিল সৈকতকে লক্ষ্মীপুরের এডিসি পদে বদলী Logo বেরোবিতে ভর্তি পরীক্ষার আসন বরাদ্দে অনিময়ের অভিযোগ ; প্রশাসন বলছে শিক্ষার্থীদের বুঝার ভুল Logo প্রকাশিত হয়েছে কবি ও কথাসাহিত্যিক নুরুন্নাহার মুন্নির সাহিত্য পত্রিকা ‘আখ্যান’ Logo পলাশবাড়ী পৌর এলাকায় জমি জবর দখলের অভিযোগ Logo প্রবাসফেরত ইসমাইলের পাশে দাঁড়ালেন এনসিপি নেতা ডা. আরিফুল ইসলাম

ঝিনাইদহে বাড়ির ছাদে ‘ছাদ কৃষি’ গড়ে তুলেছেন খালেদা খানম

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৬:২২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭
  • ৭৮৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ সবুজের ছোঁয়া পেতে কার না মন চায়। কিন্তু ইট পাথর ও নগরের যান্ত্রিক জীবনে সবুজ প্রকৃতির দেখা প্ওায়া যেনো খুবই কঠিন, সেখানে গাছপালা তো দূরের কথা, আলো বাতাসেরও যেন বড় অভাব দেখা দেয়। কিন্তু প্রবল ইচ্ছা আর উদ্যোগ থাকলে শহর জীবনের ছোট বাসা-বাড়িতেও যে ফিরিয়ে আনা যেতে পারে সবুজ প্রকৃতির ছোঁয়া। আর সেটাই বাস্তবে প্রমাণ করলেন ঝিনাইদহ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উদ্ভাবনী নার্সারীর নির্বাহী পরিচালক, খালেদা খানম।

নিজের ইচ্ছা শক্তি আর বৃক্ষপ্রেমের তাগিদে সে হামদহ খন্দকার পাড়ায় তার ৪তলা বাড়ির ছাদে গড়ে তুলেছেন এক সবুজের সমারোহ। সেখানে পায়ের নিচে নরম ঘাসের স্পর্শ না পেলেও হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় বৃক্ষরাজির সবুজ পাতা ও বিভিন্ন ধরণের ফলমুল।

তিন বছর আগে শখ করে বাড়ির ছাদে ছাদকৃষি বাগান করা শুরু করেন তিনি। দিনে দিনে তার বাগানের গাছের পরিধি বৃদ্ধি পেয়ে তা এখন একটি সমন্বিত ফল, ফুল ও শাক-সব্জির বাগানে রূপান্তরিত হয়েছে। বর্তমানে তার বাগানে ৪০ রকমের গাছ রয়েছে। আম পেয়ারা, আঙুর, লেবু শরিফা, জামবুরা, মাল্টা, আমড়া, ছবেদা, চাইনা কমলা, ড্রাগণ ইত্যাদি।

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজেই বাগানের গাছের পরিচর্যা করেন। খালেদা খানম জানান, তার বাগানের গাছে কোনো প্রকার রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করেন না। জৈব সারসহ ফেলে দেওয়া চা পাতা, তরকারি ও মাছের ফেলে দেওয়া অংশ দিয়ে নিজের তৈরি করা সার ব্যবহার করেন বাগানের গাছে। বাগানের উৎপাদিত ফল, শাক-সবজি পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে আত্মীয়-স্বজনসহ শুভার্থীদের দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর খানিকটা চেষ্টা থাকলে আপনিও গড়ে তুলতে পারেন চমৎকার একটি বাগান। যখন ফুল-ফলে আপনার বাগান ভরে উঠবে, তখন আপনার মনও স্বর্গীয় প্রশান্তিতে ভরে যাবে।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

ঝিনাইদহে বাড়ির ছাদে ‘ছাদ কৃষি’ গড়ে তুলেছেন খালেদা খানম

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:২২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ সবুজের ছোঁয়া পেতে কার না মন চায়। কিন্তু ইট পাথর ও নগরের যান্ত্রিক জীবনে সবুজ প্রকৃতির দেখা প্ওায়া যেনো খুবই কঠিন, সেখানে গাছপালা তো দূরের কথা, আলো বাতাসেরও যেন বড় অভাব দেখা দেয়। কিন্তু প্রবল ইচ্ছা আর উদ্যোগ থাকলে শহর জীবনের ছোট বাসা-বাড়িতেও যে ফিরিয়ে আনা যেতে পারে সবুজ প্রকৃতির ছোঁয়া। আর সেটাই বাস্তবে প্রমাণ করলেন ঝিনাইদহ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উদ্ভাবনী নার্সারীর নির্বাহী পরিচালক, খালেদা খানম।

নিজের ইচ্ছা শক্তি আর বৃক্ষপ্রেমের তাগিদে সে হামদহ খন্দকার পাড়ায় তার ৪তলা বাড়ির ছাদে গড়ে তুলেছেন এক সবুজের সমারোহ। সেখানে পায়ের নিচে নরম ঘাসের স্পর্শ না পেলেও হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় বৃক্ষরাজির সবুজ পাতা ও বিভিন্ন ধরণের ফলমুল।

তিন বছর আগে শখ করে বাড়ির ছাদে ছাদকৃষি বাগান করা শুরু করেন তিনি। দিনে দিনে তার বাগানের গাছের পরিধি বৃদ্ধি পেয়ে তা এখন একটি সমন্বিত ফল, ফুল ও শাক-সব্জির বাগানে রূপান্তরিত হয়েছে। বর্তমানে তার বাগানে ৪০ রকমের গাছ রয়েছে। আম পেয়ারা, আঙুর, লেবু শরিফা, জামবুরা, মাল্টা, আমড়া, ছবেদা, চাইনা কমলা, ড্রাগণ ইত্যাদি।

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজেই বাগানের গাছের পরিচর্যা করেন। খালেদা খানম জানান, তার বাগানের গাছে কোনো প্রকার রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করেন না। জৈব সারসহ ফেলে দেওয়া চা পাতা, তরকারি ও মাছের ফেলে দেওয়া অংশ দিয়ে নিজের তৈরি করা সার ব্যবহার করেন বাগানের গাছে। বাগানের উৎপাদিত ফল, শাক-সবজি পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে আত্মীয়-স্বজনসহ শুভার্থীদের দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর খানিকটা চেষ্টা থাকলে আপনিও গড়ে তুলতে পারেন চমৎকার একটি বাগান। যখন ফুল-ফলে আপনার বাগান ভরে উঠবে, তখন আপনার মনও স্বর্গীয় প্রশান্তিতে ভরে যাবে।’