বুধবার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী Logo স্টুডেন্ট স্কয়ার: শিক্ষার্থী থেকেই টেকসই পরিবর্তনের সূচনা Logo কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo এনবিআরের ওয়েবসাইটে এইচএস কোডভিত্তিক আমদানি তথ্য প্রকাশ Logo গাজীপুর-৪ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে তৌফিক সুলতান স্যারের ‘জ্ঞানের জগৎ’ বই Logo পবিত্র লাইলাতুল বরাত আনজুমান ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য

ইবিতে সাংবাদিক মারধর—তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার, নয়জনকে সতর্ক বার্তা

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলা, সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অর্থনীতি বিভাগের তিন শিক্ষার্থীকে দুই সেমেস্টারের জন্য বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই ঘটনায় আরও নয় শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত দপ্তরি আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের নাহিদ হাসান, রিয়াজ মোর্শেদ ও আফসানা পারভীন তিনা।এছাড়াও অর্থনীতি বিভাগের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের ফরিদুল আলম পান্না ও ২০২০-২০২১ বর্ষের সৌরভ দত্ত, মিনহাজুল আবেদীন, সাব্বির হোসেন, সৌরভ হোসেন সজীব, এবং ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম, মিল্টন মিয়া, মশিউর রহমান, রাকিব হোসেনকে সতর্ক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
আদেশে বলা হয়, গত ১১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এবং ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুসারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্তে প্রমাণিত হয়—নাহিদ হাসান সাংবাদিককে তলপেটে লাথি মেরে মোবাইল রিসেট করে রেখে আসে এবং প্রক্টরের কাছে মিথ্যা অভিযোগ দেন; রিয়াজ মোর্শেদ সরাসরি সহায়তা করেন; আর আফসানা পারভীন তিনা সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়া ও উসকানিতে যুক্ত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে অর্থনীতি বিভাগের আন্তঃসেশন ফুটবল ম্যাচ চলাকালে সিনিয়র–জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ করতে গেলে বিভাগটির কয়েকজন শিক্ষার্থী উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে তারা একজন সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে রিসেট করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

ইবিতে সাংবাদিক মারধর—তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার, নয়জনকে সতর্ক বার্তা

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৩৭ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলা, সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অর্থনীতি বিভাগের তিন শিক্ষার্থীকে দুই সেমেস্টারের জন্য বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই ঘটনায় আরও নয় শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত দপ্তরি আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের নাহিদ হাসান, রিয়াজ মোর্শেদ ও আফসানা পারভীন তিনা।এছাড়াও অর্থনীতি বিভাগের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের ফরিদুল আলম পান্না ও ২০২০-২০২১ বর্ষের সৌরভ দত্ত, মিনহাজুল আবেদীন, সাব্বির হোসেন, সৌরভ হোসেন সজীব, এবং ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম, মিল্টন মিয়া, মশিউর রহমান, রাকিব হোসেনকে সতর্ক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
আদেশে বলা হয়, গত ১১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এবং ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুসারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্তে প্রমাণিত হয়—নাহিদ হাসান সাংবাদিককে তলপেটে লাথি মেরে মোবাইল রিসেট করে রেখে আসে এবং প্রক্টরের কাছে মিথ্যা অভিযোগ দেন; রিয়াজ মোর্শেদ সরাসরি সহায়তা করেন; আর আফসানা পারভীন তিনা সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়া ও উসকানিতে যুক্ত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে অর্থনীতি বিভাগের আন্তঃসেশন ফুটবল ম্যাচ চলাকালে সিনিয়র–জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ করতে গেলে বিভাগটির কয়েকজন শিক্ষার্থী উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে তারা একজন সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে রিসেট করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলে।