রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হলে পুরো অঞ্চল অস্থিতিশীল হতে পারে

  • নীলকন্ঠ অনলাইন নীলকন্ঠ অনলাইন
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:২২ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ৭০৮ বার পড়া হয়েছে
রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হলে পুরো অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এক্ষেত্রে বিমসটেক এ সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট যদি মীমাংসিত না হয়, তাহলে সমগ্র অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, বিশেষ করে রাখাইনের বিরোধপূর্ণ পক্ষগুলোর মধ্যে থাকা ক্রোধ সমাধানের জন্য সংলাপকে বিমসটেক উৎসাহিত করতে পারে।

এছাড়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে রাখাইন রাজ্যের উচিত মিয়ানমারকে সম্পৃক্ত করতে আরও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া। সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রেক্ষিতে, রাখাইন রাজ্য থেকে আরও বাস্তুচ্যুতি বন্ধ করতে জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে একটি মানবিক চ্যানেল স্থাপন করা যেতে পারে বলে মত দেন প্রধান উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি সম্পর্কে উচ্চ-স্তরের সম্মেলন’-এ বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণকে বাংলাদেশ উৎসাহিত করে।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে এই সম্মেলনে উচ্চ-স্তরের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আশা করেন।

তিনি, গত ১৩-১৬ মার্চ বাংলাদেশে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের ঐতিহাসিক সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার অধিকারের প্রতি সম্পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগস :

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হলে পুরো অঞ্চল অস্থিতিশীল হতে পারে

আপডেট সময় : ০৩:৫১:২২ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হলে পুরো অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এক্ষেত্রে বিমসটেক এ সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট যদি মীমাংসিত না হয়, তাহলে সমগ্র অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, বিশেষ করে রাখাইনের বিরোধপূর্ণ পক্ষগুলোর মধ্যে থাকা ক্রোধ সমাধানের জন্য সংলাপকে বিমসটেক উৎসাহিত করতে পারে।

এছাড়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে রাখাইন রাজ্যের উচিত মিয়ানমারকে সম্পৃক্ত করতে আরও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া। সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রেক্ষিতে, রাখাইন রাজ্য থেকে আরও বাস্তুচ্যুতি বন্ধ করতে জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে একটি মানবিক চ্যানেল স্থাপন করা যেতে পারে বলে মত দেন প্রধান উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি সম্পর্কে উচ্চ-স্তরের সম্মেলন’-এ বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণকে বাংলাদেশ উৎসাহিত করে।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে এই সম্মেলনে উচ্চ-স্তরের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আশা করেন।

তিনি, গত ১৩-১৬ মার্চ বাংলাদেশে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের ঐতিহাসিক সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার অধিকারের প্রতি সম্পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছেন।