যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই একগুচ্ছ নির্বাহী আদেশে সই করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মাধ্যমে জো বাইডেনের শাসনামলের ৭৮টি নির্বাহী আদেশ বাতিল করেছেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার (২০ জানুয়ারি) প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণের কিছুক্ষণ পরই তিনি সেসব নির্বাহী আদেশে সই করেছেন।
ট্রাম্পের অন্যতম প্রথম পদক্ষেপ ছিল প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহার। একই সঙ্গে ফেডারেল সরকারের বিভিন্ন নীতিমালায় পরিবর্তন এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে একটি আদেশ জারি করেন।
ওভাল অফিসে ফিরে ট্রাম্প আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদেশে সই করেন। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে জরুরি অবস্থা ঘোষণা এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ইস্যুতে নির্দেশনা। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল হিলে হামলায় অভিযুক্ত ১ হাজার ৫০০ জনের সাধারণ ক্ষমার ঘোষণাও রয়েছে তার আদেশের মধ্যে।
এর আগে ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল ওয়ান অ্যারেনার মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম ভাষণে ট্রাম্প বলেন, শিগগিরই বাইডেন আমলের সব নির্বাহী আদেশ বাতিল করবেন তিনি।
তার কিছুক্ষণ পরই ট্রাম্প যেসব নির্বাহী আদেশে সই করেছেন তার মধ্যে শুরুতেই তিনি বাইডেন আমলের ৭৮টি নির্বাহী আদেশ বাতিল করেন। স্থগিতাদেশে সই করার পর ট্রাম্প জনতার উদ্দেশ্যে সেটি তুলে ধরে দেখান।
শপথ অনুষ্ঠানে ক্যাপিটল ভবনের ভেতরে ধর্মীয় গ্রন্থ বাইবেলের ওপর হাত রেখে ট্রাম্প শপথ গ্রহণ করেন। শপথ পাঠ করান প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস। অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, তার স্ত্রী জিল বাইডেনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তীব্র ঠান্ডার কারণে ক্যাপিটল ভবনের ভেতরে শপথ গ্রহণের আয়োজন করা হয়। ১৯৮৫ সালে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানও একই কারণে ভেতরে শপথ নিয়েছিলেন।
দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে ট্রাম্প দ্রুত নীতিমালা পরিবর্তনের মাধ্যমে তার প্রশাসনের কৌশলগত লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
























































