বৃহস্পতিবার | ১ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন মামদানি Logo শামীমের লড়াই ম্লান করে সিলেটের টানা দ্বিতীয় জয় Logo ভালোবাসা আর স্মৃতিতে অমলিন খালেদা জিয়া, কবর জিয়ারতে মানুষের ঢল Logo নিষেধাজ্ঞায় থমকে গেল সুন্দরবনের কাঁকড়া শিকার, অনিশ্চয়তায় কয়রার জেলেপাড়া Logo খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কামরুল হাসান Logo রাতে হাসপাতাল ও এতিমখানায় গিয়ে কম্বল বিতরণ করলেন ইউএনও Logo জন্মদিন পালন না করে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়ার আয়োজন জাবি ছাত্রদল নেতার Logo পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন Logo তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চাঁদপুরে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত Logo অস্ত্র কিনতে এসে খাগড়াছড়িতে আটক রাঙ্গুনিয়ার আইয়ুব

ইন্টারনেটে অপমানিত বাংলাদেশীর জন্য সৌদিদের ভালোবাসা!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:৪১:৫৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৮৫৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

রিয়াদে সোনার দোকানের অলংকারের দিকে তাকিয়ে থাকা এক বাংলাদেশীর ছবি নিয়ে ইন্টারনেটে করা অপমানসূচক মন্তব্যে মর্মাহত হয়ে তাকে খুঁজে বের করে নানা মূল্যবান উপহার দিচ্ছেন সৌদি আরবের লোকেরা।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ক্লিনার হিসেবে কাজ করেন ৬৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী নাজের আল-ইসলাম আবদুল করিম। বেতন পান ৭০০ রিয়াল ।
ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল জানাচ্ছে, কয়েকদিন আগে ইনস্টাগ্রামে এক ব্যক্তি তার একটি ছবি পোস্ট করেন – যাতে দেখা যায় একটি সোনার দোকানের জানালায় সাজিয়ে রাখা অলংকারের দিকে তাকিয়ে আছেন আবদুল করিম।
ছবিটির সাথে ওই ইউজার মন্তব্য করেন : ‘এই লোকটি শুধু আবর্জনার দিকে তাকিয়ে থাকার উপযুক্ত।’ ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

কিন্তু এই অপমানসূচক মন্তব্য আহত করে আবদুল্লাহ আল-কাহতানি নামে এক টুইটার ব্যবহারকারীকে। তার একাউন্টের নাম হচ্ছে ‘এনসানিয়াত’ বা ‘মানবিকতা’ ।
তিনি এতটাই সমবেদনা বোধ করেন আবদুল করিমের প্রতি – যে তিনি তাকে খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেন।
তার এই উদ্যোগ টুইটারে সাড়ে ৬ হাজার বার শেয়ার হয়। নানাভাবে সন্ধান চালিয়ে, ছবিটি পরীক্ষা করে অবশেষে আবদুল করিমকে খুঁজে বের করাও হয়।
তার পর টুইটার ব্যবহারকারী অন্য সৌদি নাগরিকরা আবদুল করিমকে নানা রকম উপহার পাঠাতে থাকেন।

উপহারের মধ্যে আছে আইফোন সেভেনসহ দুটি মোবাইল ফোন, চালের ব্যাগ, মধু, নগদ টাকা, ঢাকায় যাবার জন্য প্লেনের টিকেট, এবং সোনার অলংকার।
আল-কাহতানি সিএনএনকে বলেছেন, যারা আবদুল করিমকে খুঁজে বের করতে সহায়তা করেছেন তাদের তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
আর আবদুল করিম বলছেন, ওই পৌরসভার ক্লিনার হিসেবে তিনি তার কাজই করছিলেন। সোনার দোকানের সামনে থাকার সময় কেউ যে তার ছবি তুলেছে তা তিনি টেরই পাননি।
তবে এতরকম উপহার পেয়ে তিনি খুবই খুশি, বলেছেন আবদুল করিম।

ট্যাগস :

নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন মামদানি

ইন্টারনেটে অপমানিত বাংলাদেশীর জন্য সৌদিদের ভালোবাসা!

আপডেট সময় : ০৬:৪১:৫৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

রিয়াদে সোনার দোকানের অলংকারের দিকে তাকিয়ে থাকা এক বাংলাদেশীর ছবি নিয়ে ইন্টারনেটে করা অপমানসূচক মন্তব্যে মর্মাহত হয়ে তাকে খুঁজে বের করে নানা মূল্যবান উপহার দিচ্ছেন সৌদি আরবের লোকেরা।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ক্লিনার হিসেবে কাজ করেন ৬৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী নাজের আল-ইসলাম আবদুল করিম। বেতন পান ৭০০ রিয়াল ।
ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল জানাচ্ছে, কয়েকদিন আগে ইনস্টাগ্রামে এক ব্যক্তি তার একটি ছবি পোস্ট করেন – যাতে দেখা যায় একটি সোনার দোকানের জানালায় সাজিয়ে রাখা অলংকারের দিকে তাকিয়ে আছেন আবদুল করিম।
ছবিটির সাথে ওই ইউজার মন্তব্য করেন : ‘এই লোকটি শুধু আবর্জনার দিকে তাকিয়ে থাকার উপযুক্ত।’ ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

কিন্তু এই অপমানসূচক মন্তব্য আহত করে আবদুল্লাহ আল-কাহতানি নামে এক টুইটার ব্যবহারকারীকে। তার একাউন্টের নাম হচ্ছে ‘এনসানিয়াত’ বা ‘মানবিকতা’ ।
তিনি এতটাই সমবেদনা বোধ করেন আবদুল করিমের প্রতি – যে তিনি তাকে খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেন।
তার এই উদ্যোগ টুইটারে সাড়ে ৬ হাজার বার শেয়ার হয়। নানাভাবে সন্ধান চালিয়ে, ছবিটি পরীক্ষা করে অবশেষে আবদুল করিমকে খুঁজে বের করাও হয়।
তার পর টুইটার ব্যবহারকারী অন্য সৌদি নাগরিকরা আবদুল করিমকে নানা রকম উপহার পাঠাতে থাকেন।

উপহারের মধ্যে আছে আইফোন সেভেনসহ দুটি মোবাইল ফোন, চালের ব্যাগ, মধু, নগদ টাকা, ঢাকায় যাবার জন্য প্লেনের টিকেট, এবং সোনার অলংকার।
আল-কাহতানি সিএনএনকে বলেছেন, যারা আবদুল করিমকে খুঁজে বের করতে সহায়তা করেছেন তাদের তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
আর আবদুল করিম বলছেন, ওই পৌরসভার ক্লিনার হিসেবে তিনি তার কাজই করছিলেন। সোনার দোকানের সামনে থাকার সময় কেউ যে তার ছবি তুলেছে তা তিনি টেরই পাননি।
তবে এতরকম উপহার পেয়ে তিনি খুবই খুশি, বলেছেন আবদুল করিম।