বুধবার | ২১ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর মতবিনিময়, খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া হ্যাঁ ভোটের পক্ষে থাকার আহ্বান Logo প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস সুফিবাদী সমাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন — মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক আহসান উল্লাহ Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ Logo খুবিতে ফ্যাক্টচেকিং এন্ড ডিজিটাল ভেরিফিকেশন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo প্রতীক পেলেন চাঁদপুরের পাঁচ আসনের ৩৫ প্রার্থী, জমে উঠছে নির্বাচনী মাঠ Logo সংসদ নির্বাচন: ৩০৫ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, লড়াইয়ে ১,৯৬৭ প্রার্থী

শেষ মুহূর্তে সমঝোতা, বছরে ৩০ হাজার কোটি ডলার পাবে দরিদ্র দেশগুলো

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:৩১ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭৭৮ বার পড়া হয়েছে

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দরিদ্র দেশগুলোকে বছরে ৩০ হাজার কোটি ডলার সহায়তা দিতে একমত হয়েছে ধনী দেশগুলো, যার মধ্যে রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র।

রবিবার (২৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় ভোরে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের (কপ-২৯) শেষ মুহূর্তে এই চুক্তি হয়। খবর রয়টার্সের।

সমঝোতা অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর এই সহায়তা দেওয়া হবে। ধনী দেশগুলোর জলবায়ু তহবিলে জমা করা অর্থ দিয়ে দরিদ্র দেশগুলো তাদের অর্থনীতিকে পরিবেশবান্ধব করতে এবং জলবায়ু সংকট থেকে উদ্ভূত দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যবহার করবে।

এর আগে, ধনী দেশগুলো প্রতি বছর জলবায়ু তহবিলে ১০ হাজার কোটি (১০০ বিলিয়ন) ডলার জমা দিচ্ছিল। তবে দরিদ্র দেশগুলোর দাবি ছিল এই অর্থ পর্যাপ্ত নয়। ফলে সম্মেলনের সময় বাড়িয়ে আরো একদিন আলোচনা করা হয়। অবশেষে দরিদ্র দেশগুলোর অনুরোধে ধনী দেশগুলো বছরে ৩০ হাজার কোটি (৩০০ বিলিয়ন) ডলার অর্থায়নে রাজি হয়।

সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে একটি বৈশ্বিক বাজার তৈরির চুক্তিও হয়েছে। এই বাজারে ‘কার্বন ক্রেডিট’ বেচাকেনা করতে পারবে দেশগুলো। দরিদ্র দেশগুলো বৃক্ষরোপণ, বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে ‘কার্বন ক্রেডিট’ অর্জন করতে পারবে।

এর আগে শুক্রবার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল দরিদ্র দেশগুলোকে বছরে ২৫ হাজার কোটি ডলার দেওয়ার। কিন্তু বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশ এই প্রস্তাব নাকচ করে। তাদের দাবি ছিল, ক্ষতিপূরণ হিসেবে বছরে অন্তত ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি ডলার প্রয়োজন। পরে দীর্ঘ আলোচনার পর বছরে ৩০ হাজার কোটি ডলারের সমঝোতায় পৌঁছায় সব পক্ষ।

এই চুক্তি দরিদ্র দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন

শেষ মুহূর্তে সমঝোতা, বছরে ৩০ হাজার কোটি ডলার পাবে দরিদ্র দেশগুলো

আপডেট সময় : ১১:১৮:৩১ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৪

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দরিদ্র দেশগুলোকে বছরে ৩০ হাজার কোটি ডলার সহায়তা দিতে একমত হয়েছে ধনী দেশগুলো, যার মধ্যে রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র।

রবিবার (২৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় ভোরে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের (কপ-২৯) শেষ মুহূর্তে এই চুক্তি হয়। খবর রয়টার্সের।

সমঝোতা অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর এই সহায়তা দেওয়া হবে। ধনী দেশগুলোর জলবায়ু তহবিলে জমা করা অর্থ দিয়ে দরিদ্র দেশগুলো তাদের অর্থনীতিকে পরিবেশবান্ধব করতে এবং জলবায়ু সংকট থেকে উদ্ভূত দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যবহার করবে।

এর আগে, ধনী দেশগুলো প্রতি বছর জলবায়ু তহবিলে ১০ হাজার কোটি (১০০ বিলিয়ন) ডলার জমা দিচ্ছিল। তবে দরিদ্র দেশগুলোর দাবি ছিল এই অর্থ পর্যাপ্ত নয়। ফলে সম্মেলনের সময় বাড়িয়ে আরো একদিন আলোচনা করা হয়। অবশেষে দরিদ্র দেশগুলোর অনুরোধে ধনী দেশগুলো বছরে ৩০ হাজার কোটি (৩০০ বিলিয়ন) ডলার অর্থায়নে রাজি হয়।

সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে একটি বৈশ্বিক বাজার তৈরির চুক্তিও হয়েছে। এই বাজারে ‘কার্বন ক্রেডিট’ বেচাকেনা করতে পারবে দেশগুলো। দরিদ্র দেশগুলো বৃক্ষরোপণ, বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে ‘কার্বন ক্রেডিট’ অর্জন করতে পারবে।

এর আগে শুক্রবার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল দরিদ্র দেশগুলোকে বছরে ২৫ হাজার কোটি ডলার দেওয়ার। কিন্তু বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশ এই প্রস্তাব নাকচ করে। তাদের দাবি ছিল, ক্ষতিপূরণ হিসেবে বছরে অন্তত ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি ডলার প্রয়োজন। পরে দীর্ঘ আলোচনার পর বছরে ৩০ হাজার কোটি ডলারের সমঝোতায় পৌঁছায় সব পক্ষ।

এই চুক্তি দরিদ্র দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হবে।