মঙ্গলবার | ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী Logo স্টুডেন্ট স্কয়ার: শিক্ষার্থী থেকেই টেকসই পরিবর্তনের সূচনা Logo কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo এনবিআরের ওয়েবসাইটে এইচএস কোডভিত্তিক আমদানি তথ্য প্রকাশ Logo গাজীপুর-৪ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে তৌফিক সুলতান স্যারের ‘জ্ঞানের জগৎ’ বই Logo পবিত্র লাইলাতুল বরাত আনজুমান ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য

নির্মাণ শ্রমিক তসবিরের মৃত্যু বিচার চেয়ে দোকান মালিকের সাংবাদিক সম্মেলন

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:০৭:০২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭৬৪ বার পড়া হয়েছে

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত নির্মাণ শ্রমিক তসবির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ঘর ও জমির মালিক মনোয়ারুল ইসলাম টুটুল। গতকাল শনিবার তিনি সংবাদ সম্মেলনে গত ১১ আগস্ট প্রতিপক্ষরা কীভাবে তাদের ওপর সশস্ত্র হামলা করে রক্তাক্ত জখম করে এবং পরবর্তীতে আহত নির্মাণ শ্রমিক তসবির চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ৪ সেপ্টেম্বর দিন গত রাতে তসবিরের নিজ বাড়িতে মারা যান তার বিবরণ তুলে ধরেন।

মনোয়ারুল ইসলাম টুটুল জানান, গত ১১ আগস্ট বেলা ১১ টার দিকে আলমডাঙ্গার টার্মিনাল পাড়ায় তার দখলে থাকা ক্রয়কৃত জমির ওপর নির্মিত দোকান ঘর সংস্কারের কাজ করছিলেন। সাড়ে ১১ টার দিকে গোবিন্দপুর বাসস্ট্যান্ড পাড়ার মৃত আবু বকরের দুই ছেলে উসমান ও মহিউদ্দিন, একই গ্রামের রেজাউলের ছেলে তিতান ও মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মুকুল আমার ওপর অতর্কিত সশস্ত্র হামলা চালায়। এসময় তাকে বাঁচাতে তার দোকানের নির্মাণ শ্রমিক তসবিরসহ তানভীর ও আমিন এগিয়ে এলে তাদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় প্রতিপক্ষরা। আমরা রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে গড়াগড়ি খেয়ে চিৎকার করে বাঁচার আকুতি জানাতে থাকি। কিন্তু প্রতিপক্ষ মুকুল, উসমান, মহিউদ্দিন ও তিতান তাদের হাতে থাকা রামদা ও লাঠিসোটা দিয়ে আমাদের কোপাতে ও বেধড়ক পেটাতে থাকে। এসময় পথচারীরা এগিয়ে এলে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

লিখিত অভিযোগে মনোয়ারুল ইসলাম টুটুল জানান, রক্তাক্ত আহত তাদের চারজনকে পথচারীরা উদ্ধার করে আলমডাঙ্গার ফাতেমা টাওয়ারে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের ৪ জনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। হাসপাতালে থেকে ফিরে এসে বাড়ি চিকিৎসা নিতে থাকি। রক্তাক্ত আহত সবার চিকিৎসা খরচ বহন করেন তিনি আরো জানান, আমরা ধীরে ধীরে সুস্থ হলেও আমার দোকান ঘরের নির্মাণ শ্রমিক তসবির ৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

তিনি বলেন, গত ১১ আগস্ট আমাদের ওপর অতর্কিত সশস্ত্র হামলায় রক্তাক্ত জখমের ঘটনায় আসামি মুকুল, উসমান, রেজাউল ও তিতানের নাম উল্লেখ করে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এতবড় একটি রক্তাক্ত হামলার ঘটনায় একজন মারা গেলেও এখন পর্যন্ত আসামি কেউ গ্রেফতার হয়নি। তিনি এব্যাপারে প্রশাসনের কাছে সুবিচার প্রার্থনা করেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

নির্মাণ শ্রমিক তসবিরের মৃত্যু বিচার চেয়ে দোকান মালিকের সাংবাদিক সম্মেলন

আপডেট সময় : ০১:০৭:০২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত নির্মাণ শ্রমিক তসবির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ঘর ও জমির মালিক মনোয়ারুল ইসলাম টুটুল। গতকাল শনিবার তিনি সংবাদ সম্মেলনে গত ১১ আগস্ট প্রতিপক্ষরা কীভাবে তাদের ওপর সশস্ত্র হামলা করে রক্তাক্ত জখম করে এবং পরবর্তীতে আহত নির্মাণ শ্রমিক তসবির চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ৪ সেপ্টেম্বর দিন গত রাতে তসবিরের নিজ বাড়িতে মারা যান তার বিবরণ তুলে ধরেন।

মনোয়ারুল ইসলাম টুটুল জানান, গত ১১ আগস্ট বেলা ১১ টার দিকে আলমডাঙ্গার টার্মিনাল পাড়ায় তার দখলে থাকা ক্রয়কৃত জমির ওপর নির্মিত দোকান ঘর সংস্কারের কাজ করছিলেন। সাড়ে ১১ টার দিকে গোবিন্দপুর বাসস্ট্যান্ড পাড়ার মৃত আবু বকরের দুই ছেলে উসমান ও মহিউদ্দিন, একই গ্রামের রেজাউলের ছেলে তিতান ও মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মুকুল আমার ওপর অতর্কিত সশস্ত্র হামলা চালায়। এসময় তাকে বাঁচাতে তার দোকানের নির্মাণ শ্রমিক তসবিরসহ তানভীর ও আমিন এগিয়ে এলে তাদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় প্রতিপক্ষরা। আমরা রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে গড়াগড়ি খেয়ে চিৎকার করে বাঁচার আকুতি জানাতে থাকি। কিন্তু প্রতিপক্ষ মুকুল, উসমান, মহিউদ্দিন ও তিতান তাদের হাতে থাকা রামদা ও লাঠিসোটা দিয়ে আমাদের কোপাতে ও বেধড়ক পেটাতে থাকে। এসময় পথচারীরা এগিয়ে এলে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

লিখিত অভিযোগে মনোয়ারুল ইসলাম টুটুল জানান, রক্তাক্ত আহত তাদের চারজনকে পথচারীরা উদ্ধার করে আলমডাঙ্গার ফাতেমা টাওয়ারে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের ৪ জনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। হাসপাতালে থেকে ফিরে এসে বাড়ি চিকিৎসা নিতে থাকি। রক্তাক্ত আহত সবার চিকিৎসা খরচ বহন করেন তিনি আরো জানান, আমরা ধীরে ধীরে সুস্থ হলেও আমার দোকান ঘরের নির্মাণ শ্রমিক তসবির ৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

তিনি বলেন, গত ১১ আগস্ট আমাদের ওপর অতর্কিত সশস্ত্র হামলায় রক্তাক্ত জখমের ঘটনায় আসামি মুকুল, উসমান, রেজাউল ও তিতানের নাম উল্লেখ করে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এতবড় একটি রক্তাক্ত হামলার ঘটনায় একজন মারা গেলেও এখন পর্যন্ত আসামি কেউ গ্রেফতার হয়নি। তিনি এব্যাপারে প্রশাসনের কাছে সুবিচার প্রার্থনা করেছেন।