শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ Logo রাবি ময়মনসিংহ জেলা সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা

রাজিব হত্যা : রানাসহ দুজন রিমান্ডে !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:০৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  • ৭৭৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ব্লগার রাজিব হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী রেদোয়ানুল আজাদ রানা ও আশরাফ নামে তার এক সহযোগীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা মহানগর হাকিম মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা-পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম সন্ত্রাসবিরোধ আইনে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
অপরদিকে আসামি রানার পক্ষে তার আইনজীবী হাফেজ আহমেদ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের শুনানি করেন। অপর আসামি আশরাফের পক্ষে আইনজীবী ছিল না।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে প্রত্যেকের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটি) ইউনিট তাদের গ্রেপ্তার করে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে পল্লবী থানা এলাকার ব্লগার রাজিব হায়দারকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিল রেদোয়ানুল আজাদ রানা। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর হত্যা মামলায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের কর্মকর্তারা বলেছেন, রাজীবকে হত্যার পর রেদোয়ানুল মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যান। তিনি আগে আল-কায়েদার মতাদর্শ অনুসরণকারী আনসারুল্লাহর সঙ্গে যুক্ত থাকলেও মালয়েশিয়ায় জঙ্গি সংগঠন আইএসের দিকে ঝুঁকে পড়েন। সিরিয়ায় যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। তিনি ফিলিপাইনে আবু সায়াফ জঙ্গি দলের কাছে যাওয়ার সময় মালয়েশিয়ায় ধরা পড়েন।

সোমবার রেদোয়ানুল ও আশরাফ নামে তার এক সহযোগীকে দেশে ফেরত পাঠায় মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ। পরে উত্তরা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। ইউনিটটির  প্রধান মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

রাজিব হত্যা : রানাসহ দুজন রিমান্ডে !

আপডেট সময় : ০৫:১৭:০৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ব্লগার রাজিব হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী রেদোয়ানুল আজাদ রানা ও আশরাফ নামে তার এক সহযোগীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা মহানগর হাকিম মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা-পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম সন্ত্রাসবিরোধ আইনে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
অপরদিকে আসামি রানার পক্ষে তার আইনজীবী হাফেজ আহমেদ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের শুনানি করেন। অপর আসামি আশরাফের পক্ষে আইনজীবী ছিল না।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে প্রত্যেকের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটি) ইউনিট তাদের গ্রেপ্তার করে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে পল্লবী থানা এলাকার ব্লগার রাজিব হায়দারকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিল রেদোয়ানুল আজাদ রানা। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর হত্যা মামলায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের কর্মকর্তারা বলেছেন, রাজীবকে হত্যার পর রেদোয়ানুল মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যান। তিনি আগে আল-কায়েদার মতাদর্শ অনুসরণকারী আনসারুল্লাহর সঙ্গে যুক্ত থাকলেও মালয়েশিয়ায় জঙ্গি সংগঠন আইএসের দিকে ঝুঁকে পড়েন। সিরিয়ায় যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। তিনি ফিলিপাইনে আবু সায়াফ জঙ্গি দলের কাছে যাওয়ার সময় মালয়েশিয়ায় ধরা পড়েন।

সোমবার রেদোয়ানুল ও আশরাফ নামে তার এক সহযোগীকে দেশে ফেরত পাঠায় মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ। পরে উত্তরা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। ইউনিটটির  প্রধান মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।