শুক্রবার | ১০ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন Logo আর্ককেইউ-বার্জার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন খুবির ৩১ শিক্ষার্থী Logo বিজয়ীর মহতী উদ্যোগে চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক অসহায় মানুষ Logo সদরপুরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে অবৈধ বালু লুট: নদীভাঙন ও কৃষিজমি ধ্বংসের আশঙ্কা Logo পেট্রোল নেয়াকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে ছুড়িকাঘাতে তিনজন আহত,গুরুতর ১জন রমেকে Logo তারেক রহমানের ছবি বিকৃতির প্রতিবাদে কয়রায় ছাত্রদল যুবদলের  বিক্ষোভ, প্রতীকী মূর্তি দাহ Logo বোতলজাত ভোজ্য তেল বাজার থেকে উধাও এর প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা ক্যাবের মানববন্ধন Logo কয়রায় ঝড়ে নৌকাডুবি, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত; নিখোঁজ দুই জেলের খোঁজ মেলেনি Logo চাঁদপুরে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

সাবমেরিন কেবল জটিলতায় ইন্টারনেট সেবায় ধীরগতি

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:১১:০১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২০
  • ৮৩১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বালু তুলতে গিয়ে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল লাইন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। গ্রাহকেরা ইন্টারনেটের ধীরগতির সমস্যায় পড়ছেন।

আজ রোববার দুপুরে পটুয়াখালীতে এ ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় লোকজন এক্সকাভেটর দিয়ে বালু তুলতে গিয়ে সাবমেরিন কেবলের (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) পাওয়ার সাপ্লাই ও অপটিক্যাল ফাইবার ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কতটুকু ক্ষতি হয়েছে, তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। এরপর বলা যাবে কখন ইন্টারনেটের ধীরগতির সমস্যার সমাধান হবে।

দেশে যে ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা হয়, তার প্রায় অর্ধেক দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল থেকে সরবরাহ করা হয়। ফলে এটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দেশের জন্য বিপদের কারণ। খবর পেয়েই মশিউর রহমান পটুয়াখালীর উদ্দেশে রওনা হন। বিকেল সোয়া চারটার দিকে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সাবমেরিন কেবল মাটির অনেক গভীরে। যারা কাজটি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

বাংলাদেশে ২০০৫ সালে প্রথম সাবমেরিন কেবল ‘সি-মি-উই-৪’ এ যুক্ত হয়। এরপর ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে সি-মি-উই-৫ সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হয়। এর মাধ্যমে সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন কেবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইট (জিবি) গতির ব্যান্ডউইথ পায় বাংলাদেশ।

ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) অপারেটর ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ সাবির প্রথম আলোকে বলেন, দেশের মোট ব্যান্ডউইথ চাহিদার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ আসে সি-মি-উই-৫ দিয়ে। সেটি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত ইন্টারনেটের ধীরগতি থাকবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন

সাবমেরিন কেবল জটিলতায় ইন্টারনেট সেবায় ধীরগতি

আপডেট সময় : ১১:১১:০১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২০

নিউজ ডেস্ক:

বালু তুলতে গিয়ে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল লাইন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। গ্রাহকেরা ইন্টারনেটের ধীরগতির সমস্যায় পড়ছেন।

আজ রোববার দুপুরে পটুয়াখালীতে এ ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় লোকজন এক্সকাভেটর দিয়ে বালু তুলতে গিয়ে সাবমেরিন কেবলের (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) পাওয়ার সাপ্লাই ও অপটিক্যাল ফাইবার ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কতটুকু ক্ষতি হয়েছে, তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। এরপর বলা যাবে কখন ইন্টারনেটের ধীরগতির সমস্যার সমাধান হবে।

দেশে যে ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা হয়, তার প্রায় অর্ধেক দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল থেকে সরবরাহ করা হয়। ফলে এটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দেশের জন্য বিপদের কারণ। খবর পেয়েই মশিউর রহমান পটুয়াখালীর উদ্দেশে রওনা হন। বিকেল সোয়া চারটার দিকে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সাবমেরিন কেবল মাটির অনেক গভীরে। যারা কাজটি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

বাংলাদেশে ২০০৫ সালে প্রথম সাবমেরিন কেবল ‘সি-মি-উই-৪’ এ যুক্ত হয়। এরপর ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে সি-মি-উই-৫ সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হয়। এর মাধ্যমে সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন কেবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইট (জিবি) গতির ব্যান্ডউইথ পায় বাংলাদেশ।

ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) অপারেটর ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ সাবির প্রথম আলোকে বলেন, দেশের মোট ব্যান্ডউইথ চাহিদার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ আসে সি-মি-উই-৫ দিয়ে। সেটি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত ইন্টারনেটের ধীরগতি থাকবে।