নিউজ ডেস্ক:দামুড়হুদার রঘুনাথপুরে তুচ্ছ ঘটনায় বিরোধের জের ধরে শাহিন নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা মামলার আসামি আলম বিশ্বাসকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার বিকেলে আসামির উপস্থিতিতে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহা. রবিউল ইসলাম এ রায় দেন। রায় ঘোষণার পর আসামিকে পুলিশ প্রহরায় চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে নেওয়া হয়। দ-প্রাপ্ত আসামি আলম বিশ্বাস দামুড়হুদার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আজিজ বিশ্বাসের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাসের দুই ছেলে শাহিন ও রাসেল বিশ্বাসের সঙ্গে একই গ্রামের ডালিম বিশ্বাসের পূর্ববিরোধ ছিল। ২০১৪ সালের ৪ এপ্রিল সকালে ডালিম বিশ্বাস গ্রামে প্রকাশ্যে বসে গাঁজা সেবন করছিলেন, তা দেখে রাসেল বিশ্বাস নিষেধ করেন। এরই জের ধরে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাসেলের ছোট ভাই শাহিনও ঘটনাস্থলে এলে স্থানীয় লোকজন উভয় পক্ষকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। বাড়ি ফেরার পথে গ্রামের একটি চায়ের দোকানের সামনে শাহিনকে একা পেয়ে লোহার রড, বাটাম দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে হত্যা করেন আলম বিশ্বাস, তাঁর ছেলে ডালিম বিশ্বাসসহ বেশ কয়েকজন মিলে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসাপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় নিহতের পিতা আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাস বাদী হয়ে দামুড়হুদা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দামুড়হুদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু জাহের ভূঁইয়া দুইজনকে অভিযুক্ত করে ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এ মামলায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার বিকেলে আসামির উপস্থিতিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আলম বিশ্বাসকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও অন্য আসামি ডালিম বিশ্বাসকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।





















































