সোমবার | ৩০ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বিএড প্রথম বর্ষের ফরম পূরণের সময় বাড়ালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় Logo সুন্দরবনে ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণ মৌসুম শুরু, প্রস্তুত মৌয়ালরা—তবে ডাকাত আতঙ্কে অনিশ্চয়তা Logo বীরগঞ্জে দুই সিনটা ট্যাবলেট ব্যবসায়ী আটক Logo বীরগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ী হতে জ্বালানি তেল উদ্ধার Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা. ইউনুস আলীর যোগদান Logo পলাশবাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলার লাল সংকেত: হামলা, হত্যাকাণ্ড ও কিশোর সহিংসতায় উদ্বেগজনক চিত্র Logo নেতাকর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালি খুলতে হবে: ‘ট্রাম্প Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রমে গতি আনতে বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo ভান্ডারিয়ায় পূর্ব সত্রুতার জেরে হামলা আহত ১

ঝিনাইদহে ১০ মাসে ১১২ জন ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:৫৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯
  • ৭৪৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহ জেলায় নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনা উদ্বেগজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি মাসেই সাতজন নারী ও শিশু ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। গত অক্টোবর মাসে ১৬ জনের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এ ছাড়া ১০ মাসে ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে ১১২ জনের। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের পরিসংখ্যান বিভাগের থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। হাসপাতালের অফিস সহকারী মো. ফেরদৌস হোসেন জানান, জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুরা ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে আসেন। সবার পরীক্ষা যে পজেটিভ আসে, তা কিন্তু না। অনেক সময় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়েও মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘সত্য মিথ্যা যায় হোক, পরীক্ষা করে আমরা রিপোর্ট যথাস্থানে পৌঁছে দিই।’ বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিটি ধর্ষণ ঘটনায় মামলা ও ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএড প্রথম বর্ষের ফরম পূরণের সময় বাড়ালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

ঝিনাইদহে ১০ মাসে ১১২ জন ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা

আপডেট সময় : ০১:০৯:৫৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহ জেলায় নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনা উদ্বেগজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি মাসেই সাতজন নারী ও শিশু ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। গত অক্টোবর মাসে ১৬ জনের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এ ছাড়া ১০ মাসে ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে ১১২ জনের। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের পরিসংখ্যান বিভাগের থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। হাসপাতালের অফিস সহকারী মো. ফেরদৌস হোসেন জানান, জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুরা ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে আসেন। সবার পরীক্ষা যে পজেটিভ আসে, তা কিন্তু না। অনেক সময় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়েও মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘সত্য মিথ্যা যায় হোক, পরীক্ষা করে আমরা রিপোর্ট যথাস্থানে পৌঁছে দিই।’ বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিটি ধর্ষণ ঘটনায় মামলা ও ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে।