শনিবার | ২১ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ Logo চাঁদপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ Logo বড়স্টেশন প্রধানীয়া বাড়ির মানবিক উদ্যোগ: ৫ শতাধিক অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ Logo ইসলামী আন্দোলন চাঁদপুর জেলা সভাপতির ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি যাওয়ার আগে বাসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান তানিয়া ইশতিয়াকের Logo শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের ঈদ উপহার বিতরণ Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ

ঝিনাইদহে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও পাখি ভ্যানে তছনছ ট্রাফিক ব্যাবস্থা, থামছেই না ইজিবাইক ও পাখি ভ্যানের দাপট !

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:২১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৮
  • ৮৪৩ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ থেকে জাহিদুর রহমান তারিকঃ  ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও পাখি ভ্যানে তছনছ ট্রাফিক ব্যাবস্থা। যে দিকে চোখ যায় শহরের সব খানেই ইজিবাইকের দাপট। কোন ভাবেই এ দুটি যানবাহন নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না। নিয়ন্ত্রনহীন এই যানবাহনের কারণে একদিকে যেমন যানজট লেগেই আছে অন্যদিকে ছোটখাট দুর্ঘটনাও যেন পথচারীদের পিছু ছাড়ছে না। ইজিবাইকের এলইডি লাইটিং ব্যবস্থা পথচারীদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দেখা দিচ্ছে। জেলা প্রশাসক ও পৌরসভার পক্ষ থেকে ইজিবাইক কেনাবেঁচা বন্ধ করার নির্দেশনা দিলেও শহরের ৫টি দোকানে চুরি করে তারা ইজিবাইক বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ৫/৭টি করে ইজিবাইক বিক্রি হচ্ছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, জেলায় ইজিবাইকের সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই। ঝিনাইদহ ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক (এ্যাডমিন) কৃষ্ণপদ সরকার জানান, সারা জেলায় অনুমোদিত ইজিবাই আছে দুই হাজার। এছাড়া সারা জেলায় এক হাজার রয়েছে লাইসেন্স বিহীন। অন্যদিকে ইজিবাইক বিক্রেতারা জানিয়েছেন ঝিনাইদহ জেলায় ইজিবাইকের সংখ্যা ১০ হাজার হবে। তারা এ পর্যন্ত এ রকম সংখ্যাই বিক্রি করেছেন। প্রতিটি উপজেলায় ইজিবাইকের শো রুম আছে। প্রতিদিন নতুন নতুন ইজিবাইক রাস্তা দখল করছে। জানা গেছে, এখন শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত মানুষের চলাচলের যানবাহন হয়েছে ইজিবাইক। পৌরসভা থেকে লাইসেন্স প্রদান করা হলেও ড্রাইভারদের কোন লাইন্সে নেই। ফলে অদক্ষ যে কেউ এক দিনে চালক বনে যাচ্ছে। ইজিবাইকের কারণ শহর থেকে প্যাডেল চালিত রিক্সা ভ্যান উঠে গেছে। রিক্সা ও ভ্যানে লাগানো হয়েছে ব্যাটারি। এ দুই যানবাহনের নাম হয়েছে পাখি ভ্যান। পাখির মতো নিয়ন্ত্রনহীন ছুটে চলে এ সব পরিবহন। পথচারিদের অভিযোগ ঝিনাইদহ শহরে যানজটের মুল কারণ হচ্ছে এ সব ব্যাটারি চালিত যানবহন। ঝিনাইদহ ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক (এ্যাডমিন) কৃষ্ণপদ সরকার জানান, আমরা যানজট নরসনের জন্য প্রতি নিয়ত ইজিবাইকের কাগজপত্র চেক করছি। শহরে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রনে আছে। তিনি আরও বলেন, ট্রাফিক পুলিশরা চেক করার কারণে পৌরসভাগুলোতে রাজস্ব বেড়ে গেছে। মানবিক কারণ ছাড়া বাইরের ইজিবাইক আমরা শহরে প্রবেশ করতে দিচ্ছি না। তিনি বলেন শহরে ছাড়া তো আর কোথাও এই যানবাহন তেমন একটা চলে না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঝিনাইদহে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও পাখি ভ্যানে তছনছ ট্রাফিক ব্যাবস্থা, থামছেই না ইজিবাইক ও পাখি ভ্যানের দাপট !

আপডেট সময় : ১১:৪১:২১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৮

ঝিনাইদহ থেকে জাহিদুর রহমান তারিকঃ  ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও পাখি ভ্যানে তছনছ ট্রাফিক ব্যাবস্থা। যে দিকে চোখ যায় শহরের সব খানেই ইজিবাইকের দাপট। কোন ভাবেই এ দুটি যানবাহন নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না। নিয়ন্ত্রনহীন এই যানবাহনের কারণে একদিকে যেমন যানজট লেগেই আছে অন্যদিকে ছোটখাট দুর্ঘটনাও যেন পথচারীদের পিছু ছাড়ছে না। ইজিবাইকের এলইডি লাইটিং ব্যবস্থা পথচারীদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দেখা দিচ্ছে। জেলা প্রশাসক ও পৌরসভার পক্ষ থেকে ইজিবাইক কেনাবেঁচা বন্ধ করার নির্দেশনা দিলেও শহরের ৫টি দোকানে চুরি করে তারা ইজিবাইক বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ৫/৭টি করে ইজিবাইক বিক্রি হচ্ছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, জেলায় ইজিবাইকের সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই। ঝিনাইদহ ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক (এ্যাডমিন) কৃষ্ণপদ সরকার জানান, সারা জেলায় অনুমোদিত ইজিবাই আছে দুই হাজার। এছাড়া সারা জেলায় এক হাজার রয়েছে লাইসেন্স বিহীন। অন্যদিকে ইজিবাইক বিক্রেতারা জানিয়েছেন ঝিনাইদহ জেলায় ইজিবাইকের সংখ্যা ১০ হাজার হবে। তারা এ পর্যন্ত এ রকম সংখ্যাই বিক্রি করেছেন। প্রতিটি উপজেলায় ইজিবাইকের শো রুম আছে। প্রতিদিন নতুন নতুন ইজিবাইক রাস্তা দখল করছে। জানা গেছে, এখন শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত মানুষের চলাচলের যানবাহন হয়েছে ইজিবাইক। পৌরসভা থেকে লাইসেন্স প্রদান করা হলেও ড্রাইভারদের কোন লাইন্সে নেই। ফলে অদক্ষ যে কেউ এক দিনে চালক বনে যাচ্ছে। ইজিবাইকের কারণ শহর থেকে প্যাডেল চালিত রিক্সা ভ্যান উঠে গেছে। রিক্সা ও ভ্যানে লাগানো হয়েছে ব্যাটারি। এ দুই যানবাহনের নাম হয়েছে পাখি ভ্যান। পাখির মতো নিয়ন্ত্রনহীন ছুটে চলে এ সব পরিবহন। পথচারিদের অভিযোগ ঝিনাইদহ শহরে যানজটের মুল কারণ হচ্ছে এ সব ব্যাটারি চালিত যানবহন। ঝিনাইদহ ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক (এ্যাডমিন) কৃষ্ণপদ সরকার জানান, আমরা যানজট নরসনের জন্য প্রতি নিয়ত ইজিবাইকের কাগজপত্র চেক করছি। শহরে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রনে আছে। তিনি আরও বলেন, ট্রাফিক পুলিশরা চেক করার কারণে পৌরসভাগুলোতে রাজস্ব বেড়ে গেছে। মানবিক কারণ ছাড়া বাইরের ইজিবাইক আমরা শহরে প্রবেশ করতে দিচ্ছি না। তিনি বলেন শহরে ছাড়া তো আর কোথাও এই যানবাহন তেমন একটা চলে না।