শুক্রবার | ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ উপহার Logo রাষ্ট্র বিনির্মাণের ডাক: সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ঝালকাঠিতে গনভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo ১৭ জানুয়ারি বায়রার ভোট গ্রহণ: সিন্ডিকেট মুক্ত বায়রা গঠনে সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্টকে জয়যুক্ত করার আহ্বান Logo ঝালকাঠির নবগ্রাম বাজারে বসত ঘরে আগুন, অগ্নি দগ্ধ শিশু Logo ভারতীয় নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ Logo গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ

ঝিনাইদহে ধান বিক্রি করে কৃষকরা তাদের উৎপাদন খরচ না পেয়ে হতাশ, কৃষকরা আগ্রহ হারাচ্ছে ধান চাষে !

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:৪৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৮
  • ৮৭০ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ থেকে জাহিদুর রহমান তারিকঃ ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলার হাটবাজার গুলোতে দেখা মিলছে ধান বিক্রি করে কৃষকরা তাদের উৎপাদন খরচ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছে। আবার বেশি ক্ষতি গ্রস্থ’ হচ্ছে বর্গা চাষিরা। তারা জমির মালিককে জমি বর্গার টাকা ও ধান পরিশোধ করে উৎপাদন খরচই তুলতে পারছে না। বাধ্য হয়ে অনেক বর্গা চাষি জমির মালিককে জমি ফেরত দিচ্ছেন। আগ্রহ হারাচ্ছে ধান চাষ করতে। ধান চাষ বাদ দিয়ে তারা চায়ের দোকান, ইজি বাইক চালাচ্ছে। কিন্তু এত লোকসান খেতে চাচ্ছে না। ঝিনাইদহ কৃষি বিভাগ বলছে, এ জেলায় ২০১৮’সালে আবাদ করা হয় ৯৪’হাজার ৮’শ ৯২হেক্টর জমিতে। বর্তমানে ধান কাটার মৌসুম শুরু হয়েছে। তাতে করে কৃষকরা নাকি ধান বিক্রিতে ভাল দাম পাচ্ছে না। কালীগঞ্জ উপজেলার রামনগর গ্রামের মহিদুল ইসলাম কলেন, কয়েক বছর ৫০’শতক জমি বর্গা নিয়ে চাষ করে আসছি। যে পরিমাান ধান উৎপাদন হয়, জমির মালিকের টাকা পরিশোধ করার পর যা থাকে তা খাওয়া চলে। কয়েক মৌসুমে ধান চাষ করে মালিককে লিজের টাকা দেয়ার পর উৎপাদন খরচই ওঠেনি। বাধ্য হয়ে লিজের জমি ফেরত দিয়ে অন্য কাজ করতে বাধ্য হয়েছি। নওদাগ্রামের রফি উদ্দিন জানান, আমরা ধান চাষ করছি। লাভবান হচ্ছে রাইছ মিল মালিকেরা। তারা ধান কিনে ধানের গুড়া বিক্রি করছে। তাছাড়া ধানের দাম কম হলেও চালের দামতো আর কম নেই। বর্তমানে বাজারে ধান বিক্রি হয়েছে ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা প্রতি মন। বর্তমানে বর্গা চাষিরা ধানের আবাদ করে উৎপাদন খরচ তুলতে না পারার কারণে তারা আর ধান চাষ করবে না। যেহেতু খরচের তুলনায় উৎপাদন হচ্ছে কম। জমির মালিক কে চুক্তির টাকা বা ধান দিয়ে পরিশোধ করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে খরছের টাকা ও থাকছে না তাদের। যে কারণে ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে। সাধারন কৃষকরা ও ধান বিক্রি করে তাদের উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েছে। তারা বলছে এ লোকসান দিয়ে ধানচাষ করা সম্ভব না। ফলে তারা ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের

ঝিনাইদহে ধান বিক্রি করে কৃষকরা তাদের উৎপাদন খরচ না পেয়ে হতাশ, কৃষকরা আগ্রহ হারাচ্ছে ধান চাষে !

আপডেট সময় : ১১:৪৩:৪৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৮

ঝিনাইদহ থেকে জাহিদুর রহমান তারিকঃ ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলার হাটবাজার গুলোতে দেখা মিলছে ধান বিক্রি করে কৃষকরা তাদের উৎপাদন খরচ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছে। আবার বেশি ক্ষতি গ্রস্থ’ হচ্ছে বর্গা চাষিরা। তারা জমির মালিককে জমি বর্গার টাকা ও ধান পরিশোধ করে উৎপাদন খরচই তুলতে পারছে না। বাধ্য হয়ে অনেক বর্গা চাষি জমির মালিককে জমি ফেরত দিচ্ছেন। আগ্রহ হারাচ্ছে ধান চাষ করতে। ধান চাষ বাদ দিয়ে তারা চায়ের দোকান, ইজি বাইক চালাচ্ছে। কিন্তু এত লোকসান খেতে চাচ্ছে না। ঝিনাইদহ কৃষি বিভাগ বলছে, এ জেলায় ২০১৮’সালে আবাদ করা হয় ৯৪’হাজার ৮’শ ৯২হেক্টর জমিতে। বর্তমানে ধান কাটার মৌসুম শুরু হয়েছে। তাতে করে কৃষকরা নাকি ধান বিক্রিতে ভাল দাম পাচ্ছে না। কালীগঞ্জ উপজেলার রামনগর গ্রামের মহিদুল ইসলাম কলেন, কয়েক বছর ৫০’শতক জমি বর্গা নিয়ে চাষ করে আসছি। যে পরিমাান ধান উৎপাদন হয়, জমির মালিকের টাকা পরিশোধ করার পর যা থাকে তা খাওয়া চলে। কয়েক মৌসুমে ধান চাষ করে মালিককে লিজের টাকা দেয়ার পর উৎপাদন খরচই ওঠেনি। বাধ্য হয়ে লিজের জমি ফেরত দিয়ে অন্য কাজ করতে বাধ্য হয়েছি। নওদাগ্রামের রফি উদ্দিন জানান, আমরা ধান চাষ করছি। লাভবান হচ্ছে রাইছ মিল মালিকেরা। তারা ধান কিনে ধানের গুড়া বিক্রি করছে। তাছাড়া ধানের দাম কম হলেও চালের দামতো আর কম নেই। বর্তমানে বাজারে ধান বিক্রি হয়েছে ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা প্রতি মন। বর্তমানে বর্গা চাষিরা ধানের আবাদ করে উৎপাদন খরচ তুলতে না পারার কারণে তারা আর ধান চাষ করবে না। যেহেতু খরচের তুলনায় উৎপাদন হচ্ছে কম। জমির মালিক কে চুক্তির টাকা বা ধান দিয়ে পরিশোধ করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে খরছের টাকা ও থাকছে না তাদের। যে কারণে ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে। সাধারন কৃষকরা ও ধান বিক্রি করে তাদের উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েছে। তারা বলছে এ লোকসান দিয়ে ধানচাষ করা সম্ভব না। ফলে তারা ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে।