বুধবার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী Logo স্টুডেন্ট স্কয়ার: শিক্ষার্থী থেকেই টেকসই পরিবর্তনের সূচনা Logo কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo এনবিআরের ওয়েবসাইটে এইচএস কোডভিত্তিক আমদানি তথ্য প্রকাশ Logo গাজীপুর-৪ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে তৌফিক সুলতান স্যারের ‘জ্ঞানের জগৎ’ বই Logo পবিত্র লাইলাতুল বরাত আনজুমান ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য

কলেজ ছাত্র ইমরান হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসির আদেশ

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:৫০ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮
  • ৭৪৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহে কলেজ ছাত্র ইমরান হোসেন হত্যা মামলায় ৩ জনের বিরুদ্ধে ফাঁসির দন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক গোলাম আযম এ রায় দেন। দন্ডিতরা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ছোট কামারকুন্ডু গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে ইমরান হোসেন, আব্দুল মোমিন বিশ্বাসের ছেলে নাছিম বিশ্বাস ও শিকারপুর গ্রামের আব্দুল মতলেব মুন্সীর ছেলে মনিরুল ইসলাম মুকুল। এর মধ্যে আসামী নাছিম বিশ্বাস পলাতক রয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর শহরের লাউদিয়া মাদরাসার শিক্ষক একই গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে ও মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমান কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ইমরান হোসেন লাউদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে আফাঙ্গীরের চায়ের দোকানে চা পান করছিল। এ সময় আসামীরা মটরসাইকেল যোগে সেখানে আসে এবং কথা আছে বলে ডেকে নিয়ে যায়। পরদিন সদর উপজেলার শিকারপুর গ্রামের পদ্মপুকুর পাড় থেকে তার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২২ অক্টোবর নিহতের পিতা নজরুল ইসলাম ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ২৪ আগষ্ট ঢাকার আশুলিয়া থেকে আসামী ইমরান হোসেন, নাছিম বিশ্বাস ও মনিরুল ইসলাম মুকুলকে গ্রেফতার করে। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ৩০ জুন ৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জসিট দাখিল করে। আদালত সাক্ষ্য প্রমান শেষে রোববার আসামী ইমরান হোসেন, নাসিম বিশ্বাস ও মনিরুল ইসলাম মুকুলকে দোষি সাব্যস্ত করে ফাঁসির আদেশ দেন। পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। দন্ডিতদের মধ্যে নাসিম বিশ্বাস পলাতক রয়েছে। এ মামলায় অপর আসামী জাকির হোসেনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আসামী পক্ষে এড আনোয়ার উদ্দীন ও রাষ্ট্র পক্ষে এড আব্দুল খালেক মামলাটি পরিচালনা করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

কলেজ ছাত্র ইমরান হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসির আদেশ

আপডেট সময় : ০৯:০৭:৫০ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহে কলেজ ছাত্র ইমরান হোসেন হত্যা মামলায় ৩ জনের বিরুদ্ধে ফাঁসির দন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক গোলাম আযম এ রায় দেন। দন্ডিতরা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ছোট কামারকুন্ডু গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে ইমরান হোসেন, আব্দুল মোমিন বিশ্বাসের ছেলে নাছিম বিশ্বাস ও শিকারপুর গ্রামের আব্দুল মতলেব মুন্সীর ছেলে মনিরুল ইসলাম মুকুল। এর মধ্যে আসামী নাছিম বিশ্বাস পলাতক রয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর শহরের লাউদিয়া মাদরাসার শিক্ষক একই গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে ও মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমান কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ইমরান হোসেন লাউদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে আফাঙ্গীরের চায়ের দোকানে চা পান করছিল। এ সময় আসামীরা মটরসাইকেল যোগে সেখানে আসে এবং কথা আছে বলে ডেকে নিয়ে যায়। পরদিন সদর উপজেলার শিকারপুর গ্রামের পদ্মপুকুর পাড় থেকে তার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২২ অক্টোবর নিহতের পিতা নজরুল ইসলাম ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ২৪ আগষ্ট ঢাকার আশুলিয়া থেকে আসামী ইমরান হোসেন, নাছিম বিশ্বাস ও মনিরুল ইসলাম মুকুলকে গ্রেফতার করে। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ৩০ জুন ৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জসিট দাখিল করে। আদালত সাক্ষ্য প্রমান শেষে রোববার আসামী ইমরান হোসেন, নাসিম বিশ্বাস ও মনিরুল ইসলাম মুকুলকে দোষি সাব্যস্ত করে ফাঁসির আদেশ দেন। পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। দন্ডিতদের মধ্যে নাসিম বিশ্বাস পলাতক রয়েছে। এ মামলায় অপর আসামী জাকির হোসেনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আসামী পক্ষে এড আনোয়ার উদ্দীন ও রাষ্ট্র পক্ষে এড আব্দুল খালেক মামলাটি পরিচালনা করেন।