শনিবার | ৭ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ইরানের নেতৃত্বে ধর্মীয় নেতা এলেও আপত্তি নেই: ট্রাম্পের Logo দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo মার্কিন-ইসরায়েল গোটা বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় অন্তরায় -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo রোজাদারদের পাশে ‘আলোর দিশা’: দুই শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ Logo হিজলগাছের নিচে ধানের ক্ষেতে ইফতার: ভাওয়াল যুব কল্যাণ সংগঠনের অনন্য আয়োজন Logo এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফুটাতে চাঁদপুর ঢাবিয়ানের ইফতার ও ঈদ উপহার বিতরণ Logo খুবির সাতক্ষীরা এসোসিয়েশনে’র নেতৃত্বে পারভেজ-মোস্তফা Logo ঝিনাইদহে বিএনপি’র নেতা কর্মীদের পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালো আ.লীগ নেতা কর্মীরা! Logo স্বাধীনতা পদক ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা: চেনা ব্রাহ্মণের পৈতা লাগে না Logo সাফল্যে দেখাচ্ছে ‘ই-বেইলবন্ড’, আরও ৭ জেলায় চালুর উদ্যোগ

ছেলেদের বোতাম ডানদিকে আর মেয়েদের বাঁদিকে, কেন বলুন তো?

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৩:১৬:৫৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৮৬৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ছেলেদের পোশাকে বোতাম থাকে ডানদিকে। আর মেয়েদের বাঁদিকে। এ নিয়ে অনেক তত্ত্ব শোনা যায়, গল্পও। কোনওটাই খণ্ডন করার নয়। তেমনই কয়েকটি তত্ত্ব যুক্তি প্রকাশ করেছে এই সময়। যার প্রথমেই আছে, নেপোলিয়ান বোনাপার্টের গল্প। বিশ্বখ্যাত এ যোদ্ধার যে কোনও ছবিতেই দেখা যায়, তার ডান হাত কোর্টের ভিতরে ঢোকানো। এটা তখনই হয়, যদি কোটের বোতাম বাঁদিক থেকে ডানদিকে খুলতে হয়। মেয়েদের ডানহাতও নাকি সেভাবেই থাকত। যার জন্য অনেকেই নেপোলিয়ানকে নিয়ে হাসাহাসি করতেন । তা নেপোলিয়ানের কানেও গিয়েছিল। এর পর তাঁরই নির্দেশে মেয়েদের জামার বোতাম বাঁ-দিকে করে দেয়া হয়। রাজা-মহারাজাই হোন, বা অতি সাধারণ কেউ, পুরুষরা আদিকাল থেকে নিজের পোশাক নিজেরাই পরতেন। কিন্তু সম্পন্ন পরিবারের মেয়েদের জন্য বাড়িতে দাসী থাকত। তারাই মেয়েদের জামা পরিয়ে দিতেন। যেহেতু সেই দাসীদের বেশির ভাগই ডানহাতি বলে ধরে নেওয়া যায়, তাদের সুবিধার জন্যই মেয়েদের জামার বোতাম বাঁদিকে রাখা হতো। রাজাই হোক বা সেনানি, তাদের ডান হাতে ধরতে হয়েছে তলোয়ার। খালি বলতে বাঁ হাত। বাঁ হাতে বোতাম খোলাপরার সুবিধার জন্যই জামার বোতাম বসানো হত ডান দিকে। আর মহিলাদের ক্ষেত্রে বাচ্চাকে যেহেতু বাঁদিকে ধরতে হয়, তাই ডান হাত খালি থাকে। বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময় ডান হাতে বোতাম খুলতে হয়। সেক্ষেত্রে বোতাম ডানদিকে থাকলে খুলতে কষ্ট হতো। তা মাথায় রেখেই বাঁদিকে বোতাম বসানো হয়। পুরুষরা ঘোড়া নিয়ে ছুটলে রাস্তার বাঁদিক ঘেঁষেই যেতেন, যাতে ডান দিকে তলোয়ার চালাতে সুবিধা হয়। সেই তলোয়ার গোঁজা থাকত বাঁ-কোমরে। বের করার সময় তলোয়ার যাতে জামা বা কোটের বোতামের খাঁজে আটকে না যায়, তার জন্যই বোতাম বসানো হতো ডানদিকে। মেয়েরা যখন ঘোড়ায় চড়ত বা এখন বাইকে বসেন, দুটো পা-ই সাধারণত বাঁদিকে থাকে। শার্টের ভিতরে যাতে হাওয়া না ঢুকতে পারে, তার জন্যই বোতাম বসানো হয় বাঁদিকে। আরও একটি তত্ত্ব হল, মেয়েরা যে পুরুষদের থেকে কোনও অংশে কম নন, তা বোঝানোর জন্যই পুরুষের মতো জামা পরেছেন। তার পরেও বৈচিত্র্যর কথা ভেবে পরিকল্পিত ভাবেই মেয়েরা জামার বাঁদিকে বোতাম বসিয়েছেন। দর্জিকে একসঙ্গে গাদাগুচ্ছের জামা বানাতে হত। পুরুষ ও মহিলাদের জামা যাতে মিশে না যায়, চট করে আলাদা করে নেওয়ার সুবিধার জন্যই এই ব্যবস্থা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের নেতৃত্বে ধর্মীয় নেতা এলেও আপত্তি নেই: ট্রাম্পের

ছেলেদের বোতাম ডানদিকে আর মেয়েদের বাঁদিকে, কেন বলুন তো?

আপডেট সময় : ০৩:১৬:৫৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

ছেলেদের পোশাকে বোতাম থাকে ডানদিকে। আর মেয়েদের বাঁদিকে। এ নিয়ে অনেক তত্ত্ব শোনা যায়, গল্পও। কোনওটাই খণ্ডন করার নয়। তেমনই কয়েকটি তত্ত্ব যুক্তি প্রকাশ করেছে এই সময়। যার প্রথমেই আছে, নেপোলিয়ান বোনাপার্টের গল্প। বিশ্বখ্যাত এ যোদ্ধার যে কোনও ছবিতেই দেখা যায়, তার ডান হাত কোর্টের ভিতরে ঢোকানো। এটা তখনই হয়, যদি কোটের বোতাম বাঁদিক থেকে ডানদিকে খুলতে হয়। মেয়েদের ডানহাতও নাকি সেভাবেই থাকত। যার জন্য অনেকেই নেপোলিয়ানকে নিয়ে হাসাহাসি করতেন । তা নেপোলিয়ানের কানেও গিয়েছিল। এর পর তাঁরই নির্দেশে মেয়েদের জামার বোতাম বাঁ-দিকে করে দেয়া হয়। রাজা-মহারাজাই হোন, বা অতি সাধারণ কেউ, পুরুষরা আদিকাল থেকে নিজের পোশাক নিজেরাই পরতেন। কিন্তু সম্পন্ন পরিবারের মেয়েদের জন্য বাড়িতে দাসী থাকত। তারাই মেয়েদের জামা পরিয়ে দিতেন। যেহেতু সেই দাসীদের বেশির ভাগই ডানহাতি বলে ধরে নেওয়া যায়, তাদের সুবিধার জন্যই মেয়েদের জামার বোতাম বাঁদিকে রাখা হতো। রাজাই হোক বা সেনানি, তাদের ডান হাতে ধরতে হয়েছে তলোয়ার। খালি বলতে বাঁ হাত। বাঁ হাতে বোতাম খোলাপরার সুবিধার জন্যই জামার বোতাম বসানো হত ডান দিকে। আর মহিলাদের ক্ষেত্রে বাচ্চাকে যেহেতু বাঁদিকে ধরতে হয়, তাই ডান হাত খালি থাকে। বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময় ডান হাতে বোতাম খুলতে হয়। সেক্ষেত্রে বোতাম ডানদিকে থাকলে খুলতে কষ্ট হতো। তা মাথায় রেখেই বাঁদিকে বোতাম বসানো হয়। পুরুষরা ঘোড়া নিয়ে ছুটলে রাস্তার বাঁদিক ঘেঁষেই যেতেন, যাতে ডান দিকে তলোয়ার চালাতে সুবিধা হয়। সেই তলোয়ার গোঁজা থাকত বাঁ-কোমরে। বের করার সময় তলোয়ার যাতে জামা বা কোটের বোতামের খাঁজে আটকে না যায়, তার জন্যই বোতাম বসানো হতো ডানদিকে। মেয়েরা যখন ঘোড়ায় চড়ত বা এখন বাইকে বসেন, দুটো পা-ই সাধারণত বাঁদিকে থাকে। শার্টের ভিতরে যাতে হাওয়া না ঢুকতে পারে, তার জন্যই বোতাম বসানো হয় বাঁদিকে। আরও একটি তত্ত্ব হল, মেয়েরা যে পুরুষদের থেকে কোনও অংশে কম নন, তা বোঝানোর জন্যই পুরুষের মতো জামা পরেছেন। তার পরেও বৈচিত্র্যর কথা ভেবে পরিকল্পিত ভাবেই মেয়েরা জামার বাঁদিকে বোতাম বসিয়েছেন। দর্জিকে একসঙ্গে গাদাগুচ্ছের জামা বানাতে হত। পুরুষ ও মহিলাদের জামা যাতে মিশে না যায়, চট করে আলাদা করে নেওয়ার সুবিধার জন্যই এই ব্যবস্থা।