মানুষের সপ্তম ইন্দ্রিয় রয়েছে!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:২৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৭৭৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা গেছে , ষষ্ঠ বা সপ্তম ইন্দ্রিয়ও মানুষের রয়েছে। আর সেই ইন্দ্রিয়ানুভূতি মোটেও কাল্পনিক কিছু নয়! শ্রবণ, দর্শন,  ঘ্রাণ, স্বাদ, স্পর্শ এ পাঁচটির বাইরে আর কী কী অনুভূতি মানুষের থাকতে পারে?  এমন প্রশ্নের জবাবে সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা থেকে ফলাফল এসেছে যে, এই চেনা ইন্দ্রিয়ের বাইরেও রয়েছে এমন কিছু ইন্দ্রিয়-জগৎ, যার সন্ধান আমরা সেভাবে রাখি না। তেমনই এক অনুভূতি হল ‘প্রোপ্রায়েসেপশন’, যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় ‘নিজের উপরে দখলদারি’।

এই বিশেষ অনুভূতিটি মানুষকে তার দেহের আয়তনের পরিমাপ সম্পর্কে সচেতন রাখতে সহয়তা করে।  আরো একটি অনুভূতি হল ‘থার্মোসেপশন’। যেটির দ্বারা মানুষ তার চারপাশের তাপমাত্রা অনুভব করতে পারে। এই অনুভবই মানুষকে তার দেহের তাপমাত্রাকে সমমাত্রিক রাখে। এর দ্বারাই আমরা বুঝতে পারি, কখন লেপমুড়ি দিতে হবে আর কখন ঠাণ্ডা ঘোলের সরবত খেতে হবে। আরো একটি ইন্দ্রিয়ানুভূতি হলো ‘ইকুইলিব্রিওসেপশন’। এটি দেহের ভারসাম্য বজায় রাখাতে সাহায্য করে। মানুষ হাঁটা বা দৌড়নোর সময়ে পড়ে না যাওয়া কারণ এটিই। জানা যায়, এর বাইরেও রয়েছে ক্ষুধা-তৃষ্ণা, সময় এবং দিক-সংক্রান্ত অনুভূতি। ক্ষুধা-তৃষ্ণার অনুভূতি আমাদের দেহ কখন পুষ্টি দরকার, তা ব্যক্ত করে। তবে এই অনুভূতিগুলি পঞ্চেন্দ্রিয়ের হিসাবে পড়ে না।

ট্যাগস :

মানুষের সপ্তম ইন্দ্রিয় রয়েছে!

আপডেট সময় : ০৫:২১:২৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা গেছে , ষষ্ঠ বা সপ্তম ইন্দ্রিয়ও মানুষের রয়েছে। আর সেই ইন্দ্রিয়ানুভূতি মোটেও কাল্পনিক কিছু নয়! শ্রবণ, দর্শন,  ঘ্রাণ, স্বাদ, স্পর্শ এ পাঁচটির বাইরে আর কী কী অনুভূতি মানুষের থাকতে পারে?  এমন প্রশ্নের জবাবে সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা থেকে ফলাফল এসেছে যে, এই চেনা ইন্দ্রিয়ের বাইরেও রয়েছে এমন কিছু ইন্দ্রিয়-জগৎ, যার সন্ধান আমরা সেভাবে রাখি না। তেমনই এক অনুভূতি হল ‘প্রোপ্রায়েসেপশন’, যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় ‘নিজের উপরে দখলদারি’।

এই বিশেষ অনুভূতিটি মানুষকে তার দেহের আয়তনের পরিমাপ সম্পর্কে সচেতন রাখতে সহয়তা করে।  আরো একটি অনুভূতি হল ‘থার্মোসেপশন’। যেটির দ্বারা মানুষ তার চারপাশের তাপমাত্রা অনুভব করতে পারে। এই অনুভবই মানুষকে তার দেহের তাপমাত্রাকে সমমাত্রিক রাখে। এর দ্বারাই আমরা বুঝতে পারি, কখন লেপমুড়ি দিতে হবে আর কখন ঠাণ্ডা ঘোলের সরবত খেতে হবে। আরো একটি ইন্দ্রিয়ানুভূতি হলো ‘ইকুইলিব্রিওসেপশন’। এটি দেহের ভারসাম্য বজায় রাখাতে সাহায্য করে। মানুষ হাঁটা বা দৌড়নোর সময়ে পড়ে না যাওয়া কারণ এটিই। জানা যায়, এর বাইরেও রয়েছে ক্ষুধা-তৃষ্ণা, সময় এবং দিক-সংক্রান্ত অনুভূতি। ক্ষুধা-তৃষ্ণার অনুভূতি আমাদের দেহ কখন পুষ্টি দরকার, তা ব্যক্ত করে। তবে এই অনুভূতিগুলি পঞ্চেন্দ্রিয়ের হিসাবে পড়ে না।