শনিবার | ১১ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার ১৮ বছর পদার্পণে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান Logo চাঁদপুরে বাংলাদেশের আলো পত্রিকার ১৮ বছর পদার্পণে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ Logo চাঁদের চারপাশ ঘুরে পৃথিবীমুখী আর্টেমিস–২, সমুদ্রে অবতরণ Logo পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন Logo আর্ককেইউ-বার্জার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন খুবির ৩১ শিক্ষার্থী Logo বিজয়ীর মহতী উদ্যোগে চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক অসহায় মানুষ Logo সদরপুরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে অবৈধ বালু লুট: নদীভাঙন ও কৃষিজমি ধ্বংসের আশঙ্কা Logo পেট্রোল নেয়াকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে ছুড়িকাঘাতে তিনজন আহত,গুরুতর ১জন রমেকে Logo তারেক রহমানের ছবি বিকৃতির প্রতিবাদে কয়রায় ছাত্রদল যুবদলের  বিক্ষোভ, প্রতীকী মূর্তি দাহ Logo বোতলজাত ভোজ্য তেল বাজার থেকে উধাও এর প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা ক্যাবের মানববন্ধন

জাগো ফাউন্ডেশনের ১০ বছর পূর্তি !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:৩৬:১৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৭ মে ২০১৭
  • ৭৯৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সব শিশুর জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া জাগো ফাউন্ডেশন সাফল্যের সঙ্গে পথ চলার এক দশক পূর্ণ করেছে। সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষাদান করার পাশাপাশি অনগ্রসর এলাকায় অবকাঠামো ও শিশুদের শিক্ষা উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

করভী রাখসান্দের হাত ধরে দেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়া জাগো  ফাউন্ডেশনের অধীনে দুই হাজার ৫০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশু দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ১৩টি স্কুলে পড়াশোনা করছে। টেকনাফ ও বান্দরবনসহ ১০টি অনলাইন স্কুলের মাধ্যমে দক্ষ শিক্ষকদের কাছ থেকে শিক্ষা পাচ্ছে শিশুরা।

এসব স্কুলে প্রতি ১৪ জন শিশুর জন্য একজন করে শিক্ষক আছেন। শিশুদের মধ্যে ৫১ শতাংশ মেয়ে শিশু। তাদের প্রতি মাসে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পুষ্টিকর খাবার ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিতে নজর দেয় জাগো ফাউন্ডেশন।

বর্তমানে ৩২টি জেলায় ২৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক জাগো ফাউন্ডেশনের জন্য কাজ করছে।

জাগোর প্রতিষ্ঠাতা করভী রাকশান্দ বলেন, মানুষ একে দাতব্য কাজ বললেও আমি মনে করি এটা কর্তব্য।

জাগো ফাউন্ডেশনের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে করভী বলেন, জাগোর ১০ বছর পূর্ণ হল। আমরা এখন আরও আত্মবিশ্বাসী, সুগঠিত ও উদ্যোগী। আমরা মনে করি, জাগো এমন জায়গায় আসতে পেরেছে যেখান থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে টেকসই শিক্ষা দেওয়া সম্ভব।

এক দশকে জাগো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়াশোনার সুযোগ তৈরির পাশাপাশি অভিভাবকদের মধ্যেও স্পন্সরশিপের দায়িত্ববোধ তৈরি করেছে। এক হাজার ৭০০ শিশুকে স্পন্সর করছেন অভিভাবকেরা। স্পন্সর করতে অভিভাবকদের মাসে দুই হাজার টাকা করে শিশুদের পড়াশোনার জন্য দিতে হয়। এছাড়া জাগোর ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণেরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার ১৮ বছর পদার্পণে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

জাগো ফাউন্ডেশনের ১০ বছর পূর্তি !

আপডেট সময় : ০২:৩৬:১৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৭ মে ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

সব শিশুর জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া জাগো ফাউন্ডেশন সাফল্যের সঙ্গে পথ চলার এক দশক পূর্ণ করেছে। সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষাদান করার পাশাপাশি অনগ্রসর এলাকায় অবকাঠামো ও শিশুদের শিক্ষা উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

করভী রাখসান্দের হাত ধরে দেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়া জাগো  ফাউন্ডেশনের অধীনে দুই হাজার ৫০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশু দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ১৩টি স্কুলে পড়াশোনা করছে। টেকনাফ ও বান্দরবনসহ ১০টি অনলাইন স্কুলের মাধ্যমে দক্ষ শিক্ষকদের কাছ থেকে শিক্ষা পাচ্ছে শিশুরা।

এসব স্কুলে প্রতি ১৪ জন শিশুর জন্য একজন করে শিক্ষক আছেন। শিশুদের মধ্যে ৫১ শতাংশ মেয়ে শিশু। তাদের প্রতি মাসে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পুষ্টিকর খাবার ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিতে নজর দেয় জাগো ফাউন্ডেশন।

বর্তমানে ৩২টি জেলায় ২৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক জাগো ফাউন্ডেশনের জন্য কাজ করছে।

জাগোর প্রতিষ্ঠাতা করভী রাকশান্দ বলেন, মানুষ একে দাতব্য কাজ বললেও আমি মনে করি এটা কর্তব্য।

জাগো ফাউন্ডেশনের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে করভী বলেন, জাগোর ১০ বছর পূর্ণ হল। আমরা এখন আরও আত্মবিশ্বাসী, সুগঠিত ও উদ্যোগী। আমরা মনে করি, জাগো এমন জায়গায় আসতে পেরেছে যেখান থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে টেকসই শিক্ষা দেওয়া সম্ভব।

এক দশকে জাগো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়াশোনার সুযোগ তৈরির পাশাপাশি অভিভাবকদের মধ্যেও স্পন্সরশিপের দায়িত্ববোধ তৈরি করেছে। এক হাজার ৭০০ শিশুকে স্পন্সর করছেন অভিভাবকেরা। স্পন্সর করতে অভিভাবকদের মাসে দুই হাজার টাকা করে শিশুদের পড়াশোনার জন্য দিতে হয়। এছাড়া জাগোর ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণেরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন।