শনিবার | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল Logo কচুয়ায় কাদিরখিল সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের মাদকবিরোধী ও উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা Logo সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি Logo পথিকৃৎ শিল্পীদের শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করা প্রয়োজন : খুবি উপাচার্য Logo ছন্দে ফিরছে ঝিনাইদহ জেলা, একযুগ পর ঝিনাইদহ পেল সফল জেলা প্রশাসক একের পর এক ঝিনাইদহ শহর দখলমুক্ত করছেন জেলা প্রশাসক, আমজনতার অভিনন্দন Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের

জাওয়াহিরির শেষ ইচ্ছা, ‘মৃত্যুর আগে যুক্তরাষ্ট্রে হামলা’ !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:০৬ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৭
  • ৭৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

আল-কায়েদার প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির শেষ ইচ্ছা মৃত্যুর আগে যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের আঘাত হানা। তিনি পাকিস্তানের করাচিতে দেশটির সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার (আইএসআই) আশ্রয়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। একাধিক সূত্র নিউজ উইককে জানিয়েছে, জাওয়াহিরির শেষ ইচ্ছা, মৃত্যুর আগে যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের হামলা চালানো। তারপরও পাকিস্তান ওই জঙ্গি নেতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

এদিকে, জাওয়াহিরি বর্তমানে পাকিস্তানের করাচিতে দেশটির সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার (আইএসআই) আশ্রয়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাবেক পাকস্তানি কর্মকর্তারা জানান, হামজা বিন লাদেনের মতো জাওয়াহিরির মৃত দেহরক্ষীর ছেলেও পাকিস্তানে আইএসআইর কাছে আশ্রয় নিয়েছেন।

২০০১ সালে টুইন টাওয়ার ও পেন্টাগনে হামলার পর জাওয়াহিরিকে ধরিয়ে দিলে আড়াই কোটি মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, একাধিক ভিডিও বার্তায় জাওয়াহিরিও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। আফগানিস্তান থেকে বেরিয়ে আসার পর থেকেই পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আল জাওয়াহিরিকে রক্ষা করছে বলে একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র নিউজউইককে জানিয়েছে।

খুব সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার অবস্থান সম্পর্কে আগে থেকেই জানত। সে অনুযায়ী গত বছরের জানুয়ারিতে বারাক ওবামা প্রশাসন জাওয়াহিরির অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। তবে জওয়াহিরি যে ঘরে থাকতেন তার ঠিক কয়েকটা ঘর আগেই ড্রোন হামলা চালানোয় কোন রকমে বেঁচে যান তিনি। সংবাদ সংস্থাকে একথা জানান সাবেক এক জঙ্গি নেতা।

সেই ২০০১ থেকেই বার বার জাওয়াহিরির উপর ড্রোন হামলা হয়েছে। কিন্তু প্রতি বারই কোন না কোন ভাবে বেঁচে গেছেন তিনি। আইএসআই-এর ওই প্রাক্তন নেতা জানান, জওয়াহিরি একটা সময় তাঁর দলের কাছেই ব্রাত্য হয়ে পড়েন। কারণ সেই সময় তাঁর ওই অধীন দলটি আফগানিস্তান সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চালাচ্ছিল। নিজের দলের কাছে কার্যত ব্রাত্য হয়েই পাকিস্তানে পালিয়ে আসেন জাওয়াহিরি। আশ্রয় নেন করাচিতে। লাদেনের মৃত্যুর পর আল কায়দার শক্তি কিছুটা কমলেও তারা যে একেবারে শেষ হয়ে যায়নি এটা ভাল ভাবেই জানে আমেরিকা। আল কায়দা যে তলে তলে শক্তি বাড়িয়ে হামলার ছক কষছে সেটাও নজরে রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান

জাওয়াহিরির শেষ ইচ্ছা, ‘মৃত্যুর আগে যুক্তরাষ্ট্রে হামলা’ !

আপডেট সময় : ১২:৪০:০৬ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

আল-কায়েদার প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির শেষ ইচ্ছা মৃত্যুর আগে যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের আঘাত হানা। তিনি পাকিস্তানের করাচিতে দেশটির সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার (আইএসআই) আশ্রয়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। একাধিক সূত্র নিউজ উইককে জানিয়েছে, জাওয়াহিরির শেষ ইচ্ছা, মৃত্যুর আগে যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের হামলা চালানো। তারপরও পাকিস্তান ওই জঙ্গি নেতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

এদিকে, জাওয়াহিরি বর্তমানে পাকিস্তানের করাচিতে দেশটির সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার (আইএসআই) আশ্রয়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাবেক পাকস্তানি কর্মকর্তারা জানান, হামজা বিন লাদেনের মতো জাওয়াহিরির মৃত দেহরক্ষীর ছেলেও পাকিস্তানে আইএসআইর কাছে আশ্রয় নিয়েছেন।

২০০১ সালে টুইন টাওয়ার ও পেন্টাগনে হামলার পর জাওয়াহিরিকে ধরিয়ে দিলে আড়াই কোটি মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, একাধিক ভিডিও বার্তায় জাওয়াহিরিও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। আফগানিস্তান থেকে বেরিয়ে আসার পর থেকেই পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আল জাওয়াহিরিকে রক্ষা করছে বলে একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র নিউজউইককে জানিয়েছে।

খুব সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার অবস্থান সম্পর্কে আগে থেকেই জানত। সে অনুযায়ী গত বছরের জানুয়ারিতে বারাক ওবামা প্রশাসন জাওয়াহিরির অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। তবে জওয়াহিরি যে ঘরে থাকতেন তার ঠিক কয়েকটা ঘর আগেই ড্রোন হামলা চালানোয় কোন রকমে বেঁচে যান তিনি। সংবাদ সংস্থাকে একথা জানান সাবেক এক জঙ্গি নেতা।

সেই ২০০১ থেকেই বার বার জাওয়াহিরির উপর ড্রোন হামলা হয়েছে। কিন্তু প্রতি বারই কোন না কোন ভাবে বেঁচে গেছেন তিনি। আইএসআই-এর ওই প্রাক্তন নেতা জানান, জওয়াহিরি একটা সময় তাঁর দলের কাছেই ব্রাত্য হয়ে পড়েন। কারণ সেই সময় তাঁর ওই অধীন দলটি আফগানিস্তান সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চালাচ্ছিল। নিজের দলের কাছে কার্যত ব্রাত্য হয়েই পাকিস্তানে পালিয়ে আসেন জাওয়াহিরি। আশ্রয় নেন করাচিতে। লাদেনের মৃত্যুর পর আল কায়দার শক্তি কিছুটা কমলেও তারা যে একেবারে শেষ হয়ে যায়নি এটা ভাল ভাবেই জানে আমেরিকা। আল কায়দা যে তলে তলে শক্তি বাড়িয়ে হামলার ছক কষছে সেটাও নজরে রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের।