ইরান ইস্যুতে সুর কিছুটা নরম করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলমান যুদ্ধ শেষের পর দেশটির নেতৃত্বে কোনও ধর্মীয় নেতা থাকলে আপত্তি করবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, (ধর্মীয় নেতাও ইরানের নেতা) হতে পারে। আসলে বিষয়টি নির্ভর করে ব্যক্তি কে তার ওপর। ধর্মীয় নেতা নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই। আমি অনেক ধর্মীয় নেতার সঙ্গে কাজ করি, তারা অসাধারণ।’
তিনি বলেন, ইরান গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে কি না—এ নিয়ে তিনি খুব একটা উদ্বিগ্ন নন। তার মতে, দেশটির নেতা এমন হওয়া উচিত যিনি ‘ন্যায়সঙ্গত ও ন্যায়পরায়ণ হবেন, ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ভালো আচরণ করবেন’।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের নতুন নেতৃত্বকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওরা সবাই আমাদের অংশীদার।’
ধারণা করা হচ্ছে, আঞ্চলিক যুদ্ধে ফেঁসে যাওয়া মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর চাপ এবং ইউরোপীয়দের যুদ্ধে অনীহার কারণে ট্রাম্প কিছুটা ব্যাকফুটে চলে গেছেন। এ ছাড়া ইরানের প্রতিরোধের মুখে বিশ্ব এখন জ্বালানি সংকটের দ্বারপ্রান্তে। এসব চাপের মুখেই ট্রাম্প অবশেষে কিছুটা সুর নরম করেছে বলে মত বিশ্লেষকদের।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) একাধিক গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় তার প্রশাসনেরও সম্পৃক্ত থাকা উচিত।
এদিকে শুক্রবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’
সূত্র: হারেৎজ






















































