বিমস্টেক রাষ্ট্রগুলো থাকবে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে

২০২৫ সালের ২৮ মার্চ মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের সরকার এবং জনগণের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিমস্টেকের সদস্য রাষ্ট্রগুলো। আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমস্টেক সম্মেলনে দেশগুলোর নেতারা যৌথভাবে এ দুঃখ প্রকাশ করেন। থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশাল প্রাণহানি, আহত ও ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়েছে এই ভূমিকম্প। বিশেষত ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল সংলগ্ন অঞ্চলের মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  কম্পনগুলো পার্শ্ববর্তী দেশগুলিতেও অনুভূত হয়েছে। বিমস্টেক ক্ষতিগ্রস্ত জনগণ এবং সম্প্রদায়ের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে।

এতে বলা হয়, বিমস্টেক তার প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থাগুলোর মাধ্যমে ত্রাণ ও পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টায় সহায়তা করবে, যার মধ্যে বিমস্টেক আবহাওয়া ও জলবায়ু কেন্দ্রের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ আবহাওয়া তথ্য প্রদান এবং অঞ্চলের প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থাগুলো উন্নত করার জন্য সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আঞ্চলিক সক্ষমতা শক্তিশালী করার গুরুত্ব স্বীকার করে বিমস্পেক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের দ্রুত প্রতিষ্ঠানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে এই জোট।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা মিয়ানমারে মানবিক সহায়তা এবং দুর্যোগ ত্রাণ প্রদানকারী বিমস্টেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রচেষ্টার প্রশংসা করি।

এতে আরও জানানো হয়, বিমস্টেক তার আঞ্চলিক সহযোগিতা শক্তিশালী করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।  বিমস্টেক ব্যাংকক ভিশন-২০৩০ অনুসারে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে কার্যকরভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব কমাতে কাজ করবে বিমস্টেক।

ট্যাগস :

বিমস্টেক রাষ্ট্রগুলো থাকবে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:৩৮ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
২০২৫ সালের ২৮ মার্চ মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের সরকার এবং জনগণের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিমস্টেকের সদস্য রাষ্ট্রগুলো। আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমস্টেক সম্মেলনে দেশগুলোর নেতারা যৌথভাবে এ দুঃখ প্রকাশ করেন। থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশাল প্রাণহানি, আহত ও ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়েছে এই ভূমিকম্প। বিশেষত ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল সংলগ্ন অঞ্চলের মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  কম্পনগুলো পার্শ্ববর্তী দেশগুলিতেও অনুভূত হয়েছে। বিমস্টেক ক্ষতিগ্রস্ত জনগণ এবং সম্প্রদায়ের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে।

এতে বলা হয়, বিমস্টেক তার প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থাগুলোর মাধ্যমে ত্রাণ ও পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টায় সহায়তা করবে, যার মধ্যে বিমস্টেক আবহাওয়া ও জলবায়ু কেন্দ্রের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ আবহাওয়া তথ্য প্রদান এবং অঞ্চলের প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থাগুলো উন্নত করার জন্য সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আঞ্চলিক সক্ষমতা শক্তিশালী করার গুরুত্ব স্বীকার করে বিমস্পেক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের দ্রুত প্রতিষ্ঠানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে এই জোট।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা মিয়ানমারে মানবিক সহায়তা এবং দুর্যোগ ত্রাণ প্রদানকারী বিমস্টেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রচেষ্টার প্রশংসা করি।

এতে আরও জানানো হয়, বিমস্টেক তার আঞ্চলিক সহযোগিতা শক্তিশালী করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।  বিমস্টেক ব্যাংকক ভিশন-২০৩০ অনুসারে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে কার্যকরভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব কমাতে কাজ করবে বিমস্টেক।