বুধবার | ৪ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম। Logo ঝিনাইদহ স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’র নেতৃত্বে রাতুল-তৌকির Logo চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের রামাদান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ Logo সুন্দরবন-এ বিশেষ অভিযানে জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১ সদস্য আটক, অস্ত্র-গুলিসহ উদ্ধার Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অপু চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা Logo সুন্দরবন-এ শুরু হলো গোলপাতা আহরণ মৌসুম Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী

মুখে ঘা হলে করণীয়

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  • ৮০৬ বার পড়া হয়েছে
মুখের ঘা একটি সাধারণ সমস্যা হিসেবেই বিবেচিত। মুখে ঘা হয়নি কখনো এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া আমাদের সমাজে কষ্টকর। মুখের ঘা বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে, তা আবার স্বাভাবিকভাবেই ঠিক হয়ে যায় একটি সময়ের পর। কিন্তু কিছু ঘা প্রাণঘাতী হতে পারে। সাধারণত বেদনাদায়ক এই মুখের ঘা, বড় ধরনের কোনো জটিলতা প্রকাশ করে না, মুখের ঘা/আলসার একটি ক্ষত যা আপনার মুখের ভিতরের টিস্যুতে তৈরি হয়। ক্ষতগুলো সাধারণত লাল, হলুদ, সাদা বর্ণের হয়।

যে স্থানে ঘা হয় : মাড়ি, জিহ্বা, তালু ও ভিতরের গালে। এই ক্ষতগুলো সাধারণত বেদনাদায়ক হয় এবং খাওয়া, পানকরা ও কথা বলায়ও অশস্তির কারণ হয়। কারণসমূহ : সাধারণ কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো :  ১. আঘাত, ২. গালে বা ঠোঁটে কামড় লাগা, ৩. ব্রাশের আঘাত, ৪. মানসিক অস্থিরতা (দীর্ঘমেয়াদি)।

হরমোন পরিবর্তন : মেয়েদের এই সমস্যা হতে পারে। মাসিক, গর্ভাবস্থায়, মেনোপোজের সময়। পুষ্টির ঘাটতি : এছাড়া ভিটামিন বি-১২, আয়রন ও ফলিক এসিডের তারতম্য।

খাদ্য সংবেদনশীলতা : মসলাদার খাবার, অতিরিক্ত চকোলেট, এসিডিক খাবারের কারণে মুখে ঘা হতে পারে। খাবারের এলার্জির কারণেও হতে পারে।

সংক্রমণ : বিভিন্ন ভাইরাল সংক্রমণ যেমন Herpes Virus দ্বারা সংক্রমিত আলসার। কিছু Bacteria ঘা তৈরি করে।

আলসার সম্পর্কিত রোগ :

১. অটোইমুউন রোগ, ২. পাকতন্ত্রজনিত রোগ, ৩. ভাইরাল ইনফেকশন ও ৪. পুষ্টির ঘাটতি।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

মুখের সাধারণ ঘা কিছু দিন পর নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যায়। তবে কিছু পরিস্থিতিতে দ্রুত নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। যেমন : ১. মুখের এক বা একাধিক স্থানে ব্যথামুক্ত ঘা

হলে, ২. তিন (০৩) সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে, ৩. বড় ও ব্যথাযুক্ত হলে, ও ৪. ওষুধ সেবনের পর ঘা দেখা দিলে।

আমরা ঘরে যা যা করতে পারি : ১. লবণ পানি কুলি করা, ২. মধু লাগানো, ৩. অ্যালোভেরা ব্যবহার করা ও ৪. মসলাযুক্ত ও এসিড খাবার এড়িয়ে চলা।

লেখক : চিফ কনসালট্যান্ট, মনামী ডেন্টাল কেয়ার, সাভার, ঢাকা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম।

মুখে ঘা হলে করণীয়

আপডেট সময় : ০৭:০২:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
মুখের ঘা একটি সাধারণ সমস্যা হিসেবেই বিবেচিত। মুখে ঘা হয়নি কখনো এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া আমাদের সমাজে কষ্টকর। মুখের ঘা বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে, তা আবার স্বাভাবিকভাবেই ঠিক হয়ে যায় একটি সময়ের পর। কিন্তু কিছু ঘা প্রাণঘাতী হতে পারে। সাধারণত বেদনাদায়ক এই মুখের ঘা, বড় ধরনের কোনো জটিলতা প্রকাশ করে না, মুখের ঘা/আলসার একটি ক্ষত যা আপনার মুখের ভিতরের টিস্যুতে তৈরি হয়। ক্ষতগুলো সাধারণত লাল, হলুদ, সাদা বর্ণের হয়।

যে স্থানে ঘা হয় : মাড়ি, জিহ্বা, তালু ও ভিতরের গালে। এই ক্ষতগুলো সাধারণত বেদনাদায়ক হয় এবং খাওয়া, পানকরা ও কথা বলায়ও অশস্তির কারণ হয়। কারণসমূহ : সাধারণ কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো :  ১. আঘাত, ২. গালে বা ঠোঁটে কামড় লাগা, ৩. ব্রাশের আঘাত, ৪. মানসিক অস্থিরতা (দীর্ঘমেয়াদি)।

হরমোন পরিবর্তন : মেয়েদের এই সমস্যা হতে পারে। মাসিক, গর্ভাবস্থায়, মেনোপোজের সময়। পুষ্টির ঘাটতি : এছাড়া ভিটামিন বি-১২, আয়রন ও ফলিক এসিডের তারতম্য।

খাদ্য সংবেদনশীলতা : মসলাদার খাবার, অতিরিক্ত চকোলেট, এসিডিক খাবারের কারণে মুখে ঘা হতে পারে। খাবারের এলার্জির কারণেও হতে পারে।

সংক্রমণ : বিভিন্ন ভাইরাল সংক্রমণ যেমন Herpes Virus দ্বারা সংক্রমিত আলসার। কিছু Bacteria ঘা তৈরি করে।

আলসার সম্পর্কিত রোগ :

১. অটোইমুউন রোগ, ২. পাকতন্ত্রজনিত রোগ, ৩. ভাইরাল ইনফেকশন ও ৪. পুষ্টির ঘাটতি।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

মুখের সাধারণ ঘা কিছু দিন পর নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যায়। তবে কিছু পরিস্থিতিতে দ্রুত নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। যেমন : ১. মুখের এক বা একাধিক স্থানে ব্যথামুক্ত ঘা

হলে, ২. তিন (০৩) সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে, ৩. বড় ও ব্যথাযুক্ত হলে, ও ৪. ওষুধ সেবনের পর ঘা দেখা দিলে।

আমরা ঘরে যা যা করতে পারি : ১. লবণ পানি কুলি করা, ২. মধু লাগানো, ৩. অ্যালোভেরা ব্যবহার করা ও ৪. মসলাযুক্ত ও এসিড খাবার এড়িয়ে চলা।

লেখক : চিফ কনসালট্যান্ট, মনামী ডেন্টাল কেয়ার, সাভার, ঢাকা।