শনিবার | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল Logo কচুয়ায় কাদিরখিল সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের মাদকবিরোধী ও উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা Logo সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি Logo পথিকৃৎ শিল্পীদের শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করা প্রয়োজন : খুবি উপাচার্য Logo ছন্দে ফিরছে ঝিনাইদহ জেলা, একযুগ পর ঝিনাইদহ পেল সফল জেলা প্রশাসক একের পর এক ঝিনাইদহ শহর দখলমুক্ত করছেন জেলা প্রশাসক, আমজনতার অভিনন্দন Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের

মুখে ঘা হলে করণীয়

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  • ৭৯৪ বার পড়া হয়েছে
মুখের ঘা একটি সাধারণ সমস্যা হিসেবেই বিবেচিত। মুখে ঘা হয়নি কখনো এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া আমাদের সমাজে কষ্টকর। মুখের ঘা বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে, তা আবার স্বাভাবিকভাবেই ঠিক হয়ে যায় একটি সময়ের পর। কিন্তু কিছু ঘা প্রাণঘাতী হতে পারে। সাধারণত বেদনাদায়ক এই মুখের ঘা, বড় ধরনের কোনো জটিলতা প্রকাশ করে না, মুখের ঘা/আলসার একটি ক্ষত যা আপনার মুখের ভিতরের টিস্যুতে তৈরি হয়। ক্ষতগুলো সাধারণত লাল, হলুদ, সাদা বর্ণের হয়।

যে স্থানে ঘা হয় : মাড়ি, জিহ্বা, তালু ও ভিতরের গালে। এই ক্ষতগুলো সাধারণত বেদনাদায়ক হয় এবং খাওয়া, পানকরা ও কথা বলায়ও অশস্তির কারণ হয়। কারণসমূহ : সাধারণ কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো :  ১. আঘাত, ২. গালে বা ঠোঁটে কামড় লাগা, ৩. ব্রাশের আঘাত, ৪. মানসিক অস্থিরতা (দীর্ঘমেয়াদি)।

হরমোন পরিবর্তন : মেয়েদের এই সমস্যা হতে পারে। মাসিক, গর্ভাবস্থায়, মেনোপোজের সময়। পুষ্টির ঘাটতি : এছাড়া ভিটামিন বি-১২, আয়রন ও ফলিক এসিডের তারতম্য।

খাদ্য সংবেদনশীলতা : মসলাদার খাবার, অতিরিক্ত চকোলেট, এসিডিক খাবারের কারণে মুখে ঘা হতে পারে। খাবারের এলার্জির কারণেও হতে পারে।

সংক্রমণ : বিভিন্ন ভাইরাল সংক্রমণ যেমন Herpes Virus দ্বারা সংক্রমিত আলসার। কিছু Bacteria ঘা তৈরি করে।

আলসার সম্পর্কিত রোগ :

১. অটোইমুউন রোগ, ২. পাকতন্ত্রজনিত রোগ, ৩. ভাইরাল ইনফেকশন ও ৪. পুষ্টির ঘাটতি।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

মুখের সাধারণ ঘা কিছু দিন পর নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যায়। তবে কিছু পরিস্থিতিতে দ্রুত নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। যেমন : ১. মুখের এক বা একাধিক স্থানে ব্যথামুক্ত ঘা

হলে, ২. তিন (০৩) সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে, ৩. বড় ও ব্যথাযুক্ত হলে, ও ৪. ওষুধ সেবনের পর ঘা দেখা দিলে।

আমরা ঘরে যা যা করতে পারি : ১. লবণ পানি কুলি করা, ২. মধু লাগানো, ৩. অ্যালোভেরা ব্যবহার করা ও ৪. মসলাযুক্ত ও এসিড খাবার এড়িয়ে চলা।

লেখক : চিফ কনসালট্যান্ট, মনামী ডেন্টাল কেয়ার, সাভার, ঢাকা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান

মুখে ঘা হলে করণীয়

আপডেট সময় : ০৭:০২:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
মুখের ঘা একটি সাধারণ সমস্যা হিসেবেই বিবেচিত। মুখে ঘা হয়নি কখনো এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া আমাদের সমাজে কষ্টকর। মুখের ঘা বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে, তা আবার স্বাভাবিকভাবেই ঠিক হয়ে যায় একটি সময়ের পর। কিন্তু কিছু ঘা প্রাণঘাতী হতে পারে। সাধারণত বেদনাদায়ক এই মুখের ঘা, বড় ধরনের কোনো জটিলতা প্রকাশ করে না, মুখের ঘা/আলসার একটি ক্ষত যা আপনার মুখের ভিতরের টিস্যুতে তৈরি হয়। ক্ষতগুলো সাধারণত লাল, হলুদ, সাদা বর্ণের হয়।

যে স্থানে ঘা হয় : মাড়ি, জিহ্বা, তালু ও ভিতরের গালে। এই ক্ষতগুলো সাধারণত বেদনাদায়ক হয় এবং খাওয়া, পানকরা ও কথা বলায়ও অশস্তির কারণ হয়। কারণসমূহ : সাধারণ কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো :  ১. আঘাত, ২. গালে বা ঠোঁটে কামড় লাগা, ৩. ব্রাশের আঘাত, ৪. মানসিক অস্থিরতা (দীর্ঘমেয়াদি)।

হরমোন পরিবর্তন : মেয়েদের এই সমস্যা হতে পারে। মাসিক, গর্ভাবস্থায়, মেনোপোজের সময়। পুষ্টির ঘাটতি : এছাড়া ভিটামিন বি-১২, আয়রন ও ফলিক এসিডের তারতম্য।

খাদ্য সংবেদনশীলতা : মসলাদার খাবার, অতিরিক্ত চকোলেট, এসিডিক খাবারের কারণে মুখে ঘা হতে পারে। খাবারের এলার্জির কারণেও হতে পারে।

সংক্রমণ : বিভিন্ন ভাইরাল সংক্রমণ যেমন Herpes Virus দ্বারা সংক্রমিত আলসার। কিছু Bacteria ঘা তৈরি করে।

আলসার সম্পর্কিত রোগ :

১. অটোইমুউন রোগ, ২. পাকতন্ত্রজনিত রোগ, ৩. ভাইরাল ইনফেকশন ও ৪. পুষ্টির ঘাটতি।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

মুখের সাধারণ ঘা কিছু দিন পর নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যায়। তবে কিছু পরিস্থিতিতে দ্রুত নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। যেমন : ১. মুখের এক বা একাধিক স্থানে ব্যথামুক্ত ঘা

হলে, ২. তিন (০৩) সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে, ৩. বড় ও ব্যথাযুক্ত হলে, ও ৪. ওষুধ সেবনের পর ঘা দেখা দিলে।

আমরা ঘরে যা যা করতে পারি : ১. লবণ পানি কুলি করা, ২. মধু লাগানো, ৩. অ্যালোভেরা ব্যবহার করা ও ৪. মসলাযুক্ত ও এসিড খাবার এড়িয়ে চলা।

লেখক : চিফ কনসালট্যান্ট, মনামী ডেন্টাল কেয়ার, সাভার, ঢাকা।