রবিবার | ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

ফের রেলপথে ‌দিল্লি–ঢাকা পণ্য বাণিজ্য শুরু !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:৩৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০১৭
  • ৭৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

দীর্ঘ ১১ বছর পরে রেলপথে আবার শুরু হল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি–রপ্তানি। এর ফলে একদিকে যেমন ব্যবসা–বাণিজ্যের প্রসার ঘটাবে অন্যদিকে কর্মসংস্থান–সহ সুযোগ–সুবিধা বৃদ্ধি পাবে বাংলাদেশে। গত ৮ মার্চ ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রেন ৪২টি ওয়াগনে ২ হাজার ৪৭২ মেট্রিক টন পাথর নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

বাংলাদেশের বিরল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মাসুদ পারভেজ জানান, দীর্ঘদিন পরে মিটার গেজ থেকে রূপান্তরিত ডুয়েল গেজ দিয়ে দিনাজপুরের সীমান্ত অঞ্চল থেকে রেলে পণ্য ঢুকল বাংলাদেশে। এর ফলে দিনাজপুরের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে। সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে ভারত, নেপাল, ভুটান এবং মায়ানমারের সঙ্গে রেলপথে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহণের চুক্তি অনুযায়ী বিরল সীমান্ত দিয়ে ডুয়েল গেজ রেলপথে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে ভারতীয় পাথরবাহী একটি ট্রেন বুধবার বাংলাদেশে আসে। পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় স্থানীয় থেকে ব্যবসায়ীরা আশার আলো দেখছেন। তাদের দাবি, খবু তাড়াতাড়ি বিরলে যাত্রীবাহী ট্রেনও চলাচল শুরু করা হোক।

দিনাজপুর রেলওয়ে বিভাগের আধিকারিক রাকিবুল হাসান জানান, গত বছর বাংলাদেশের পার্বতীপুর থেকে ভারতের রাধিকাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত মিটার গেজকে ডুয়েল গেজে রূপান্তরিত করা হয়। ভারত–বাংলাদেশের ট্রেনের এই রুটটি দিয়ে আমদানি–রপ্তানি শুরু হলে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বাংলাদেশের সরকারও লাভবান হবে মনে করেছেন অনেক স্থানীয় ব্যবসায়ী।

ব্রিটিশ আমলে অবিভক্ত ভারতবর্ষ এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত মিটার গেজের রেলপথে নেপাল, ভারত এবং মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশে মধ্যে সীমিত সংখ্যক পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করত বিরল রেলপথ দিয়ে। ২০০৬ সালে ভারত রাধিকাপুর পযর্ন্ত ব্রড গেজ রেলপথ তৈরি করায় রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ১১ বছর পরে বাংলাদেশ বাণিজ্যিকভাবে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের সুবিধার জন্য ভারতের উত্তর দিনাজপুরের রাধিকাপুর স্টেশন পর্যন্ত ব্রড গেজ রেলপথ সম্প্রসারণ করে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

ফের রেলপথে ‌দিল্লি–ঢাকা পণ্য বাণিজ্য শুরু !

আপডেট সময় : ০২:১৯:৩৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

দীর্ঘ ১১ বছর পরে রেলপথে আবার শুরু হল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি–রপ্তানি। এর ফলে একদিকে যেমন ব্যবসা–বাণিজ্যের প্রসার ঘটাবে অন্যদিকে কর্মসংস্থান–সহ সুযোগ–সুবিধা বৃদ্ধি পাবে বাংলাদেশে। গত ৮ মার্চ ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রেন ৪২টি ওয়াগনে ২ হাজার ৪৭২ মেট্রিক টন পাথর নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

বাংলাদেশের বিরল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মাসুদ পারভেজ জানান, দীর্ঘদিন পরে মিটার গেজ থেকে রূপান্তরিত ডুয়েল গেজ দিয়ে দিনাজপুরের সীমান্ত অঞ্চল থেকে রেলে পণ্য ঢুকল বাংলাদেশে। এর ফলে দিনাজপুরের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে। সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে ভারত, নেপাল, ভুটান এবং মায়ানমারের সঙ্গে রেলপথে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহণের চুক্তি অনুযায়ী বিরল সীমান্ত দিয়ে ডুয়েল গেজ রেলপথে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে ভারতীয় পাথরবাহী একটি ট্রেন বুধবার বাংলাদেশে আসে। পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় স্থানীয় থেকে ব্যবসায়ীরা আশার আলো দেখছেন। তাদের দাবি, খবু তাড়াতাড়ি বিরলে যাত্রীবাহী ট্রেনও চলাচল শুরু করা হোক।

দিনাজপুর রেলওয়ে বিভাগের আধিকারিক রাকিবুল হাসান জানান, গত বছর বাংলাদেশের পার্বতীপুর থেকে ভারতের রাধিকাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত মিটার গেজকে ডুয়েল গেজে রূপান্তরিত করা হয়। ভারত–বাংলাদেশের ট্রেনের এই রুটটি দিয়ে আমদানি–রপ্তানি শুরু হলে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বাংলাদেশের সরকারও লাভবান হবে মনে করেছেন অনেক স্থানীয় ব্যবসায়ী।

ব্রিটিশ আমলে অবিভক্ত ভারতবর্ষ এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত মিটার গেজের রেলপথে নেপাল, ভারত এবং মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশে মধ্যে সীমিত সংখ্যক পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করত বিরল রেলপথ দিয়ে। ২০০৬ সালে ভারত রাধিকাপুর পযর্ন্ত ব্রড গেজ রেলপথ তৈরি করায় রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ১১ বছর পরে বাংলাদেশ বাণিজ্যিকভাবে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের সুবিধার জন্য ভারতের উত্তর দিনাজপুরের রাধিকাপুর স্টেশন পর্যন্ত ব্রড গেজ রেলপথ সম্প্রসারণ করে।