মঙ্গলবার | ৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী Logo এসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চাপ্টার খুলনা ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বে শাহরিয়ার-কমানিং Logo বেরোবি জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম নেতৃত্বে রোকনুজ্জামান – মামদুদুর  Logo শ্যামনগরে প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন Logo যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে আসলো আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মরদেহ Logo জীবননগরে পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে সুলভ মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

বিজিএমইএ ভবন সরাতে সময় ৬ মাস !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:৪৪:১৭ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১২ মার্চ ২০১৭
  • ৭৯৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সমিতির (বিজিএমইএ) বহুতল  ভবন ভাঙতে ও কার্যালয় সরাতে ছয় মাস সময় বেঁধে দিয়েছেন আপিল আপিল বিভাগ।
রোববার সকালে ভবন ভাঙতে বিজিএমইএ-এর করা ৩ বছর সময়ের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালত বিজিএমইএ-এর আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, ‘ভবন ভাঙতে এই দীর্ঘ সময় আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। আপনারা তো অনেক সম্পদশালী। অফিস হিসেবে আপনারা হোটেল সোনারগাঁও অথবা শেরাটন ভাড়া নিতে পারেন। এ ছাড়া সরকারের কাছে বলে গুলশানে দুটি বাড়ি নিয়ে অফিস বানাতে পারেন।
এরপর আদালত বিজিএমইএ ভাঙতে ও কার্যালয় সরাতে ছয় মাস সময় বেঁধে দেন।

আদালতে বিজিএমইএ-এর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগে গত ৮ মার্চ বিজিএমইএ-এর বহুতল ভবন ভাঙতে তিন বছর সময় চেয়ে আবেদন করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ।

১৯৯৮ সালের ২৮ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিএমইএ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ভবন নির্মাণ শেষ হলে ২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর বিজিএমইএ ভবন উদ্বোধন করেন সে সময়কার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এরপর থেকে ভবনটি বিজিএমইএ-এর প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

কিন্তু রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই কারওয়ান বাজার সংলগ্ন বেগুনবাড়ি খালে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ২০১০ সালের ২ অক্টোবর একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই দিনই প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ডি এইচ এম মনির উদ্দিন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল

বিজিএমইএ ভবন সরাতে সময় ৬ মাস !

আপডেট সময় : ১২:৪৪:১৭ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১২ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সমিতির (বিজিএমইএ) বহুতল  ভবন ভাঙতে ও কার্যালয় সরাতে ছয় মাস সময় বেঁধে দিয়েছেন আপিল আপিল বিভাগ।
রোববার সকালে ভবন ভাঙতে বিজিএমইএ-এর করা ৩ বছর সময়ের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালত বিজিএমইএ-এর আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, ‘ভবন ভাঙতে এই দীর্ঘ সময় আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। আপনারা তো অনেক সম্পদশালী। অফিস হিসেবে আপনারা হোটেল সোনারগাঁও অথবা শেরাটন ভাড়া নিতে পারেন। এ ছাড়া সরকারের কাছে বলে গুলশানে দুটি বাড়ি নিয়ে অফিস বানাতে পারেন।
এরপর আদালত বিজিএমইএ ভাঙতে ও কার্যালয় সরাতে ছয় মাস সময় বেঁধে দেন।

আদালতে বিজিএমইএ-এর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগে গত ৮ মার্চ বিজিএমইএ-এর বহুতল ভবন ভাঙতে তিন বছর সময় চেয়ে আবেদন করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ।

১৯৯৮ সালের ২৮ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিএমইএ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ভবন নির্মাণ শেষ হলে ২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর বিজিএমইএ ভবন উদ্বোধন করেন সে সময়কার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এরপর থেকে ভবনটি বিজিএমইএ-এর প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

কিন্তু রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই কারওয়ান বাজার সংলগ্ন বেগুনবাড়ি খালে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ২০১০ সালের ২ অক্টোবর একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই দিনই প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ডি এইচ এম মনির উদ্দিন।