বুধবার | ২১ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কালিগঞ্জে দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীর দুই সহযোগী গ্রেফতার Logo ভেঙ্গে পরেছে পলাশবাড়ী উপজেলার প্রশাসনিক ব্যবস্থা! কর্মস্থলে নেই কর্মকর্তারা!জন সেবায় চরম ভোগান্তি Logo চাঁদপুরে মহাসড়ক দখল করে বেপরোয়া অবৈধ বালু ব্যবসা: বিপর্যস্ত জনজীবন Logo হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টান এক কাতারে—৫ নং ওয়ার্ডে ৮ দফা ও ফ্যামিলি কার্ড আলোচনা Logo চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকার ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা Logo খুবিতে নাগরিক সচেতনতা ও তথ্য যাচাই শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo পলাশবাড়ীতে পিতার দায়েরকৃত মামলায় কুলাঙ্গার সন্তান গ্রেফতার Logo গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁদপুরে অবহিতকরণ সভা Logo শরীফ ওসমান হাদী: নৈতিক সাহস ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা  Logo মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সবজি ব্যবসায়ী নিহত

জুয়েলারি শিল্পের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা গ্রহণে ডিএমপির কাছে বাজুসের চিঠি

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:৩৮:১২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ৭৬৫ বার পড়া হয়েছে

জুয়েলারি শিল্পের নিরাপত্তার বিষয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মাইনুল হাসান বরাবর চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) বাজুসের সাধারণ সম্পাদক বাদল চন্দ্র রায় স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বাজুস দেশের প্রায় ৪০ হাজার জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্বকারী ঐতিহ্যবাহী, সর্ববৃহৎ বাণিজ্য সংগঠন। আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা, স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা এবং দেশীয় স্বর্ণ শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা করা।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুযোগে দুষ্কৃতিকারীরা জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানকে তাদের মূল লক্ষ্যে পরিণত করেছে।

ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগরীর ৫টি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়েছে। এ সকল ঘটনায় জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

এতে আরও বলা হয়, স্বর্ণের অলংকার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহনের ক্ষেত্রে জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা প্রায়শই ছিনতাইসহ প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হন। যা এই শিল্পের বিকাশে অন্তরায়। তাই জুয়েলারী শিল্পের বিকাশে বাজুসের পক্ষ থেকে নিম্নবর্ণিত প্রস্তাবনা পেশ করা হলো:

১. জুয়েলারি মার্কেট/প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

২. জুয়েলারি মার্কেট/প্রতিষ্ঠানের সামনে সার্বক্ষণিক সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা

৩. এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্বর্ণ পরিবহনের ক্ষেত্রে জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক প্রায়ই হয়রানীর শিকার হয়। এ ক্ষেত্রে স্বর্ণের অলংকার পরিবহনের সময় প্রতিষ্ঠানের চালানের কপি, বহনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও বাজুসের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাতে কোনরূপ হয়রানী না করে তার যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

৪. স্বর্ণ একটি মূল্যবান ধাতু। কিন্তু জুয়েলারি দোকানের চুরির ঘটনায় থানাগুলো দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সাধারণ চুরির মামলা হিসেবে গ্রহণ করে। আমরা এই আইন পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছি।

 

৫. সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর রামপুরাস্থ মোল্লা টাওয়ারের দি মনিকা জুয়েলার্স ও সুলতানা জুয়েলার্স, মোহাম্মদপুর টোকিও স্কয়ার মার্কেটের নিউ আনাস জুয়েলার্স, মিরপুর-১০ এ এফ এস স্কয়ার শপিং কমপ্লেক্সের আবান গোল্ড ও স্পার্কেল জুয়েলার্সে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় চুরিকৃত স্বর্ণের অলংকার ও নগদ টাকা উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত চোর চক্রদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। এই অবস্থায় জুয়েলারি শিল্পের নিরাপত্তায় বর্ণিত প্রস্তাবনা বিবেচনা করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীর দুই সহযোগী গ্রেফতার

জুয়েলারি শিল্পের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা গ্রহণে ডিএমপির কাছে বাজুসের চিঠি

আপডেট সময় : ০১:৩৮:১২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

জুয়েলারি শিল্পের নিরাপত্তার বিষয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মাইনুল হাসান বরাবর চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) বাজুসের সাধারণ সম্পাদক বাদল চন্দ্র রায় স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বাজুস দেশের প্রায় ৪০ হাজার জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্বকারী ঐতিহ্যবাহী, সর্ববৃহৎ বাণিজ্য সংগঠন। আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা, স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা এবং দেশীয় স্বর্ণ শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা করা।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুযোগে দুষ্কৃতিকারীরা জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানকে তাদের মূল লক্ষ্যে পরিণত করেছে।

ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগরীর ৫টি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়েছে। এ সকল ঘটনায় জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

এতে আরও বলা হয়, স্বর্ণের অলংকার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহনের ক্ষেত্রে জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা প্রায়শই ছিনতাইসহ প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হন। যা এই শিল্পের বিকাশে অন্তরায়। তাই জুয়েলারী শিল্পের বিকাশে বাজুসের পক্ষ থেকে নিম্নবর্ণিত প্রস্তাবনা পেশ করা হলো:

১. জুয়েলারি মার্কেট/প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

২. জুয়েলারি মার্কেট/প্রতিষ্ঠানের সামনে সার্বক্ষণিক সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা

৩. এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্বর্ণ পরিবহনের ক্ষেত্রে জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক প্রায়ই হয়রানীর শিকার হয়। এ ক্ষেত্রে স্বর্ণের অলংকার পরিবহনের সময় প্রতিষ্ঠানের চালানের কপি, বহনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও বাজুসের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাতে কোনরূপ হয়রানী না করে তার যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

৪. স্বর্ণ একটি মূল্যবান ধাতু। কিন্তু জুয়েলারি দোকানের চুরির ঘটনায় থানাগুলো দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সাধারণ চুরির মামলা হিসেবে গ্রহণ করে। আমরা এই আইন পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছি।

 

৫. সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর রামপুরাস্থ মোল্লা টাওয়ারের দি মনিকা জুয়েলার্স ও সুলতানা জুয়েলার্স, মোহাম্মদপুর টোকিও স্কয়ার মার্কেটের নিউ আনাস জুয়েলার্স, মিরপুর-১০ এ এফ এস স্কয়ার শপিং কমপ্লেক্সের আবান গোল্ড ও স্পার্কেল জুয়েলার্সে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় চুরিকৃত স্বর্ণের অলংকার ও নগদ টাকা উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত চোর চক্রদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। এই অবস্থায় জুয়েলারি শিল্পের নিরাপত্তায় বর্ণিত প্রস্তাবনা বিবেচনা করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।