শনিবার | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান Logo বাঁচতে চায় ক্যান্সারে আক্রান্ত খুবির সাবেক শিক্ষার্থী মুজাহিদ Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল Logo কচুয়ায় কাদিরখিল সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের মাদকবিরোধী ও উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা Logo সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি Logo পথিকৃৎ শিল্পীদের শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করা প্রয়োজন : খুবি উপাচার্য

খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:০০:৪০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  • ৮০৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে ‘সুস্পষ্টভাবে আদালতের ওপর প্রভাব বিস্তার’ বলে উল্লেখ করেছে বিএনপি। তার মামলা নিয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
গতকাল রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে কথা বলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের নেতাদের বক্তব্যে এটি স্পষ্ট হচ্ছে যে, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তারা নতুন নতুন ষড়যন্ত্র আঁটছেন। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন, তাতে সুস্পষ্টভাবে আদালতের ওপর প্রভাব বিস্তার। তাহলে কী খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আদালতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন?’

রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মনে করেন আইন, বিচার, প্রশাসন সবকিছুই তার করায়ত্বে, সেজন্য মামলা ও শাস্তি দেওয়া তার ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করে। তিনি নির্ধারণ করেই দিয়েছেন-বিরোধীদল হলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।

খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করছেন’ অভিযোগ করে দলটির এই মুখপাত্র বলেন, ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাসহ বেশিরভাগই করা হয়েছে ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। দুদককে ব্যবহার করে এই মামলার চার্জশিটও দেওয়া হয়েছে তাদেরই আমলে। এমনকি যে মামলাগুলো ১/১১ সরকারের সময় উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত ছিল সেই মামলাগুলোও তারা পুনরায় চালু করেছে।

‘অথচ একই মামলাগুলোতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীরও নাম ছিল এবং বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে ১/১১ এর সরকার যতগুলো মামলা দিয়েছিল তার তিনগুণ মামলা দায়ের করা হয়েছিল বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তিনি ১৫টি মামলা মাথায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। সেই মামলাগুলো হাওয়ায় উড়ে গেল কিভাবে? প্রধানমন্ত্রী তো আইন মোকাবিলা করে সে মামলাগুলো থেকে মুক্ত হননি’, বলেন রিজভী।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ অভিহিত করে তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র বিএনপি চেয়ারপারসনকে হয়রানি করার জন্য মামলাগুলো চলমান রাখা হয়েছে।’
জনগণ আওয়ামী ষড়যন্ত্রের সতর্ক দৃষ্টি রাখছে মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে ঘনঘন আদালতে হাজিরা দিতে বাধ্য করে তাকে যেভাবে হয়রানি করা হচ্ছে তা কোটি কোটি দেশবাসীর হৃদয়ে আঘাত হানছে। প্রবাদ আছে-অন্যের জন্যে গর্ত খুঁড়লে সেই গর্তে নিজেকেই পড়তে হয়।’

রাজধানীতে খোঁড়াখুঁড়ির কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণের জন্য সরকারকে দায়ী করে রিজভী বলেন, ‘শহরের সব সড়কে বিশেষ ব্যবস্থায় নিয়মিত পানি না ছিটানো, অপরিকল্পিতভাবে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি ও যেখানে সেখানে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখার মতো অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের ফলে ঢাকায় ‘ধুলিদূষণ’ নিত্যদিনের ঘটনা। কিন্তু এর সঙ্গে আরো অনেক অস্বাস্থ্যকর কর্মকাণ্ডের কারণে এবার ঢাকার বায়ুদূষণ ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, ‘ঢাকার দুই মেয়র ঢাকাকে গ্রিন ঢাকা ও ক্লিন ঢাকা পরিণত করার ঘোষণা দিলেও ধুলোয় উড়ছে ঢাকা এবং ঢাকা এশিয়ার দ্বিতীয় ধুলিদুষণ নগরীতে পরিণত হয়েছে। ধুলিজনিত রোগে সারা নগরবাসীর যেন এখন মুমূর্ষু অবস্থা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে !

আপডেট সময় : ১২:০০:৪০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে ‘সুস্পষ্টভাবে আদালতের ওপর প্রভাব বিস্তার’ বলে উল্লেখ করেছে বিএনপি। তার মামলা নিয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
গতকাল রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে কথা বলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের নেতাদের বক্তব্যে এটি স্পষ্ট হচ্ছে যে, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তারা নতুন নতুন ষড়যন্ত্র আঁটছেন। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন, তাতে সুস্পষ্টভাবে আদালতের ওপর প্রভাব বিস্তার। তাহলে কী খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আদালতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন?’

রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মনে করেন আইন, বিচার, প্রশাসন সবকিছুই তার করায়ত্বে, সেজন্য মামলা ও শাস্তি দেওয়া তার ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করে। তিনি নির্ধারণ করেই দিয়েছেন-বিরোধীদল হলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।

খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করছেন’ অভিযোগ করে দলটির এই মুখপাত্র বলেন, ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাসহ বেশিরভাগই করা হয়েছে ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। দুদককে ব্যবহার করে এই মামলার চার্জশিটও দেওয়া হয়েছে তাদেরই আমলে। এমনকি যে মামলাগুলো ১/১১ সরকারের সময় উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত ছিল সেই মামলাগুলোও তারা পুনরায় চালু করেছে।

‘অথচ একই মামলাগুলোতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীরও নাম ছিল এবং বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে ১/১১ এর সরকার যতগুলো মামলা দিয়েছিল তার তিনগুণ মামলা দায়ের করা হয়েছিল বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তিনি ১৫টি মামলা মাথায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। সেই মামলাগুলো হাওয়ায় উড়ে গেল কিভাবে? প্রধানমন্ত্রী তো আইন মোকাবিলা করে সে মামলাগুলো থেকে মুক্ত হননি’, বলেন রিজভী।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ অভিহিত করে তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র বিএনপি চেয়ারপারসনকে হয়রানি করার জন্য মামলাগুলো চলমান রাখা হয়েছে।’
জনগণ আওয়ামী ষড়যন্ত্রের সতর্ক দৃষ্টি রাখছে মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে ঘনঘন আদালতে হাজিরা দিতে বাধ্য করে তাকে যেভাবে হয়রানি করা হচ্ছে তা কোটি কোটি দেশবাসীর হৃদয়ে আঘাত হানছে। প্রবাদ আছে-অন্যের জন্যে গর্ত খুঁড়লে সেই গর্তে নিজেকেই পড়তে হয়।’

রাজধানীতে খোঁড়াখুঁড়ির কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণের জন্য সরকারকে দায়ী করে রিজভী বলেন, ‘শহরের সব সড়কে বিশেষ ব্যবস্থায় নিয়মিত পানি না ছিটানো, অপরিকল্পিতভাবে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি ও যেখানে সেখানে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখার মতো অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের ফলে ঢাকায় ‘ধুলিদূষণ’ নিত্যদিনের ঘটনা। কিন্তু এর সঙ্গে আরো অনেক অস্বাস্থ্যকর কর্মকাণ্ডের কারণে এবার ঢাকার বায়ুদূষণ ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, ‘ঢাকার দুই মেয়র ঢাকাকে গ্রিন ঢাকা ও ক্লিন ঢাকা পরিণত করার ঘোষণা দিলেও ধুলোয় উড়ছে ঢাকা এবং ঢাকা এশিয়ার দ্বিতীয় ধুলিদুষণ নগরীতে পরিণত হয়েছে। ধুলিজনিত রোগে সারা নগরবাসীর যেন এখন মুমূর্ষু অবস্থা।