মঙ্গলবার | ১০ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ Logo কয়রা সদর ইউনিয়নে এলএলএপি অভিযোজন প্রক্রিয়ার ত্রৈমাসিক ফলোআপ সভা অনুষ্ঠিত Logo ‘একুশ শতকে তারুণ্য’ গ্রন্থে স্থান পেলো খুবি শিক্ষার্থীদের প্রবন্ধ Logo পলাশবাড়ীতে কাশিয়াবাড়ী বাজারে ৬ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে ভুষিভূত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি  Logo চাঁদপুরে জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo পবিত্র  ঈদ উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে ৩৫ হাজার ৯ শ ৮৪ দুস্থ অসহায় পরিবার পাচ্ছে ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল Logo চাঁদপুর জেলা তৈল মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা Logo বিভিন্ন বিতর্কের পর সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দিলেন ডা. ফয়সাল আহমেদ Logo কক্সবাজারে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৩ সংসদ সদস্য

ঝিনাইদহের ঘোড়শাল ইউনিয়নে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা অনুষ্ঠিত

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৫৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮
  • ৭৮০ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ থেকে জাহিদুর রহমান তারিকঃ আবহমান বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় অনুষঙ্গ লাঠি খেলা। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হারাতে বসেছে বাংলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এ খেলা। একই সঙ্গে হুমকির মুখে পড়েছে এই খেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জীবন-জীবিকাও। তারপরও অনেককেই এখনও দেখা যায় খেলাটি খেলতে। নবান্ন উৎসব উপলক্ষে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ঘোড়শাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পারভেজ মাসুদ লিল্টনের আয়োজনে সদর উপজেলার মুনুড়িয়া স্কুল মাঠে বসেছিল লাঠিখেলার এ আসর। গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া এই লাঠি খেলা দেখতে ভীড় করে হাজার হাজার মানুষ। দর্শকদের হাততালিতে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। দর্শকরা জানান, অনেকেই এ খেলা প্রথম দেখলেন। হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতেই লাঠিখেলার এমন আয়োজন প্রতিনিয়ত করার দাবি তাদের। আয়োজক পারভেজ মাসুদ লিল্টন বলেন, আর হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতেই এ লাঠিখেলার আয়োজন করা হয়েছে। ৬০ দশক থেকে প্রচলিত এ লাঠিখেলাকে আজও গ্রাম ও শহরের বুকে ধরে রাখতে স্থানীয়দের পাশাপাশি সরকারকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। পৃষ্টপোষক জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেন, আবহমান গ্রাম বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় লাঠি খেলা। বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে মানুষ এখন ভুলতে বসেছে এক সময়ের জনপ্রিয় এই খেলাটি। এ খেলাটি সত্যি মনমুগ্ধকর। প্রচন্ড ভিড় উপেক্ষা করে লাঠিখেলা উপভোগ করেন সাধারণ মানুষ। বর্ণিল সাজে লাঠি হাতে লাঠিয়ালরা অংশ নেন এ খেলায়। ঢাকঢোল আর বাঁশির তালে আনন্দে উল্ল¬াসে মেতে ওঠেন সবাই। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে নানা বয়সের মানুষ রং-বেরঙের পোশাক পরে মাঠে নামেন লাঠি খেলতে। মানুষের এ উচ্ছাস প্রমাণ করে লাঠি খেলা নিয়ে মানুষের আগ্রহ আছে। এসময় পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আছাদুজ্জামান, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক সাইফুর রহমান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছাদেকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আরিফ-উজ জামান, সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ

ঝিনাইদহের ঘোড়শাল ইউনিয়নে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১১:০৯:৫৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮

ঝিনাইদহ থেকে জাহিদুর রহমান তারিকঃ আবহমান বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় অনুষঙ্গ লাঠি খেলা। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হারাতে বসেছে বাংলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এ খেলা। একই সঙ্গে হুমকির মুখে পড়েছে এই খেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জীবন-জীবিকাও। তারপরও অনেককেই এখনও দেখা যায় খেলাটি খেলতে। নবান্ন উৎসব উপলক্ষে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ঘোড়শাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পারভেজ মাসুদ লিল্টনের আয়োজনে সদর উপজেলার মুনুড়িয়া স্কুল মাঠে বসেছিল লাঠিখেলার এ আসর। গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া এই লাঠি খেলা দেখতে ভীড় করে হাজার হাজার মানুষ। দর্শকদের হাততালিতে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। দর্শকরা জানান, অনেকেই এ খেলা প্রথম দেখলেন। হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতেই লাঠিখেলার এমন আয়োজন প্রতিনিয়ত করার দাবি তাদের। আয়োজক পারভেজ মাসুদ লিল্টন বলেন, আর হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতেই এ লাঠিখেলার আয়োজন করা হয়েছে। ৬০ দশক থেকে প্রচলিত এ লাঠিখেলাকে আজও গ্রাম ও শহরের বুকে ধরে রাখতে স্থানীয়দের পাশাপাশি সরকারকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। পৃষ্টপোষক জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেন, আবহমান গ্রাম বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় লাঠি খেলা। বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে মানুষ এখন ভুলতে বসেছে এক সময়ের জনপ্রিয় এই খেলাটি। এ খেলাটি সত্যি মনমুগ্ধকর। প্রচন্ড ভিড় উপেক্ষা করে লাঠিখেলা উপভোগ করেন সাধারণ মানুষ। বর্ণিল সাজে লাঠি হাতে লাঠিয়ালরা অংশ নেন এ খেলায়। ঢাকঢোল আর বাঁশির তালে আনন্দে উল্ল¬াসে মেতে ওঠেন সবাই। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে নানা বয়সের মানুষ রং-বেরঙের পোশাক পরে মাঠে নামেন লাঠি খেলতে। মানুষের এ উচ্ছাস প্রমাণ করে লাঠি খেলা নিয়ে মানুষের আগ্রহ আছে। এসময় পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আছাদুজ্জামান, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক সাইফুর রহমান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছাদেকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আরিফ-উজ জামান, সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।