রবিবার | ২২ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল Logo চাঁদপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢল Logo চাঁদপুরে জাকের পার্টির ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া Logo ঈদের সকালে মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ Logo চাঁদপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ Logo বড়স্টেশন প্রধানীয়া বাড়ির মানবিক উদ্যোগ: ৫ শতাধিক অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

অপরাধীদের সাথে নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের ঘোষণা জাতির সঙ্গে ঠাট্টা-মশকরা : তথ্যমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৯:২৯:১৯ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮
  • ৮০১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, অপরাধীদের সাথে নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের ঘোষণা জাতির সঙ্গে ঠাট্টা-মশকরা।
তিনি বলেন, ‘জঙ্গি সন্ত্রাসী, জামায়াত, রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী ও স্বীকৃত চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের সাথে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দেশ উদ্ধারের ঘোষণা জাতির সঙ্গে ঠাট্টা-মশকরা ছাড়া আর কিছু নয়।’
সচিবালয়ে আজ তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সমসাময়িক রাজনীতি প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা ও ১১ লক্ষ্য আসলে গণতন্ত্রকে জিম্মি করারই পাঁয়তারা, যার মূল উদ্দেশ্য জঙ্গিসঙ্গী ও দুর্নীতিবাজসহ সব অপরাধীদের রাজনীতিতে ফিরিয়ে এনে অস্বাভাবিক সরকার প্রতিষ্ঠা। এ কারণেই তাদের এই ঐক্য আসলে জোট নয়, একটি ষড়যন্ত্রের ঘোঁট।
রাজাকার ও জামায়াতের আশ্রায়ন প্রকল্প বিএনপি এখন ড. কামালকে আশ্রয় করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ড. কামালও তার মুখোশ খুলে জামায়াত-রাজাকারের সাথে সংসার করতে বিএনপি’র ঘরে ঢুকেছেন। শেখ হাসিনাকে মাইনাস করে রাজাকার-বিএনপিকে প্লাস করার এই চক্রান্ত জনগণ রুখে দেবে।”
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের মুক্তিদান আর নির্বাচন পর্যন্ত সব মামলা স্থগিত এবং আর সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার যে অগণতান্ত্রিক দাবি ঐক্যফ্রন্ট করেছে, তা দেশ ও সংবিধানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের শামিল।
বিকল্পধারা ঐক্যফ্রন্টে যোগ না দেয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারা ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেননি, আওয়ামী লীগ বা মহাজোটেও যোগ দেননি, তারা স্বাধীনভাবে রাজনীতিতে অংশ নিচ্ছেন, এটিকে আমরা স্বাগত জানাই।’
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে হাসানুল হক ইনু বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এখনো আলোচনার মধ্যেই রয়েছে। সংসদে পাস হওয়া আইনে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর একটি রুটিন কাজ। আইন পাস হবার পরও এ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ সবসময় থাকে, এখনও রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল

অপরাধীদের সাথে নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের ঘোষণা জাতির সঙ্গে ঠাট্টা-মশকরা : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:২৯:১৯ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, অপরাধীদের সাথে নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের ঘোষণা জাতির সঙ্গে ঠাট্টা-মশকরা।
তিনি বলেন, ‘জঙ্গি সন্ত্রাসী, জামায়াত, রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী ও স্বীকৃত চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের সাথে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দেশ উদ্ধারের ঘোষণা জাতির সঙ্গে ঠাট্টা-মশকরা ছাড়া আর কিছু নয়।’
সচিবালয়ে আজ তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সমসাময়িক রাজনীতি প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা ও ১১ লক্ষ্য আসলে গণতন্ত্রকে জিম্মি করারই পাঁয়তারা, যার মূল উদ্দেশ্য জঙ্গিসঙ্গী ও দুর্নীতিবাজসহ সব অপরাধীদের রাজনীতিতে ফিরিয়ে এনে অস্বাভাবিক সরকার প্রতিষ্ঠা। এ কারণেই তাদের এই ঐক্য আসলে জোট নয়, একটি ষড়যন্ত্রের ঘোঁট।
রাজাকার ও জামায়াতের আশ্রায়ন প্রকল্প বিএনপি এখন ড. কামালকে আশ্রয় করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ড. কামালও তার মুখোশ খুলে জামায়াত-রাজাকারের সাথে সংসার করতে বিএনপি’র ঘরে ঢুকেছেন। শেখ হাসিনাকে মাইনাস করে রাজাকার-বিএনপিকে প্লাস করার এই চক্রান্ত জনগণ রুখে দেবে।”
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের মুক্তিদান আর নির্বাচন পর্যন্ত সব মামলা স্থগিত এবং আর সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার যে অগণতান্ত্রিক দাবি ঐক্যফ্রন্ট করেছে, তা দেশ ও সংবিধানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের শামিল।
বিকল্পধারা ঐক্যফ্রন্টে যোগ না দেয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারা ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেননি, আওয়ামী লীগ বা মহাজোটেও যোগ দেননি, তারা স্বাধীনভাবে রাজনীতিতে অংশ নিচ্ছেন, এটিকে আমরা স্বাগত জানাই।’
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে হাসানুল হক ইনু বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এখনো আলোচনার মধ্যেই রয়েছে। সংসদে পাস হওয়া আইনে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর একটি রুটিন কাজ। আইন পাস হবার পরও এ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ সবসময় থাকে, এখনও রয়েছে।