বুধবার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী Logo স্টুডেন্ট স্কয়ার: শিক্ষার্থী থেকেই টেকসই পরিবর্তনের সূচনা Logo কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo এনবিআরের ওয়েবসাইটে এইচএস কোডভিত্তিক আমদানি তথ্য প্রকাশ Logo গাজীপুর-৪ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে তৌফিক সুলতান স্যারের ‘জ্ঞানের জগৎ’ বই Logo পবিত্র লাইলাতুল বরাত আনজুমান ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য

বিএনপি ও সহযোগীদের নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকার গঠনের দাবি অযৌক্তিক : ওবায়দুল কাদের

  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৫৯ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮
  • ৭৮৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি এবং এর সহযোগীদের নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকার গঠনের দাবি অযৌক্তিক।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। হয়তো, নভেম্বরে প্রথম সপ্তাহে তফশিল ঘোষণা করা হবে। সে দিক দিয়ে হিসেব করলে সময় এক মাসের চাইতে দুই-একদিন বেশি। এসময় বিএনপি ও তাদের সহযোগীদের নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠনের দাবি অযৌক্তিক। বিএনপি ও তাদের সহযোগীদের দাবি হওয়া উচিত নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের, নিরপেক্ষ সরকারের নয়।’
ওবায়দুল কাদের আজ রোববার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সমসাময়িক রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি বা এর সহযোগীরা ঐক্য প্রক্রিয়া বা ঐক্য ফ্রন্ট যে দাবিই করুক না কেন, সে অনুযায়ী সরকার গঠন সংবিধান সম্মত হবে না। তারা যে দাবি করছে সেটা করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। তফশিল ঘোষণার আর এক মাস বাকি আছে। এই সময়ে তো সংবিধান পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় নির্বাচনকালীন সরকারের কোনো কাজ থাকবে না। তারা শুধু রুটিন মাফিক কাজ করবে। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। সেখানে সরকারের কোনো হাত নেই। তখন সরকারের ক্ষমতা সীমিত হয়ে যাবে। বিএনপির দরকার হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষই আছে।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ তো অশান্ত নয়। তবে বিএনপি ও তার সহযোগীরা অশান্তির উস্কানি দিচ্ছে। দেশে কী এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে দেশে এখন বিশেষ সরকারের প্রয়োজন পড়েছে?
অক্টোবরের মাঝামাঝি অথবা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মোট কথা অক্টোবরেই হচ্ছে নির্বাচনকালীন সরকার।’
বিএনপি যদি নির্বাচনে না আসে তবে তাদেরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করানোর জন্য বিশেষ কোনও পদক্ষেপ নেবেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটা কি আমার বাড়ির মেজবান যে আমি তাদের দাওয়াত দিয়ে আনবো? নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা তো বিএনপির গণতান্ত্রিক অধিকার। সেটিকে তারা দয়ার দান ভাবছে কেন?’
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশের অনুমতি দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমাবেশ করার জন্য না কি অনুমতি দেই না। এবার তো অনুমতি দিলাম, জনসভা করুক। লাগলে মঞ্চ তৈরি করে দিবো, মাইক লাগিয়ে দিবো, যত খুশি কথা বলুক। বিএনপির শাসনামলে অনুমতি আমাদেরকেও নিতে হয়েছে। এখন তো অনুমতি দেই দিনে, আমরা অনুমতি পেতাম রাত ১১টার পর।
রাজনীতির মাঠ আবার উত্তপ্ত হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাঠ উত্তপ্ত হবে কেন? আমরা তো পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দেইনি। আমরা দিয়েছি নিরীহ কর্মসূচি। আমাদের কর্মসূচি হছে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ।
বিএনপি না এলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন যদি বিশ্ববাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য না হতো তাহলে এদেশে আইপিইউ (ইন্টারন্যাশনাল পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন) এবং সিপিএ’র (কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন) বর্ণাঢ্য কনফারেন্স হলো কী করে। বিশ্বের এত এত স্পিকার, এত এত ডেপুটি স্পিকার দেশে এসেছিল, তারা কি কোনও প্রশ্ন তুলেছিল যে এই দেশের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য না কিংবা আমি এখানে কনফারেন্সে অংশ নেবো না। এমন কিছু কি ঘটেছিলো? এমন কিছু কি শুনেছেন? এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীর অভাব হবে না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

বিএনপি ও সহযোগীদের নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকার গঠনের দাবি অযৌক্তিক : ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় : ১১:৪১:৫৯ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি এবং এর সহযোগীদের নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকার গঠনের দাবি অযৌক্তিক।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। হয়তো, নভেম্বরে প্রথম সপ্তাহে তফশিল ঘোষণা করা হবে। সে দিক দিয়ে হিসেব করলে সময় এক মাসের চাইতে দুই-একদিন বেশি। এসময় বিএনপি ও তাদের সহযোগীদের নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠনের দাবি অযৌক্তিক। বিএনপি ও তাদের সহযোগীদের দাবি হওয়া উচিত নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের, নিরপেক্ষ সরকারের নয়।’
ওবায়দুল কাদের আজ রোববার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সমসাময়িক রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি বা এর সহযোগীরা ঐক্য প্রক্রিয়া বা ঐক্য ফ্রন্ট যে দাবিই করুক না কেন, সে অনুযায়ী সরকার গঠন সংবিধান সম্মত হবে না। তারা যে দাবি করছে সেটা করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। তফশিল ঘোষণার আর এক মাস বাকি আছে। এই সময়ে তো সংবিধান পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় নির্বাচনকালীন সরকারের কোনো কাজ থাকবে না। তারা শুধু রুটিন মাফিক কাজ করবে। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। সেখানে সরকারের কোনো হাত নেই। তখন সরকারের ক্ষমতা সীমিত হয়ে যাবে। বিএনপির দরকার হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষই আছে।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ তো অশান্ত নয়। তবে বিএনপি ও তার সহযোগীরা অশান্তির উস্কানি দিচ্ছে। দেশে কী এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে দেশে এখন বিশেষ সরকারের প্রয়োজন পড়েছে?
অক্টোবরের মাঝামাঝি অথবা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মোট কথা অক্টোবরেই হচ্ছে নির্বাচনকালীন সরকার।’
বিএনপি যদি নির্বাচনে না আসে তবে তাদেরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করানোর জন্য বিশেষ কোনও পদক্ষেপ নেবেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটা কি আমার বাড়ির মেজবান যে আমি তাদের দাওয়াত দিয়ে আনবো? নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা তো বিএনপির গণতান্ত্রিক অধিকার। সেটিকে তারা দয়ার দান ভাবছে কেন?’
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশের অনুমতি দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমাবেশ করার জন্য না কি অনুমতি দেই না। এবার তো অনুমতি দিলাম, জনসভা করুক। লাগলে মঞ্চ তৈরি করে দিবো, মাইক লাগিয়ে দিবো, যত খুশি কথা বলুক। বিএনপির শাসনামলে অনুমতি আমাদেরকেও নিতে হয়েছে। এখন তো অনুমতি দেই দিনে, আমরা অনুমতি পেতাম রাত ১১টার পর।
রাজনীতির মাঠ আবার উত্তপ্ত হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাঠ উত্তপ্ত হবে কেন? আমরা তো পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দেইনি। আমরা দিয়েছি নিরীহ কর্মসূচি। আমাদের কর্মসূচি হছে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ।
বিএনপি না এলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন যদি বিশ্ববাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য না হতো তাহলে এদেশে আইপিইউ (ইন্টারন্যাশনাল পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন) এবং সিপিএ’র (কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন) বর্ণাঢ্য কনফারেন্স হলো কী করে। বিশ্বের এত এত স্পিকার, এত এত ডেপুটি স্পিকার দেশে এসেছিল, তারা কি কোনও প্রশ্ন তুলেছিল যে এই দেশের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য না কিংবা আমি এখানে কনফারেন্সে অংশ নেবো না। এমন কিছু কি ঘটেছিলো? এমন কিছু কি শুনেছেন? এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীর অভাব হবে না।