সোমবার | ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের  Logo ব্রাকসু নির্বাচনের চতুর্থত বার পুনঃতফসিল ঘোষণা  Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম: পরিদর্শনে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য Logo গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি Logo যৌন নিপীড়নের দায়ে খুবি শিক্ষককে দুই বছরের অব্যাহিত  Logo বারিষাব ইউনিয়নের ১০৩/৭৭ আল-তৌফিকী সড়ক পাকা ও আধুনিকীকরণের জরুরি প্রয়োজন Logo মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার, অপহরণকারী আটক Logo রাকসুর উদ্যোগে সুপেয় পানির ফিল্টার স্থাপন Logo গণভোট উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে গণসচেতনতায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ  Logo শব্দকথা সাহিত্য পুরস্কার–২০২৫ পেলেন নুরুন্নাহার মুন্নি

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে বেড়েই যাচ্ছে শিশু রোগী

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:১২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭
  • ৮৪৫ বার পড়া হয়েছে

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ কোথাও মেঝেতে, কোথাওবা বারান্দায়, আবার কোথাওবা মা-বাবার কোলে চড়ে থাকতে হচ্ছে। কারণ বেডের সংখ্যা মাত্র ৮টি, বিপরীতে থাকছে গড়ে ৭০-৮০ জন, প্রতিদিন সদর হাসপাতালের জরুরী ও বহি:বিভাগের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ৩ শতাধীক শিশুকে। এই হচ্ছে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের নিউমোনিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের গল্প। শীত মৌসুম আসলেই শিশুরা নিউমোনিয়াসহ ভাইরাসজনিত রোগে ভোগে। তবে খোদ ডাক্তাররাই নিউমোনিয়ার ব্যাপক প্রকোপ দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করে, ব্যহত চিকিৎসায় দায়ী করলেন স্বল্প জনবল ও সীমিত আসনকে। জেলার ৬টি উপজেলা থেকেই ভাল সেবা পেতে অবিভাবকরা ছুটে আসছে তাদের শিশুকে নিয়ে সদর হাসপাতলে। সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মৌসুম পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ায় বিরাজ করছে কখনও গরম আবার কখনও ঠান্ডা। এ অবস্থায় ঝিনাইদহে শত-শত শিশুকে চিকিৎসা সেবা দিতে হচ্ছে। বহিঃবিভাগ ও অন্তঃ বিভাগ মিলে প্রতিদিন প্রায় ২৫০-৩০০ বাচ্চাকে ঠান্ডজসির সমস্যার চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। শিশু ওয়ার্ডে মাত্র এক জন বিশেষঞ্জ চিকিৎসক দিয়ে যাচ্ছে সেবা। তাই আরও একজন মেডিক্যাল অফিসার দেয়ার চিন্তা করছে কর্তৃপক্ষ। হরিণাকুন্ড উপজেলা থেকে আগত কালাম মিয়া জানান, আমার বাচ্চা আজ ৭ দিন ধরে ভর্তি। শিশুদের রোগ নিরাময়ে প্রয়োজনীয় রেডিয়েন্ট ওয়ারমার মেশিণ, ফটোথেরাপি মেশিনও রয়েছে নষ্ট। নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থাও। সদর উপজেলার চুটলিয়া গ্রামের মিনা খাতুন জানান, নিউমোরিয়ার এই প্রকোপে আমরা অবিভাবকরাও সঙ্কিত । শিশুদের পাশাপাশি গাদাগাদি করে তাদেরকেও থাকতে হচ্ছে হাসপাতালের কোথাও না কোথাও।
সদর হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: আনোয়াররুল ইসলাম জানান, মেঝেতে বারান্দায় ধুলাবালি ময়লা আবর্জনায় সুস্থতার বিপরীতে আরও নানা রোগ আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। ঝিনাইদহ হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও ভারপ্রাপ্ত তত্তাবধায়ক ডা: ইমদাদুল হক জানান, ভাইরাস জনিত কারণে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। এখানকার কর্মকতারা ঘুরেফিরে ১১ বছর আঘে নির্মিত ২৫ শয্যার শিশু হাসপাতাল চালুর কথা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের 

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে বেড়েই যাচ্ছে শিশু রোগী

আপডেট সময় : ০৭:০৩:১২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ কোথাও মেঝেতে, কোথাওবা বারান্দায়, আবার কোথাওবা মা-বাবার কোলে চড়ে থাকতে হচ্ছে। কারণ বেডের সংখ্যা মাত্র ৮টি, বিপরীতে থাকছে গড়ে ৭০-৮০ জন, প্রতিদিন সদর হাসপাতালের জরুরী ও বহি:বিভাগের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ৩ শতাধীক শিশুকে। এই হচ্ছে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের নিউমোনিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের গল্প। শীত মৌসুম আসলেই শিশুরা নিউমোনিয়াসহ ভাইরাসজনিত রোগে ভোগে। তবে খোদ ডাক্তাররাই নিউমোনিয়ার ব্যাপক প্রকোপ দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করে, ব্যহত চিকিৎসায় দায়ী করলেন স্বল্প জনবল ও সীমিত আসনকে। জেলার ৬টি উপজেলা থেকেই ভাল সেবা পেতে অবিভাবকরা ছুটে আসছে তাদের শিশুকে নিয়ে সদর হাসপাতলে। সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মৌসুম পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ায় বিরাজ করছে কখনও গরম আবার কখনও ঠান্ডা। এ অবস্থায় ঝিনাইদহে শত-শত শিশুকে চিকিৎসা সেবা দিতে হচ্ছে। বহিঃবিভাগ ও অন্তঃ বিভাগ মিলে প্রতিদিন প্রায় ২৫০-৩০০ বাচ্চাকে ঠান্ডজসির সমস্যার চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। শিশু ওয়ার্ডে মাত্র এক জন বিশেষঞ্জ চিকিৎসক দিয়ে যাচ্ছে সেবা। তাই আরও একজন মেডিক্যাল অফিসার দেয়ার চিন্তা করছে কর্তৃপক্ষ। হরিণাকুন্ড উপজেলা থেকে আগত কালাম মিয়া জানান, আমার বাচ্চা আজ ৭ দিন ধরে ভর্তি। শিশুদের রোগ নিরাময়ে প্রয়োজনীয় রেডিয়েন্ট ওয়ারমার মেশিণ, ফটোথেরাপি মেশিনও রয়েছে নষ্ট। নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থাও। সদর উপজেলার চুটলিয়া গ্রামের মিনা খাতুন জানান, নিউমোরিয়ার এই প্রকোপে আমরা অবিভাবকরাও সঙ্কিত । শিশুদের পাশাপাশি গাদাগাদি করে তাদেরকেও থাকতে হচ্ছে হাসপাতালের কোথাও না কোথাও।
সদর হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: আনোয়াররুল ইসলাম জানান, মেঝেতে বারান্দায় ধুলাবালি ময়লা আবর্জনায় সুস্থতার বিপরীতে আরও নানা রোগ আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। ঝিনাইদহ হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও ভারপ্রাপ্ত তত্তাবধায়ক ডা: ইমদাদুল হক জানান, ভাইরাস জনিত কারণে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। এখানকার কর্মকতারা ঘুরেফিরে ১১ বছর আঘে নির্মিত ২৫ শয্যার শিশু হাসপাতাল চালুর কথা।