শিরোনাম :
Logo শেরপুরে পলিটেকনিকে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রশিবির Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী-শিশুসহ ১৫ বাংলাদেশীকে আটক করে বিজিবির হাতে দিল বিএসএফ Logo তরুণরাই দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত পুনর্গঠন করবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo সিরাজগঞ্জে সড়কদ্বীপে আগাছা পরিস্কার Logo চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির ৫ম বই উপহার মাস ঘোষণা Logo অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করতে চান হিরো মনির Logo কয়রায় সিপিপির আড়ালে আওয়ামী এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগ Logo চাঁদপুর সদর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ফয়সলের যোগদান Logo খুবিতে আন্তঃডিসিপ্লিন কুইজ প্রতিযোগিতা শুরু Logo মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে বেড়েই যাচ্ছে শিশু রোগী

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:১২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭
  • ৭৯০ বার পড়া হয়েছে

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ কোথাও মেঝেতে, কোথাওবা বারান্দায়, আবার কোথাওবা মা-বাবার কোলে চড়ে থাকতে হচ্ছে। কারণ বেডের সংখ্যা মাত্র ৮টি, বিপরীতে থাকছে গড়ে ৭০-৮০ জন, প্রতিদিন সদর হাসপাতালের জরুরী ও বহি:বিভাগের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ৩ শতাধীক শিশুকে। এই হচ্ছে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের নিউমোনিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের গল্প। শীত মৌসুম আসলেই শিশুরা নিউমোনিয়াসহ ভাইরাসজনিত রোগে ভোগে। তবে খোদ ডাক্তাররাই নিউমোনিয়ার ব্যাপক প্রকোপ দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করে, ব্যহত চিকিৎসায় দায়ী করলেন স্বল্প জনবল ও সীমিত আসনকে। জেলার ৬টি উপজেলা থেকেই ভাল সেবা পেতে অবিভাবকরা ছুটে আসছে তাদের শিশুকে নিয়ে সদর হাসপাতলে। সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মৌসুম পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ায় বিরাজ করছে কখনও গরম আবার কখনও ঠান্ডা। এ অবস্থায় ঝিনাইদহে শত-শত শিশুকে চিকিৎসা সেবা দিতে হচ্ছে। বহিঃবিভাগ ও অন্তঃ বিভাগ মিলে প্রতিদিন প্রায় ২৫০-৩০০ বাচ্চাকে ঠান্ডজসির সমস্যার চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। শিশু ওয়ার্ডে মাত্র এক জন বিশেষঞ্জ চিকিৎসক দিয়ে যাচ্ছে সেবা। তাই আরও একজন মেডিক্যাল অফিসার দেয়ার চিন্তা করছে কর্তৃপক্ষ। হরিণাকুন্ড উপজেলা থেকে আগত কালাম মিয়া জানান, আমার বাচ্চা আজ ৭ দিন ধরে ভর্তি। শিশুদের রোগ নিরাময়ে প্রয়োজনীয় রেডিয়েন্ট ওয়ারমার মেশিণ, ফটোথেরাপি মেশিনও রয়েছে নষ্ট। নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থাও। সদর উপজেলার চুটলিয়া গ্রামের মিনা খাতুন জানান, নিউমোরিয়ার এই প্রকোপে আমরা অবিভাবকরাও সঙ্কিত । শিশুদের পাশাপাশি গাদাগাদি করে তাদেরকেও থাকতে হচ্ছে হাসপাতালের কোথাও না কোথাও।
সদর হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: আনোয়াররুল ইসলাম জানান, মেঝেতে বারান্দায় ধুলাবালি ময়লা আবর্জনায় সুস্থতার বিপরীতে আরও নানা রোগ আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। ঝিনাইদহ হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও ভারপ্রাপ্ত তত্তাবধায়ক ডা: ইমদাদুল হক জানান, ভাইরাস জনিত কারণে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। এখানকার কর্মকতারা ঘুরেফিরে ১১ বছর আঘে নির্মিত ২৫ শয্যার শিশু হাসপাতাল চালুর কথা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে পলিটেকনিকে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রশিবির

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে বেড়েই যাচ্ছে শিশু রোগী

আপডেট সময় : ০৭:০৩:১২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ কোথাও মেঝেতে, কোথাওবা বারান্দায়, আবার কোথাওবা মা-বাবার কোলে চড়ে থাকতে হচ্ছে। কারণ বেডের সংখ্যা মাত্র ৮টি, বিপরীতে থাকছে গড়ে ৭০-৮০ জন, প্রতিদিন সদর হাসপাতালের জরুরী ও বহি:বিভাগের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ৩ শতাধীক শিশুকে। এই হচ্ছে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের নিউমোনিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের গল্প। শীত মৌসুম আসলেই শিশুরা নিউমোনিয়াসহ ভাইরাসজনিত রোগে ভোগে। তবে খোদ ডাক্তাররাই নিউমোনিয়ার ব্যাপক প্রকোপ দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করে, ব্যহত চিকিৎসায় দায়ী করলেন স্বল্প জনবল ও সীমিত আসনকে। জেলার ৬টি উপজেলা থেকেই ভাল সেবা পেতে অবিভাবকরা ছুটে আসছে তাদের শিশুকে নিয়ে সদর হাসপাতলে। সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মৌসুম পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ায় বিরাজ করছে কখনও গরম আবার কখনও ঠান্ডা। এ অবস্থায় ঝিনাইদহে শত-শত শিশুকে চিকিৎসা সেবা দিতে হচ্ছে। বহিঃবিভাগ ও অন্তঃ বিভাগ মিলে প্রতিদিন প্রায় ২৫০-৩০০ বাচ্চাকে ঠান্ডজসির সমস্যার চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। শিশু ওয়ার্ডে মাত্র এক জন বিশেষঞ্জ চিকিৎসক দিয়ে যাচ্ছে সেবা। তাই আরও একজন মেডিক্যাল অফিসার দেয়ার চিন্তা করছে কর্তৃপক্ষ। হরিণাকুন্ড উপজেলা থেকে আগত কালাম মিয়া জানান, আমার বাচ্চা আজ ৭ দিন ধরে ভর্তি। শিশুদের রোগ নিরাময়ে প্রয়োজনীয় রেডিয়েন্ট ওয়ারমার মেশিণ, ফটোথেরাপি মেশিনও রয়েছে নষ্ট। নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থাও। সদর উপজেলার চুটলিয়া গ্রামের মিনা খাতুন জানান, নিউমোরিয়ার এই প্রকোপে আমরা অবিভাবকরাও সঙ্কিত । শিশুদের পাশাপাশি গাদাগাদি করে তাদেরকেও থাকতে হচ্ছে হাসপাতালের কোথাও না কোথাও।
সদর হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: আনোয়াররুল ইসলাম জানান, মেঝেতে বারান্দায় ধুলাবালি ময়লা আবর্জনায় সুস্থতার বিপরীতে আরও নানা রোগ আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। ঝিনাইদহ হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও ভারপ্রাপ্ত তত্তাবধায়ক ডা: ইমদাদুল হক জানান, ভাইরাস জনিত কারণে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। এখানকার কর্মকতারা ঘুরেফিরে ১১ বছর আঘে নির্মিত ২৫ শয্যার শিশু হাসপাতাল চালুর কথা।