শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

কাতারে ভিসা ব্যবসায়ীকে পুলিশে সোপর্দ

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:৩২ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৭ আগস্ট ২০১৭
  • ৭৮৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

কাতারে প্রতারক বাংলাদেশি ভিসা ব্যবসায়ীকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। তার নাম তাজিরুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে ভিসা বিক্রি ও কর্মীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ করে আসছিলেন অনেক বাংলাদেশি।

দূতাবাস সূত্র জানায়, সম্প্রতি আট জন প্রবাসী বাংলাদেশ দূতাবাসে এসে অভিযোগ করেন, তাজিরুল তাদের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা নিয়েছে। এখন কাতারে আসার পর কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি কর্মীদের আইডি তৈরির কোনো পদক্ষেপ নেননি। পাশাপাশি এই কর্মীদের কোনো কাজও দিতে পারেনি তার প্রতিষ্ঠান। এমতাবস্থায় তারা অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দূতাবাসের শ্রমশাখা অভিযোগ তদন্ত করে এর সত্যতা পাওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে দূতাবাসে হাজির হতে বলে।

গত ২৬ জুলাই তিনি দূতাবাসে হাজির হন। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।

দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর ড. সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত তাজিরুলের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। তিনি ভিসা বিক্রির পর কাতারে কর্মী আনার কিছুদিন পর আবার তাদের দেশে পাঠিয়ে দেন। এভাবে তার হাতে অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সর্বশেষ আটজনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করি। আমরা তার কফিল কাতারি নাগরিককেও ডেকেছিলাম। তার সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত রয়েছে।

ড. সিরাজ বলেন, বাংলাদেশ কমিউনিটির আরও অনেকে এমন অবৈধ ভিসা বিক্রি ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে আমাদের কাছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালে আমরা ব্যবস্থা নেব। অনেক ভিসা ব্যবসায়ী দূতাবাসে এসেও বড় বড় কথা বলেন, কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে তারা অপরাধী এবং এদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমদ বলেন, কাতারে যেসব বাংলাদেশি ভিসা বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রেখেছি। এরই অংশ হিসেবে এই ব্যক্তিকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে আরও একজনকে আমরা এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনের হাতে তুলে দিয়েছিলাম।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ভিসাবাণিজ্য বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একটি ব্যধি। এটি যে কোনো মূল্যে দূর করতে হবে। যদিও অনেক ক্ষেত্রে এ ধরণের কেনাবেচা ও প্রতারণার প্রমাণ পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, কিন্তু আমরা অভিযুক্তকে ডেকে নানাভাবে এর তদন্ত করে সত্যতা খুঁজে বের করছি। তিনি ভিসা কেনাবেচার অবৈধ বাণিজ্য থেকে সবাইকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

কাতারে ভিসা ব্যবসায়ীকে পুলিশে সোপর্দ

আপডেট সময় : ১১:৫১:৩২ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৭ আগস্ট ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

কাতারে প্রতারক বাংলাদেশি ভিসা ব্যবসায়ীকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। তার নাম তাজিরুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে ভিসা বিক্রি ও কর্মীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ করে আসছিলেন অনেক বাংলাদেশি।

দূতাবাস সূত্র জানায়, সম্প্রতি আট জন প্রবাসী বাংলাদেশ দূতাবাসে এসে অভিযোগ করেন, তাজিরুল তাদের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা নিয়েছে। এখন কাতারে আসার পর কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি কর্মীদের আইডি তৈরির কোনো পদক্ষেপ নেননি। পাশাপাশি এই কর্মীদের কোনো কাজও দিতে পারেনি তার প্রতিষ্ঠান। এমতাবস্থায় তারা অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দূতাবাসের শ্রমশাখা অভিযোগ তদন্ত করে এর সত্যতা পাওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে দূতাবাসে হাজির হতে বলে।

গত ২৬ জুলাই তিনি দূতাবাসে হাজির হন। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।

দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর ড. সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত তাজিরুলের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। তিনি ভিসা বিক্রির পর কাতারে কর্মী আনার কিছুদিন পর আবার তাদের দেশে পাঠিয়ে দেন। এভাবে তার হাতে অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সর্বশেষ আটজনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করি। আমরা তার কফিল কাতারি নাগরিককেও ডেকেছিলাম। তার সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত রয়েছে।

ড. সিরাজ বলেন, বাংলাদেশ কমিউনিটির আরও অনেকে এমন অবৈধ ভিসা বিক্রি ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে আমাদের কাছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালে আমরা ব্যবস্থা নেব। অনেক ভিসা ব্যবসায়ী দূতাবাসে এসেও বড় বড় কথা বলেন, কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে তারা অপরাধী এবং এদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমদ বলেন, কাতারে যেসব বাংলাদেশি ভিসা বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রেখেছি। এরই অংশ হিসেবে এই ব্যক্তিকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে আরও একজনকে আমরা এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনের হাতে তুলে দিয়েছিলাম।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ভিসাবাণিজ্য বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একটি ব্যধি। এটি যে কোনো মূল্যে দূর করতে হবে। যদিও অনেক ক্ষেত্রে এ ধরণের কেনাবেচা ও প্রতারণার প্রমাণ পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, কিন্তু আমরা অভিযুক্তকে ডেকে নানাভাবে এর তদন্ত করে সত্যতা খুঁজে বের করছি। তিনি ভিসা কেনাবেচার অবৈধ বাণিজ্য থেকে সবাইকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।