মঙ্গলবার | ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী Logo স্টুডেন্ট স্কয়ার: শিক্ষার্থী থেকেই টেকসই পরিবর্তনের সূচনা Logo কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo এনবিআরের ওয়েবসাইটে এইচএস কোডভিত্তিক আমদানি তথ্য প্রকাশ Logo গাজীপুর-৪ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে তৌফিক সুলতান স্যারের ‘জ্ঞানের জগৎ’ বই Logo পবিত্র লাইলাতুল বরাত আনজুমান ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য

শৈলকুপায় নদী ভাঙন রোধে বরাদ্দ না থাকার কারনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৪২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭
  • ৭৬৬ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ ঝিনাইদহ শৈলকুপা উপজেলার ৬নং সারুটিয়া ইউনিয়নের এক নম্বন ওয়াডের্র বরুলিয়া গ্রামে ভয়াবহ আকারে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে।কয়েক দিনের অতি বৃষ্টিতে ও নদীর পানি কমতে থাকায় নদী ভাঙন অতি মাত্রায় রুপ নিয়েছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইতি মধ্যে ওখানে থাকা কয়েকটি বসত ভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।ওই এলাকার মানুষ চরম আকারে আতংকের মধ্যে দিনপাত করছে। বরুলিয়া গ্রামে মোট জনসংখ্যা ১৫০০ জনের মত। কিন্তু বর্তমানে গ্রামের অর্ধেক মানুষের জমি জমা বসত ভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।অনেক পরিবার জমিজমা হারিয়ে এখন প্রায় নিঃস্ব।
ওই এলাকার নদী পাড়ের বাসীন্দা, মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে ফিরোজ জানান, আমরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি মাঝ রাতে ঘুম থেকে উঠে আমি টয়লেটে যাব এমতা অবস্থায় দেখি টিউবওয়েল সহ পাশে থাকা ল্যাটটিন নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন আমাদের বসত ভিটা কখন নদী গর্ভে চলে যায় সেই চিন্তায় অস্থির আছি। ইতি মধ্যে তার ৩ বিঘা জমি নদী গর্ভে। পাট, ধান, সবজির ক্ষেত সহ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। তার পরিবারে সবাই কান্না আর বিলাপ করতে থাকে আর বলে আমরা এখন কোথায় যাব, আল্লাহ তুমি আমাদের রক্ষা করো।

গ্রামবাসীরা জানান, এতো বড় ভয়াবহ রুপ নেওয়ার পরেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন রুপ ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং প্রশাসনের কোন লোকও আমাদের এই নাজুক অবস্থা পরির্দশন করতে আসেনি। একই গ্রামের বাসিন্দা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র আসাদ অভিযোগ করে বলেন, আমরা শুনতে পাড়ি প্রায় আমাদের নদী ভাঙন রোধের জন্য বরাদ্দ আসে কিন্তু আমরা পাই না। তিনি আরো বলেন, নদী ভাঙন রোধে প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকার মত কাজ আসে কে বা কারা সব অর্থই খেয়ে ফেলেছে।

আসাদ আরো জানান, এই গ্রাম হতে সামনের কেশনগর মসজিদ পর্যন্ত প্রায় ১.৫০ কি:মি: রাস্তার বরাদ্দ সম্পূর্ন অর্থই গ্রাস করেছে। সরজমিনে এখন রাস্তার কোন লেশ মাত্র নেই। নদীর পানি যতই কমছে ততই নদী ভাঙন আরো কঠোর রুপ নিচ্ছে। এ ভাবে চলতে খাকলে গ্রামের সম্পূর্ন অংশই নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা জাগছে। সর্বপরি গ্রাম বাসিরা সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রশাসনের সকল স্তরের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, এ নদী ভাঙন রোধে তারা যেন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন করে ও অচিরেই যেন এ সমস্যার সমাধান করে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

শৈলকুপায় নদী ভাঙন রোধে বরাদ্দ না থাকার কারনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৪২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭

ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ ঝিনাইদহ শৈলকুপা উপজেলার ৬নং সারুটিয়া ইউনিয়নের এক নম্বন ওয়াডের্র বরুলিয়া গ্রামে ভয়াবহ আকারে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে।কয়েক দিনের অতি বৃষ্টিতে ও নদীর পানি কমতে থাকায় নদী ভাঙন অতি মাত্রায় রুপ নিয়েছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইতি মধ্যে ওখানে থাকা কয়েকটি বসত ভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।ওই এলাকার মানুষ চরম আকারে আতংকের মধ্যে দিনপাত করছে। বরুলিয়া গ্রামে মোট জনসংখ্যা ১৫০০ জনের মত। কিন্তু বর্তমানে গ্রামের অর্ধেক মানুষের জমি জমা বসত ভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।অনেক পরিবার জমিজমা হারিয়ে এখন প্রায় নিঃস্ব।
ওই এলাকার নদী পাড়ের বাসীন্দা, মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে ফিরোজ জানান, আমরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি মাঝ রাতে ঘুম থেকে উঠে আমি টয়লেটে যাব এমতা অবস্থায় দেখি টিউবওয়েল সহ পাশে থাকা ল্যাটটিন নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন আমাদের বসত ভিটা কখন নদী গর্ভে চলে যায় সেই চিন্তায় অস্থির আছি। ইতি মধ্যে তার ৩ বিঘা জমি নদী গর্ভে। পাট, ধান, সবজির ক্ষেত সহ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। তার পরিবারে সবাই কান্না আর বিলাপ করতে থাকে আর বলে আমরা এখন কোথায় যাব, আল্লাহ তুমি আমাদের রক্ষা করো।

গ্রামবাসীরা জানান, এতো বড় ভয়াবহ রুপ নেওয়ার পরেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন রুপ ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং প্রশাসনের কোন লোকও আমাদের এই নাজুক অবস্থা পরির্দশন করতে আসেনি। একই গ্রামের বাসিন্দা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র আসাদ অভিযোগ করে বলেন, আমরা শুনতে পাড়ি প্রায় আমাদের নদী ভাঙন রোধের জন্য বরাদ্দ আসে কিন্তু আমরা পাই না। তিনি আরো বলেন, নদী ভাঙন রোধে প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকার মত কাজ আসে কে বা কারা সব অর্থই খেয়ে ফেলেছে।

আসাদ আরো জানান, এই গ্রাম হতে সামনের কেশনগর মসজিদ পর্যন্ত প্রায় ১.৫০ কি:মি: রাস্তার বরাদ্দ সম্পূর্ন অর্থই গ্রাস করেছে। সরজমিনে এখন রাস্তার কোন লেশ মাত্র নেই। নদীর পানি যতই কমছে ততই নদী ভাঙন আরো কঠোর রুপ নিচ্ছে। এ ভাবে চলতে খাকলে গ্রামের সম্পূর্ন অংশই নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা জাগছে। সর্বপরি গ্রাম বাসিরা সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রশাসনের সকল স্তরের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, এ নদী ভাঙন রোধে তারা যেন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন করে ও অচিরেই যেন এ সমস্যার সমাধান করে।