শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

রুবেল হত্যা : এসি আকরামের খালাসের রায় বহাল !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪৬ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭
  • ৭৭২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

পুলিশের হেফাজতে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র শামীম রেজা রুবেল হত্যা মামলায় তখনকার সহকারী কমিশনার (এসি) মো. আকরাম হোসেনের খালাসের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।
এ মামলায় অপর আসামি উপপরিদর্শক হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরকে হাইকোর্টের দেওয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রেখেছেন আদালত।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় দেন।
আদালতে এসি আকরামের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির। হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।

আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, ১৯৯৮ সালে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র শামীম রেজা রুবেলকে হত্যা করা হয়। এ মামলায় ২০১১ সালের ৫ মে হাইকোর্ট আকরামসহ ১৩ জনকে খালাস দিয়েছিলেন। খালাসপ্রাপ্তদের মধ্যে আকরামের ক্ষেত্রে লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

এদিকে হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরও তার সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেন। এ দুই আপিল নিষ্পত্তি করে আদালত হাইকোর্টের দেওয়া এসি আকরামের খালাসের রায় বহাল রাখেন। একই সঙ্গে হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরের সাজার রায়ও বহাল রাখেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ২৩ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের এসআই হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি দল ৫৪ ধারায় ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র শামীম রেজা রুবেলকে আটক করেন। পরে ডিবি হেফাজতে থাকা অবস্থায় রুবেলের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় করা মামলার রায়ে ২০০২ সালের ১৭ জুন ঢাকার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত এসি আকরামসহ ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া মুকুলি বেগম এক আসামিকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন আসামিরা। হাইকোর্ট ২০১১ সালের ৫ মে হাইকোর্ট একমাত্র হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরের সাজা বহাল রেখে এসি আকরামসহ ১৩ জনকে খালাস দিয়েছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

রুবেল হত্যা : এসি আকরামের খালাসের রায় বহাল !

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪৬ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

পুলিশের হেফাজতে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র শামীম রেজা রুবেল হত্যা মামলায় তখনকার সহকারী কমিশনার (এসি) মো. আকরাম হোসেনের খালাসের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।
এ মামলায় অপর আসামি উপপরিদর্শক হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরকে হাইকোর্টের দেওয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রেখেছেন আদালত।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় দেন।
আদালতে এসি আকরামের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির। হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।

আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, ১৯৯৮ সালে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র শামীম রেজা রুবেলকে হত্যা করা হয়। এ মামলায় ২০১১ সালের ৫ মে হাইকোর্ট আকরামসহ ১৩ জনকে খালাস দিয়েছিলেন। খালাসপ্রাপ্তদের মধ্যে আকরামের ক্ষেত্রে লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

এদিকে হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরও তার সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেন। এ দুই আপিল নিষ্পত্তি করে আদালত হাইকোর্টের দেওয়া এসি আকরামের খালাসের রায় বহাল রাখেন। একই সঙ্গে হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরের সাজার রায়ও বহাল রাখেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ২৩ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের এসআই হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি দল ৫৪ ধারায় ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র শামীম রেজা রুবেলকে আটক করেন। পরে ডিবি হেফাজতে থাকা অবস্থায় রুবেলের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় করা মামলার রায়ে ২০০২ সালের ১৭ জুন ঢাকার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত এসি আকরামসহ ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া মুকুলি বেগম এক আসামিকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন আসামিরা। হাইকোর্ট ২০১১ সালের ৫ মে হাইকোর্ট একমাত্র হায়াতুল ইসলাম ঠাকুরের সাজা বহাল রেখে এসি আকরামসহ ১৩ জনকে খালাস দিয়েছিলেন।