মঙ্গলবার | ৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী Logo এসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চাপ্টার খুলনা ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বে শাহরিয়ার-কমানিং Logo বেরোবি জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম নেতৃত্বে রোকনুজ্জামান – মামদুদুর  Logo শ্যামনগরে প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন Logo যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে আসলো আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মরদেহ Logo জীবননগরে পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে সুলভ মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

রাবিতে ‘শহীদ আবু সাঈদ ও জাগ্রত চেতনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার

শহীদ আবু সাঈদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘শহীদ আবু সাঈদ ও জাগ্রত চেতনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণা করে নানা তৎপর ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা করা হয়।

আজ বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছিলেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান।

প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত এ সেমিনার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, এবং আলোচকবৃন্দসহ আলোচনা রাখেন অনেকেই। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব। জুলাই-আগস্টের স্মৃতিচারণ করে তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। তিনি বলেন, মানুষের মনের মধ্যে পুষে রাখা ক্ষোভ, হাজারও না পাওয়া গল্প এবং নানা অবিচারের এক চুড়ান্ত ফলাফল আমরা জুলাই-আগস্টে দেখতে পেরেছি। আমরা খুব সৌভাগ্যবান কারণ আমরা ইতিহাসের ঠিকদিকে থাকার সৌভাগ্য পেয়েছিলাম। শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সাথে তার কবরস্থান জিয়ারত করার সুযোগ হয়েছিলো আমার। খুব সাধারণ একটা পরিবার, সেই সাধারণ পরিবারের ছেলে আবু সাঈদ যে অসাধারণ কাজ কাজ করে গেছে–আমি এ বিষয়টা যতোবারই ভাবি অবাক হই। তার এই ত্যাগ কখনোই ভুলবার নয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান দেশের এই হতাশার সময়গুলোতেও যে বিষয়টা আমাকে আশাবাদী করে তা হলো, যারা জুলাই-আগস্ট বুকে ধারণ করে, আমি মনে করি তাদের ভেতর থেকে একটা বিষয় সম্পুর্ন দূরীভূত হয়েছে সেটা হলো ‘ভয়’ এ ছাত্রসমাজ আর ভয় পায় না। আমি বর্তমান প্রশাসনে আছি এবং আমার কাছে বহু দিক থেকে বহু কথা আসে। অনেকে কিঞ্চিৎ ভয় দেখানোর চেষ্টাও করে। আমি তাদেরকে বলতে চাই, আপনি বা আপনারা কাকে ভয় দেখাচ্ছেন? আমরা হলাম জিন্দা শহীদ।

আমরা যখন ঘর থেকে বের হয়েছি এমন চিন্তা করে বের হইনি যে আমরা আবার ফিরে আসবো। তাই আজকে যখন আপনারা আমাদেরকে নতি স্বিকার করাতে চান আমি এটাকে বলবো অরণ্য রোদন। আমরা শুধু কোটার জন্য লড়িনি আমরা লড়েছি ইনসাফের জন্য, আমাদের সংগ্রাম ছিলো ইনসাফের। ১৬ বছর ধরে হাসিনা যে তরিকায় দেশ শাসন করেছে সেই তরিকায় এখন আর কেউ ৬ মাসও টিকতে পারবে না।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সকল জুলাই যোদ্ধাদের সালাম জানিয়ে বলেন, “৮ আগস্ট আমি যখন তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ছিলাম, তখন সেখানকাএ টিভি চ্যানেল টিআরটি টিভিতে বলেছিলাম এই জুলাই বিপ্লবের নায়ক ড. ইউনুস নন, বরং শহীদ আবু সাঈদ। আমি উল্লেখ করেছিলাম, কীভাবে তিনি দুই হাত প্রসারিত করে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। এই বিপ্লব কখনো বৃথা যেতে পারে না। প্রায় ষোঁলোশো তরুণ এতে শহীদ হন, কিন্তু এর টার্নিং পয়েন্ট ছিল আবু সাঈদের শাহাদাত। শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদ এর রক্তের বিনিময়েই আমরা এই স্বাধীনতা পেয়েছি।”

তিনি বলেন, “কিন্তু আজ গোপালগঞ্জে ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আজ সকালের এক প্রতিবেদনে (জবানে লাগাম দিন) আমি বলেছিলাম যদি জুলাই যোদ্ধারা বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে ফ্যাসিবাদ আবার মাথাচাড়া দেবে। সেটির বাস্তব প্রমাণ আজ গোপালগঞ্জে মিলেছে। এখানে রাজনীতিবিদ ও সরকারের ব্যর্থতা রয়েছে। সরকার জানত এনসিপি কর্মীরা গোপালগঞ্জে যাবে, তবু তাঁরা কোনো আগাম ব্যবস্থা নেয়নি। এই ব্যার্থতার পরে সরকারের সররাষ্ট উপদেষ্টার দায়িত্বে যিনি আছেন, তিনি কী আর ক্ষমতায় থাকতে পারে কিনা সেটি নিয়েও এখন চিন্তা করার দরকার।”

তিনি আরও বলেন, “আজকের এ ঘটনা আমাদের জন্য এক ধরনের ওয়েক-আপ কল। আমাদের আবার ঐক্যবদ্ধভাবে রাস্তায় নামতে হতে পারে। এটি বারবার প্রমানিত যে যখন তরুনরা রুখে দাঁড়ায় তখন সেই রাষ্ট্রকে আর পদনত করা যায়না। আমি মনে করি, আমাদের আর স্পার্টাকাস আর চে গুয়েভারার গল্প পড়ার দরকার নাই। আমরা আজ থেকে পড়বো শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, নাফিজদের গল্প।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান। এছাড়াও সেমিনারে আলোচক হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারীজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মন্ডল, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ এবং আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মো. ছাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এসময় জুলাই আন্দোলনের উপর নির্মিত একটি তথ্যবহুল ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়, যেখানে আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি জুলাই যোদ্ধারা তাদের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সংগ্রামের কথা আবেগঘনভাবে বর্ণনা করেন। সবশেষে একটি নাট্য মঞ্চায়নের মাধ্যমে সেমিনারের কার্যক্রম শেষ হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল

রাবিতে ‘শহীদ আবু সাঈদ ও জাগ্রত চেতনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৩০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

শহীদ আবু সাঈদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘শহীদ আবু সাঈদ ও জাগ্রত চেতনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণা করে নানা তৎপর ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা করা হয়।

আজ বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছিলেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান।

প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত এ সেমিনার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, এবং আলোচকবৃন্দসহ আলোচনা রাখেন অনেকেই। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব। জুলাই-আগস্টের স্মৃতিচারণ করে তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। তিনি বলেন, মানুষের মনের মধ্যে পুষে রাখা ক্ষোভ, হাজারও না পাওয়া গল্প এবং নানা অবিচারের এক চুড়ান্ত ফলাফল আমরা জুলাই-আগস্টে দেখতে পেরেছি। আমরা খুব সৌভাগ্যবান কারণ আমরা ইতিহাসের ঠিকদিকে থাকার সৌভাগ্য পেয়েছিলাম। শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সাথে তার কবরস্থান জিয়ারত করার সুযোগ হয়েছিলো আমার। খুব সাধারণ একটা পরিবার, সেই সাধারণ পরিবারের ছেলে আবু সাঈদ যে অসাধারণ কাজ কাজ করে গেছে–আমি এ বিষয়টা যতোবারই ভাবি অবাক হই। তার এই ত্যাগ কখনোই ভুলবার নয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান দেশের এই হতাশার সময়গুলোতেও যে বিষয়টা আমাকে আশাবাদী করে তা হলো, যারা জুলাই-আগস্ট বুকে ধারণ করে, আমি মনে করি তাদের ভেতর থেকে একটা বিষয় সম্পুর্ন দূরীভূত হয়েছে সেটা হলো ‘ভয়’ এ ছাত্রসমাজ আর ভয় পায় না। আমি বর্তমান প্রশাসনে আছি এবং আমার কাছে বহু দিক থেকে বহু কথা আসে। অনেকে কিঞ্চিৎ ভয় দেখানোর চেষ্টাও করে। আমি তাদেরকে বলতে চাই, আপনি বা আপনারা কাকে ভয় দেখাচ্ছেন? আমরা হলাম জিন্দা শহীদ।

আমরা যখন ঘর থেকে বের হয়েছি এমন চিন্তা করে বের হইনি যে আমরা আবার ফিরে আসবো। তাই আজকে যখন আপনারা আমাদেরকে নতি স্বিকার করাতে চান আমি এটাকে বলবো অরণ্য রোদন। আমরা শুধু কোটার জন্য লড়িনি আমরা লড়েছি ইনসাফের জন্য, আমাদের সংগ্রাম ছিলো ইনসাফের। ১৬ বছর ধরে হাসিনা যে তরিকায় দেশ শাসন করেছে সেই তরিকায় এখন আর কেউ ৬ মাসও টিকতে পারবে না।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সকল জুলাই যোদ্ধাদের সালাম জানিয়ে বলেন, “৮ আগস্ট আমি যখন তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ছিলাম, তখন সেখানকাএ টিভি চ্যানেল টিআরটি টিভিতে বলেছিলাম এই জুলাই বিপ্লবের নায়ক ড. ইউনুস নন, বরং শহীদ আবু সাঈদ। আমি উল্লেখ করেছিলাম, কীভাবে তিনি দুই হাত প্রসারিত করে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। এই বিপ্লব কখনো বৃথা যেতে পারে না। প্রায় ষোঁলোশো তরুণ এতে শহীদ হন, কিন্তু এর টার্নিং পয়েন্ট ছিল আবু সাঈদের শাহাদাত। শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদ এর রক্তের বিনিময়েই আমরা এই স্বাধীনতা পেয়েছি।”

তিনি বলেন, “কিন্তু আজ গোপালগঞ্জে ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আজ সকালের এক প্রতিবেদনে (জবানে লাগাম দিন) আমি বলেছিলাম যদি জুলাই যোদ্ধারা বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে ফ্যাসিবাদ আবার মাথাচাড়া দেবে। সেটির বাস্তব প্রমাণ আজ গোপালগঞ্জে মিলেছে। এখানে রাজনীতিবিদ ও সরকারের ব্যর্থতা রয়েছে। সরকার জানত এনসিপি কর্মীরা গোপালগঞ্জে যাবে, তবু তাঁরা কোনো আগাম ব্যবস্থা নেয়নি। এই ব্যার্থতার পরে সরকারের সররাষ্ট উপদেষ্টার দায়িত্বে যিনি আছেন, তিনি কী আর ক্ষমতায় থাকতে পারে কিনা সেটি নিয়েও এখন চিন্তা করার দরকার।”

তিনি আরও বলেন, “আজকের এ ঘটনা আমাদের জন্য এক ধরনের ওয়েক-আপ কল। আমাদের আবার ঐক্যবদ্ধভাবে রাস্তায় নামতে হতে পারে। এটি বারবার প্রমানিত যে যখন তরুনরা রুখে দাঁড়ায় তখন সেই রাষ্ট্রকে আর পদনত করা যায়না। আমি মনে করি, আমাদের আর স্পার্টাকাস আর চে গুয়েভারার গল্প পড়ার দরকার নাই। আমরা আজ থেকে পড়বো শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, নাফিজদের গল্প।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান। এছাড়াও সেমিনারে আলোচক হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারীজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মন্ডল, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ এবং আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মো. ছাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এসময় জুলাই আন্দোলনের উপর নির্মিত একটি তথ্যবহুল ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়, যেখানে আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি জুলাই যোদ্ধারা তাদের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সংগ্রামের কথা আবেগঘনভাবে বর্ণনা করেন। সবশেষে একটি নাট্য মঞ্চায়নের মাধ্যমে সেমিনারের কার্যক্রম শেষ হয়।